
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য এএফসি উইমেনস এশিয়ান কাপ অস্ট্রেলিয়া ২০২৬–কে সামনে রেখে নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের রাজধানী সিডনিতে অনুষ্ঠিত হলো ‘কমিউনিটি চ্যাম্পিয়ন ইন্ডাকশন সেশন’। এই আয়োজনটি ছিল অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর কমিউনিটি প্রতিনিধি ও ক্রীড়া নেতাদের এক মিলনমেলা।
আজ বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় সিডনির ফোর সিজনস হোটেলে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃত্ব দেন অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের সভাপতি ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের অস্ট্রেলিয়া প্রতিনিধি আব্দুল খান রতন। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট শফিক শেখ, হোসেন কবির ও নাইম আবদুল্লাহ।
সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে রেজিস্ট্রেশন, ক্যানাপেস ও নেটওয়ার্কিং সেশনের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হয় তথ্যবহুল ওয়েলকাম ব্রিফিং ও প্যানেল আলোচনা। অংশগ্রহণকারীরা আসন্ন টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা ও নারীর ক্ষমতায়নে ফুটবলের ভূমিকা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

অংশগ্রহণকারীরা বলেন, ফুটবল এখন শুধুই একটি খেলা নয়—এটি সামাজিক সংহতি, ক্ষমতায়ন ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতীক। বিশ্বজুড়ে নারী ফুটবলের জনপ্রিয়তা ও প্রভাব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, আর বাংলাদেশও তার অংশ হতে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ দলের প্রতি সমর্থন জানিয়ে প্যানেল আলোচনায় আব্দুল খান রতন বলেন, আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে আছি—আপনারা গর্বিত হোন। এই ধরনের আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ শুধু খেলোয়াড়দের নয়, পুরো জাতির জন্যই অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠবে।

তিনি অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী বাংলাদেশিদের পরিবার ও বন্ধুবান্ধবসহ এএফসি উইমেনস এশিয়ান কাপ অস্ট্রেলিয়া ২০২৬–এর খেলাগুলো উপভোগ করে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান।
বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য এই আয়োজন এক বিশেষ গর্বের বিষয়। আন্তর্জাতিক নারী ফুটবলের এই মহোৎসবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব কেবল ক্রীড়াক্ষেত্রে নয়, দেশের নারী শক্তি ও সম্ভাবনার প্রতীক হিসেবেও স্থান করে নেবে।

সবশেষে উপস্থিত প্রতিনিধিরা একসঙ্গে উচ্চারণ করেন—‘চিয়ার আপ বাংলাদেশ! আমরা তোমাদের সঙ্গে আছি।’
উল্লেখ্য, ১ থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত চলবে এএফসি উইমেনস এশিয়ান কাপ অস্ট্রেলিয়া ২০২৬। অস্ট্রেলিয়ার ৩টি শহর ও ৫টি ভেন্যুতে খেলা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে সিডনিতে হবে কয়েকটি গ্রুপ ম্যাচসহ কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল ও ফাইনাল পর্ব।

অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য এএফসি উইমেনস এশিয়ান কাপ অস্ট্রেলিয়া ২০২৬–কে সামনে রেখে নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের রাজধানী সিডনিতে অনুষ্ঠিত হলো ‘কমিউনিটি চ্যাম্পিয়ন ইন্ডাকশন সেশন’। এই আয়োজনটি ছিল অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর কমিউনিটি প্রতিনিধি ও ক্রীড়া নেতাদের এক মিলনমেলা।
আজ বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় সিডনির ফোর সিজনস হোটেলে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃত্ব দেন অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের সভাপতি ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের অস্ট্রেলিয়া প্রতিনিধি আব্দুল খান রতন। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট শফিক শেখ, হোসেন কবির ও নাইম আবদুল্লাহ।
সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে রেজিস্ট্রেশন, ক্যানাপেস ও নেটওয়ার্কিং সেশনের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হয় তথ্যবহুল ওয়েলকাম ব্রিফিং ও প্যানেল আলোচনা। অংশগ্রহণকারীরা আসন্ন টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা ও নারীর ক্ষমতায়নে ফুটবলের ভূমিকা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

অংশগ্রহণকারীরা বলেন, ফুটবল এখন শুধুই একটি খেলা নয়—এটি সামাজিক সংহতি, ক্ষমতায়ন ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতীক। বিশ্বজুড়ে নারী ফুটবলের জনপ্রিয়তা ও প্রভাব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, আর বাংলাদেশও তার অংশ হতে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ দলের প্রতি সমর্থন জানিয়ে প্যানেল আলোচনায় আব্দুল খান রতন বলেন, আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে আছি—আপনারা গর্বিত হোন। এই ধরনের আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ শুধু খেলোয়াড়দের নয়, পুরো জাতির জন্যই অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠবে।

তিনি অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী বাংলাদেশিদের পরিবার ও বন্ধুবান্ধবসহ এএফসি উইমেনস এশিয়ান কাপ অস্ট্রেলিয়া ২০২৬–এর খেলাগুলো উপভোগ করে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান।
বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য এই আয়োজন এক বিশেষ গর্বের বিষয়। আন্তর্জাতিক নারী ফুটবলের এই মহোৎসবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব কেবল ক্রীড়াক্ষেত্রে নয়, দেশের নারী শক্তি ও সম্ভাবনার প্রতীক হিসেবেও স্থান করে নেবে।

সবশেষে উপস্থিত প্রতিনিধিরা একসঙ্গে উচ্চারণ করেন—‘চিয়ার আপ বাংলাদেশ! আমরা তোমাদের সঙ্গে আছি।’
উল্লেখ্য, ১ থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত চলবে এএফসি উইমেনস এশিয়ান কাপ অস্ট্রেলিয়া ২০২৬। অস্ট্রেলিয়ার ৩টি শহর ও ৫টি ভেন্যুতে খেলা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে সিডনিতে হবে কয়েকটি গ্রুপ ম্যাচসহ কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল ও ফাইনাল পর্ব।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।