
ইব্রাহীম চৌধুরী

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের ছোট্ট শহর মিলবোর্ন। মাত্র আধ মাইল লম্বা এই শহর। জনসংখ্যা হাতে গোনা। অথচ এখানেই ঘটল এমন এক ঘটনা, যা হয়তো এই শহরের ইতিহাসে দীর্ঘদিন ধরে মুখে মুখে ফিরবে। বড় শহরের নির্বাচনী কলহ এখানে খুব একটা দেখা যায় না। কিন্তু এবার মিলবোর্নের শান্ত দেয়ালে উঠে এল একটি কালো দাগ—ভোট কারচুপি, মেইল-ইন ব্যালটে জালিয়াতি এবং কমিউনিটি নেতৃত্বের ভয়াবহ ব্যর্থতা।
২০২১ সালের মিলবোর্ন বরো মেয়র নির্বাচনে ভোট জালিয়াতির ঘটনায় ফেডারেল আদালতের রায়ে দণ্ডিত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ২ প্রাক্তন কাউন্সিল সদস্য মো. নূরুল হাসান ও মো. রফিকুল ইসলাম।
নূরুল হাসানকে ৩৬ মাসের কারাদণ্ড এবং রফিকুল ইসলামকে ১ বছর ১ দিনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।
আদালতের নির্দেশ—দণ্ডপ্রাপ্তদের আগামী ১৫ আগস্টের মধ্যে আত্মসমর্পণ করতে হবে।
১৮ জুন বুধবার পেনসিলভেনিয়ার ইস্টার্ন ডিসট্রিক্টের ইউএস অ্যাটর্নি অফিসের এক ঘোষণায় এ সংবাদ জানা গেছে।
মামলার অভিযোগপত্র খুললে দেখা যায়, তারা এক পরিকল্পিত জালিয়াতির ছক কষেন। শহরের বাইরের ঠিকানা ব্যবহার করে ভুয়া ভোটার নিবন্ধন, মেইল-ইন ব্যালটের অনুরোধ, এবং সেই ব্যালট নিজেরাই পূরণ করে নিজেদের পক্ষে লিখিত ভোট দাখিল—সবই ঘটেছে নিখুঁতভাবে সাজানো এক অপকৌশলে। তাদের সঙ্গে ছিলেন আরেক কাউন্সিল সদস্য মো. মনসুর আলী। তাঁর সাজা ঘোষণা হবে আগামী সপ্তাহে। বিচারক এই ঘটনাকে ‘গণতন্ত্রের বিশ্বাসঘাতকতা’ বলে অভিহিত করেছেন।
ছোট শহরের রাজনীতি কখনো কখনো খুব ব্যক্তিগত হয়ে ওঠে। প্রতিবেশী থেকে প্রার্থী, বন্ধু থেকে বিরোধী—সব একাকার হয়ে যায়। মিলবোর্নের নির্বাচনেও সেই চেনা চরিত্র। বিরোধী প্রার্থী মাহাবুবুল তাইয়ব প্রাথমিক নির্বাচনে জয়লাভের পর, মেইল-ইন ভোটের মাধ্যমে নির্বাচনের ফল ঘুরিয়ে দেওয়ার এক প্রয়াস তৈরি হয়। আর সেখানেই জন্ম নেয় এই ফেডারেল অপরাধের গল্প।
আমাদের বাংলাদেশি অভিবাসী কমিউনিটির জন্য এই ঘটনা নিঃসন্দেহে এক বেদনাদায়ক অধ্যায়। আমরা যারা প্রবাসে গণতন্ত্রের সুফল ভোগ করছি, এই সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার চেষ্টা করছি—তাদের জন্য এই ঘটনাটি যেন একটা কঠিন চপেটাঘাত।
নির্বাচনী ব্যালটে হেরফের মানে একটি সম্পূর্ণ ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে ফেলা। আমরা যখন জাতিগত পরিচয়ের গর্বে নিজেদের উপস্থাপন করি, তখন এ ধরনের ঘটনাগুলো আমাদের অস্তিত্বকেই ছোট করে দেয়। মিলবোর্নের এই কারাদণ্ডের রায় প্রবাসী কমিউনিটির জন্য অসম্মানের হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নেতৃত্ব মানে দায়িত্ব। ভোট মানে আস্থা। যারা এই বিশ্বাসের অপব্যবহার করেন, তাদের জন্য কোনো সহানুভূতি থাকার অবকাশ নেই। মিলবর্নের এ ঘটনা আগামী দিনে বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে স্বচ্ছতা, দায়িত্ববোধ, এবং গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধার প্রশ্নকে সামনে নিয়ে আসতে পারে।
সূত্র: প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের ছোট্ট শহর মিলবোর্ন। মাত্র আধ মাইল লম্বা এই শহর। জনসংখ্যা হাতে গোনা। অথচ এখানেই ঘটল এমন এক ঘটনা, যা হয়তো এই শহরের ইতিহাসে দীর্ঘদিন ধরে মুখে মুখে ফিরবে। বড় শহরের নির্বাচনী কলহ এখানে খুব একটা দেখা যায় না। কিন্তু এবার মিলবোর্নের শান্ত দেয়ালে উঠে এল একটি কালো দাগ—ভোট কারচুপি, মেইল-ইন ব্যালটে জালিয়াতি এবং কমিউনিটি নেতৃত্বের ভয়াবহ ব্যর্থতা।
২০২১ সালের মিলবোর্ন বরো মেয়র নির্বাচনে ভোট জালিয়াতির ঘটনায় ফেডারেল আদালতের রায়ে দণ্ডিত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ২ প্রাক্তন কাউন্সিল সদস্য মো. নূরুল হাসান ও মো. রফিকুল ইসলাম।
নূরুল হাসানকে ৩৬ মাসের কারাদণ্ড এবং রফিকুল ইসলামকে ১ বছর ১ দিনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।
আদালতের নির্দেশ—দণ্ডপ্রাপ্তদের আগামী ১৫ আগস্টের মধ্যে আত্মসমর্পণ করতে হবে।
১৮ জুন বুধবার পেনসিলভেনিয়ার ইস্টার্ন ডিসট্রিক্টের ইউএস অ্যাটর্নি অফিসের এক ঘোষণায় এ সংবাদ জানা গেছে।
মামলার অভিযোগপত্র খুললে দেখা যায়, তারা এক পরিকল্পিত জালিয়াতির ছক কষেন। শহরের বাইরের ঠিকানা ব্যবহার করে ভুয়া ভোটার নিবন্ধন, মেইল-ইন ব্যালটের অনুরোধ, এবং সেই ব্যালট নিজেরাই পূরণ করে নিজেদের পক্ষে লিখিত ভোট দাখিল—সবই ঘটেছে নিখুঁতভাবে সাজানো এক অপকৌশলে। তাদের সঙ্গে ছিলেন আরেক কাউন্সিল সদস্য মো. মনসুর আলী। তাঁর সাজা ঘোষণা হবে আগামী সপ্তাহে। বিচারক এই ঘটনাকে ‘গণতন্ত্রের বিশ্বাসঘাতকতা’ বলে অভিহিত করেছেন।
ছোট শহরের রাজনীতি কখনো কখনো খুব ব্যক্তিগত হয়ে ওঠে। প্রতিবেশী থেকে প্রার্থী, বন্ধু থেকে বিরোধী—সব একাকার হয়ে যায়। মিলবোর্নের নির্বাচনেও সেই চেনা চরিত্র। বিরোধী প্রার্থী মাহাবুবুল তাইয়ব প্রাথমিক নির্বাচনে জয়লাভের পর, মেইল-ইন ভোটের মাধ্যমে নির্বাচনের ফল ঘুরিয়ে দেওয়ার এক প্রয়াস তৈরি হয়। আর সেখানেই জন্ম নেয় এই ফেডারেল অপরাধের গল্প।
আমাদের বাংলাদেশি অভিবাসী কমিউনিটির জন্য এই ঘটনা নিঃসন্দেহে এক বেদনাদায়ক অধ্যায়। আমরা যারা প্রবাসে গণতন্ত্রের সুফল ভোগ করছি, এই সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার চেষ্টা করছি—তাদের জন্য এই ঘটনাটি যেন একটা কঠিন চপেটাঘাত।
নির্বাচনী ব্যালটে হেরফের মানে একটি সম্পূর্ণ ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে ফেলা। আমরা যখন জাতিগত পরিচয়ের গর্বে নিজেদের উপস্থাপন করি, তখন এ ধরনের ঘটনাগুলো আমাদের অস্তিত্বকেই ছোট করে দেয়। মিলবোর্নের এই কারাদণ্ডের রায় প্রবাসী কমিউনিটির জন্য অসম্মানের হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নেতৃত্ব মানে দায়িত্ব। ভোট মানে আস্থা। যারা এই বিশ্বাসের অপব্যবহার করেন, তাদের জন্য কোনো সহানুভূতি থাকার অবকাশ নেই। মিলবর্নের এ ঘটনা আগামী দিনে বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে স্বচ্ছতা, দায়িত্ববোধ, এবং গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধার প্রশ্নকে সামনে নিয়ে আসতে পারে।
সূত্র: প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
৯ দিন আগে