
বিডিজেন ডেস্ক

নিকটবর্তী একটি বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের পর বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর বন্ধ রয়েছে। এ কারণে আজ শুক্রবার লন্ডনে আসা-যাওয়া করা একাধিক ফ্লাইট বাতিল করেছে এমিরেটস এয়ারলাইনস।
দুবাইভিত্তিক বিমান সংস্থাটি ঘোষণা করেছে, হিথরো সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার কারণে যেসব পরিষেবাগুলো পরিচালনা করা হবে না তা হলো– EK001/002, EK029/030 ও EK031/032।
এই ফ্লাইটগুলোতে বুকিং করা যাত্রীদের ভ্রমণ আজ হবে না। বিমান সংস্থা জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরিস্থিতির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে আপডেট জানাবে।
এমিরেটস জানিয়েছে, যাত্রীদের ভ্রমণের আগে আপডেটের জন্য ওয়েবসাইটটি দেখা এবং সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি পেতে Manage Your Booking এর মাধ্যমে তাদের যোগাযোগের বিবরণ আপ টু ডেট আছে কি না তা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, যাত্রীদের যুক্তরাজ্যের অন্য বিমানবন্দরে ভ্রমণ পুনরায় বুক করার বা পরবর্তী তারিখের জন্য পুনঃনির্ধারণের সুযোগ রয়েছে। যারা ট্রাভেল এজেন্টদের মাধ্যমে বুকিং করেছেন, তাদের এজেন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়। অন্যদিকে যারা সরাসরি এমিরেটসের সঙ্গে বুকিং করেছেন, তারা সহায়তার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন। বিমান সংস্থাটি যেকোনো অসুবিধার জন্য ক্ষমা চেয়েছে।
পশ্চিম লন্ডনের একটি বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর লন্ডন হিথরো বিমানবন্দর শুক্রবার বন্ধ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এর ফলে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দেয় এবং বিশ্বব্যাপী বিমান চলাচল ব্যাহত হয়।
লন্ডন ফায়ার ব্রিগেড জানিয়েছে, প্রায় ৭০ জন অগ্নিনির্বাপক কর্মী আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন। এ ঘটনা ইউরোপের ব্যস্ততম এবং বিশ্বের পঞ্চম ব্যস্ততম বিমানবন্দরের কার্যক্রমকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করেছে।
হিথরোতে এই বিঘ্নের ফলে বিশ্বব্যাপী ভ্রমণে তীব্র প্রভাব পড়বে বলে শঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। বিমান সংস্থা ও যাত্রীরা বিলম্ব যাত্রা কিংবা ফ্লাইট বাতিলের সম্মুখীন হবেন। ভ্রমণকারীদের সর্বশেষ আপডেটের জন্য তাদের বিমান সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

নিকটবর্তী একটি বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের পর বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর বন্ধ রয়েছে। এ কারণে আজ শুক্রবার লন্ডনে আসা-যাওয়া করা একাধিক ফ্লাইট বাতিল করেছে এমিরেটস এয়ারলাইনস।
দুবাইভিত্তিক বিমান সংস্থাটি ঘোষণা করেছে, হিথরো সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার কারণে যেসব পরিষেবাগুলো পরিচালনা করা হবে না তা হলো– EK001/002, EK029/030 ও EK031/032।
এই ফ্লাইটগুলোতে বুকিং করা যাত্রীদের ভ্রমণ আজ হবে না। বিমান সংস্থা জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরিস্থিতির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে আপডেট জানাবে।
এমিরেটস জানিয়েছে, যাত্রীদের ভ্রমণের আগে আপডেটের জন্য ওয়েবসাইটটি দেখা এবং সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি পেতে Manage Your Booking এর মাধ্যমে তাদের যোগাযোগের বিবরণ আপ টু ডেট আছে কি না তা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, যাত্রীদের যুক্তরাজ্যের অন্য বিমানবন্দরে ভ্রমণ পুনরায় বুক করার বা পরবর্তী তারিখের জন্য পুনঃনির্ধারণের সুযোগ রয়েছে। যারা ট্রাভেল এজেন্টদের মাধ্যমে বুকিং করেছেন, তাদের এজেন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়। অন্যদিকে যারা সরাসরি এমিরেটসের সঙ্গে বুকিং করেছেন, তারা সহায়তার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন। বিমান সংস্থাটি যেকোনো অসুবিধার জন্য ক্ষমা চেয়েছে।
পশ্চিম লন্ডনের একটি বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর লন্ডন হিথরো বিমানবন্দর শুক্রবার বন্ধ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এর ফলে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দেয় এবং বিশ্বব্যাপী বিমান চলাচল ব্যাহত হয়।
লন্ডন ফায়ার ব্রিগেড জানিয়েছে, প্রায় ৭০ জন অগ্নিনির্বাপক কর্মী আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন। এ ঘটনা ইউরোপের ব্যস্ততম এবং বিশ্বের পঞ্চম ব্যস্ততম বিমানবন্দরের কার্যক্রমকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করেছে।
হিথরোতে এই বিঘ্নের ফলে বিশ্বব্যাপী ভ্রমণে তীব্র প্রভাব পড়বে বলে শঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। বিমান সংস্থা ও যাত্রীরা বিলম্ব যাত্রা কিংবা ফ্লাইট বাতিলের সম্মুখীন হবেন। ভ্রমণকারীদের সর্বশেষ আপডেটের জন্য তাদের বিমান সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
৯ দিন আগে