
বিডিজেন ডেস্ক

গত বছর সৌদি আরবে রিয়াদ সিজনের পর দেশটির সরকারের আমন্ত্রণে এ বছর ‘পাসপোর্ট টু দ্য ওয়ার্ল্ড’ শিরোনামের অনুষ্ঠানে পারফর্ম করেছেন ব্যান্ড তারকা নগর বাউল জেমস। ২ মে দাম্মামের আল খোবার আল ইসকান পার্কে গান শোনান তিনি। দাম্মামের পর একই অনুষ্ঠানের জেদ্দা পর্বেও গাইবেন জেমস। ৯ মে জেদ্দায় গাইবেন তিনি।
খবর আজকের পত্রিকার।
জেদ্দায় অনুষ্ঠিত কনসার্টের আমন্ত্রণ জানিয়ে জেমসের ফেসবুক পেজে লেখা হয়েছে, ‘প্রিয় সৌদি আরব প্রবাসী ভাই ও বোনেরা দেখা হবে জেদ্দাতে ৯ মে।’ এদিন জেমসের সঙ্গে আরও গাইবেন সংগীতশিল্পী সাদিয়া মৌরি ও মৌমিতা বড়ুয়া। এ বছর দাম্মামের আয়োজনে গাইতে না পারলেও ৭ মে জেদ্দায় গাইবেন পড়শী। গত বছর রিয়াদ সিজনেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি। পরদিন ৮ মে জেদ্দায় গান শোনাবেন সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল। জেদ্দার আগে দাম্মামে পাসপোর্ট টু দ্য ওয়ার্ল্ড অনুষ্ঠানে গান শুনিয়েছেন ইমরান।
২ মে দাম্মামে জেমসের গান শুনতে হাজির হয়েছিলেন লাখো প্রবাসী দর্শক। দেশটির বিভিন্ন শহরে থাকা বাংলাদেশিরা ভিড় করছিলেন কনসার্ট উপভোগ করতে। বিকেলের মধ্যেই কনসার্টস্থলে জমায়েত হন লাখো মানুষ। সময় বাড়ার সঙ্গে বাড়তে থাকে দর্শক। সন্ধ্যার পর স্টেজের স্ক্রিনে জেমসের নাম ভেসে উঠতেই আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে ওঠেন দর্শকেরা। সবার চোখ স্টেজের দিকে, প্রত্যেকের হাতে মোবাইল ফোনের ক্যামেরা তাক করা। এমন সময় হাতে গিটার নিয়ে মঞ্চে ওঠেন জেমস। পরনে কালো টি-শার্ট, ব্লু জিনস, মাথায় গামছা। একে একে গেয়ে শোনান ‘মা’, ‘আসবার কালে আসলাম একা’, ‘দুষ্টু ছেলের দল’, ‘ও বিজলি’, ‘বেদের মেয়ে জোসনা’, ‘সুন্দরীতমা আমার’, ‘পাগলা হাওয়া’, ‘ভিগি ভিগি’ গানগুলো। তাঁর গাওয়া প্রতিটি গানে উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়ে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে। অনুষ্ঠানে জেমসের পারফরম্যান্সের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
ভিশন-২০৩০ পরিকল্পনায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভাষা ও সংস্কৃতিকে একত্র করার চেষ্টা করছে সৌদি আরব। এর আওতায় ২০১৯ সাল থেকে রিয়াদ সিজনের আয়োজন করছে দেশটির মিনিস্ট্রি অব মিডিয়া। বিনোদন, সংস্কৃতি, খেলাসহ নানা আয়োজনে অংশ নিতে প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিনোদনপ্রেমীরা জড়ো হন রিয়াদে। এই ধারাবাহিকতায় চলতি বছর থেকে পাসপোর্ট টু দ্য ওয়ার্ল্ড শিরোনামে নতুন এ আয়োজন শুরু করছে সৌদি সরকার।
সূত্র: আজকের পত্রিকা

গত বছর সৌদি আরবে রিয়াদ সিজনের পর দেশটির সরকারের আমন্ত্রণে এ বছর ‘পাসপোর্ট টু দ্য ওয়ার্ল্ড’ শিরোনামের অনুষ্ঠানে পারফর্ম করেছেন ব্যান্ড তারকা নগর বাউল জেমস। ২ মে দাম্মামের আল খোবার আল ইসকান পার্কে গান শোনান তিনি। দাম্মামের পর একই অনুষ্ঠানের জেদ্দা পর্বেও গাইবেন জেমস। ৯ মে জেদ্দায় গাইবেন তিনি।
খবর আজকের পত্রিকার।
জেদ্দায় অনুষ্ঠিত কনসার্টের আমন্ত্রণ জানিয়ে জেমসের ফেসবুক পেজে লেখা হয়েছে, ‘প্রিয় সৌদি আরব প্রবাসী ভাই ও বোনেরা দেখা হবে জেদ্দাতে ৯ মে।’ এদিন জেমসের সঙ্গে আরও গাইবেন সংগীতশিল্পী সাদিয়া মৌরি ও মৌমিতা বড়ুয়া। এ বছর দাম্মামের আয়োজনে গাইতে না পারলেও ৭ মে জেদ্দায় গাইবেন পড়শী। গত বছর রিয়াদ সিজনেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি। পরদিন ৮ মে জেদ্দায় গান শোনাবেন সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল। জেদ্দার আগে দাম্মামে পাসপোর্ট টু দ্য ওয়ার্ল্ড অনুষ্ঠানে গান শুনিয়েছেন ইমরান।
২ মে দাম্মামে জেমসের গান শুনতে হাজির হয়েছিলেন লাখো প্রবাসী দর্শক। দেশটির বিভিন্ন শহরে থাকা বাংলাদেশিরা ভিড় করছিলেন কনসার্ট উপভোগ করতে। বিকেলের মধ্যেই কনসার্টস্থলে জমায়েত হন লাখো মানুষ। সময় বাড়ার সঙ্গে বাড়তে থাকে দর্শক। সন্ধ্যার পর স্টেজের স্ক্রিনে জেমসের নাম ভেসে উঠতেই আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে ওঠেন দর্শকেরা। সবার চোখ স্টেজের দিকে, প্রত্যেকের হাতে মোবাইল ফোনের ক্যামেরা তাক করা। এমন সময় হাতে গিটার নিয়ে মঞ্চে ওঠেন জেমস। পরনে কালো টি-শার্ট, ব্লু জিনস, মাথায় গামছা। একে একে গেয়ে শোনান ‘মা’, ‘আসবার কালে আসলাম একা’, ‘দুষ্টু ছেলের দল’, ‘ও বিজলি’, ‘বেদের মেয়ে জোসনা’, ‘সুন্দরীতমা আমার’, ‘পাগলা হাওয়া’, ‘ভিগি ভিগি’ গানগুলো। তাঁর গাওয়া প্রতিটি গানে উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়ে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে। অনুষ্ঠানে জেমসের পারফরম্যান্সের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
ভিশন-২০৩০ পরিকল্পনায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভাষা ও সংস্কৃতিকে একত্র করার চেষ্টা করছে সৌদি আরব। এর আওতায় ২০১৯ সাল থেকে রিয়াদ সিজনের আয়োজন করছে দেশটির মিনিস্ট্রি অব মিডিয়া। বিনোদন, সংস্কৃতি, খেলাসহ নানা আয়োজনে অংশ নিতে প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিনোদনপ্রেমীরা জড়ো হন রিয়াদে। এই ধারাবাহিকতায় চলতি বছর থেকে পাসপোর্ট টু দ্য ওয়ার্ল্ড শিরোনামে নতুন এ আয়োজন শুরু করছে সৌদি সরকার।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
রয়টার্সের বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৩ জুন থেকে ৬ জুলাইয়ের মধ্যে ট্রাম্প তার প্রকাশ্য বক্তব্যে ৮১ বার ‘কমিউনিজম’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
দলটির সমালোচকদের অভিযোগ, এএফডি বর্ণবাদী নীতি ও মনোভাবকে উৎসাহিত করে, যা জার্মানির গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং দেশের সাংবিধানিক ব্যবস্থার জন্য হুমকি হতে পারে।
সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, শহরের কেন্দ্রস্থল শেভচেঙ্কো বুলেভার্ডের একটি ভবনের ওপরের অংশে নিয়ন্ত্রণহীন আগুন জ্বলছে। অন্যদিকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভবনের জানালা উড়ে গেছে এবং বহু গাড়ি ধ্বংস হয়েছে।