
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। পাশাপাশি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে দেশটি। এতে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা আরও ঘণীভূত হয়েছে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এ খবর দিয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, অন্তত দুটি ড্রোন সৌদি আরবের রাজধানীর আমেরিকান দূতাবাস প্রাঙ্গণে আঘাত হেনেছে। এর ফলে অগ্নিকাণ্ড এবং সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে সৌদি প্রতিরক্ষা বাহিনী রিয়াদ ও পার্শ্ববর্তী শহরগুলোর দিকে ধাবমান আরও বেশ কিছু ড্রোন প্রতিহত করেছে।
ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, তেহরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে। এমনকি এ প্রণালী দিয়ে কোনো জাহাজ চলাচল করলে এতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছে দেশটি।
হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। এর ফলে এটি বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুটে পরিণত হয়েছে।
এই প্রণালী বন্ধের ফলে বিশ্ববাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দীর্ঘমেয়াদি অচলাবস্থা জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে দিতে পারে—এমন আশঙ্কায় তেলের দাম তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। উচ্চ ঝুঁকির কারণে বাণিজ্যিক জাহাজ কোম্পানি এবং বিমাকারীরা এই প্রণালী এড়িয়ে চলছে বলে জানা গেছে।
তেহরানের আঞ্চলিক প্রভাব খর্ব করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ইরানের ভূখণ্ডে সরকারি ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে আমেরিকা-ইসরায়েলি যৌথ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর এই উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। এই পদক্ষেপের জবাবে ইরানি বাহিনী দ্রুত পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে, যার মধ্যে ইসরায়েল এবং আমেরিকান সামরিক ঘাঁটি রয়েছে এমন উপসাগরীয় দেশগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা অন্তর্ভুক্ত।
এই বিস্তৃত সংঘাত আন্তর্জাতিক নেতাদের মধ্যে গভীর অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিণতির পাশাপাশি একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করেছে। বিশ্লেষকেরা সতর্ক করেছেন, কূটনৈতিক ও সামরিক প্রতিক্রিয়াগুলো অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে।

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। পাশাপাশি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে দেশটি। এতে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা আরও ঘণীভূত হয়েছে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এ খবর দিয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, অন্তত দুটি ড্রোন সৌদি আরবের রাজধানীর আমেরিকান দূতাবাস প্রাঙ্গণে আঘাত হেনেছে। এর ফলে অগ্নিকাণ্ড এবং সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে সৌদি প্রতিরক্ষা বাহিনী রিয়াদ ও পার্শ্ববর্তী শহরগুলোর দিকে ধাবমান আরও বেশ কিছু ড্রোন প্রতিহত করেছে।
ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, তেহরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে। এমনকি এ প্রণালী দিয়ে কোনো জাহাজ চলাচল করলে এতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছে দেশটি।
হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। এর ফলে এটি বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুটে পরিণত হয়েছে।
এই প্রণালী বন্ধের ফলে বিশ্ববাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দীর্ঘমেয়াদি অচলাবস্থা জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে দিতে পারে—এমন আশঙ্কায় তেলের দাম তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। উচ্চ ঝুঁকির কারণে বাণিজ্যিক জাহাজ কোম্পানি এবং বিমাকারীরা এই প্রণালী এড়িয়ে চলছে বলে জানা গেছে।
তেহরানের আঞ্চলিক প্রভাব খর্ব করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ইরানের ভূখণ্ডে সরকারি ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে আমেরিকা-ইসরায়েলি যৌথ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর এই উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। এই পদক্ষেপের জবাবে ইরানি বাহিনী দ্রুত পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে, যার মধ্যে ইসরায়েল এবং আমেরিকান সামরিক ঘাঁটি রয়েছে এমন উপসাগরীয় দেশগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা অন্তর্ভুক্ত।
এই বিস্তৃত সংঘাত আন্তর্জাতিক নেতাদের মধ্যে গভীর অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিণতির পাশাপাশি একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করেছে। বিশ্লেষকেরা সতর্ক করেছেন, কূটনৈতিক ও সামরিক প্রতিক্রিয়াগুলো অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, আমিনের বিরুদ্ধে শিশু পর্নোগ্রাফি তৈরি ও বিতরণের ষড়যন্ত্র, শিশু শোষণমূলক চক্র পরিচালনা, সাইবারস্টকিং, পরিচয় জালিয়াতি এবং ওয়্যার জালিয়াতিসহ একাধিক ফেডারেল অভিযোগ আনা হয়েছে।
গত শনিবার থেকে পরবর্তী সকল জরিমানা মওকুফ করা হয়েছে, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত ভ্রমণকারীদের ক্ষেত্রে কোনো আর্থিক দণ্ড ছাড়াই তাদের অবস্থান বৈধ বলে বিবেচিত হয়।
ইরানে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রেক্ষাপটে দেশটি যে ব্যতিক্রমী পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে তার প্রতিক্রিয়ায় ব্যবস্থা গ্রহণের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক বিবৃতিতে বলেছে, শিক্ষার্থী ভিসায় আসা শিক্ষার্থীদের আশ্রয় প্রার্থনার সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় প্রথমবারের মতো জরুরিভিত্তিতে ৪ দেশের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করতে হচ্ছে।