
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০ জানুয়ারি দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই দেশটি থেকে অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে শুরুতেই এই প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছে। অভিবাসী বহনকারী যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক বিমানকে নামার অনুমতি দেয়নি মেক্সিকো। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এনবিসি।
যুক্তরাষ্ট্রের ২ জন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা এবং আরও একটি সংশ্লিষ্ট সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, মেক্সিকো গত বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক বিমানকে অবতরণের অনুমতি দেয়নি। সূত্র জানিয়েছে, গুয়াতেমালাগামী যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর ২টি সি-১৭ বিমান প্রায় ৮০ জন করে যাত্রী নিয়ে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড্ডয়ন করে। তবে মেক্সিকোর উদ্দেশে যাত্রার জন্য নির্ধারিত তৃতীয় বিমানটি উড্ডয়নই করেনি।
মেক্সিকো কেন ওই ফ্লাইট অবতরণে বাধা দিয়েছে তা স্পষ্ট নয়। তবে নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয়ের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, সীমান্ত পেরিয়ে অভিবাসীদের প্রবেশ বন্ধ করতে মেক্সিকোর ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন। তবে, এই শুল্ক এখনো কার্যকর করা হয়নি।
হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘এই ফ্লাইটের বিষয়টি একটি প্রশাসনিক জটিলতার কারণে হয়েছিল এবং তা দ্রুত সমাধান করা হয়েছে।’
এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর, হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট টুইট করে বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার মেক্সিকো এক দিনে রেকর্ড চারটি অভিবাসী বহনকারী ফ্লাইট নামতে দিয়েছে।’ তবে, এগুলো সামরিক, বাণিজ্যিক নাকি ব্যক্তিগত ফ্লাইট ছিল তা পরিষ্কার করেননি তিনি। মেক্সিকোর দূতাবাস এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য জানায়নি।
মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেইনবাউমের সরকার আগেই জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের একতরফা অভিবাসননীতি যেমন—‘রিমেইন ইন মেক্সিকো’ তারা সমর্থন করে না। এই নীতির কারণে, অন্য দেশ থেকে আসা অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়ের প্রক্রিয়া শেষ হওয়া পর্যন্ত মেক্সিকোতেই থাকতে হয়।
এদিকে, শুক্রবার গুয়াতেমালা যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৩টি ফ্লাইটে ফেরত পাঠানো ২৬৫ জন নাগরিককে গ্রহণ করেছে। গুয়াতেমালার মাইগ্রেশন ইনস্টিটিউটের এক মুখপাত্র জানান, শুক্রবারের ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ২টি সামরিক, অপরটি বেসামরিক বিমান দিয়ে পরিচালিত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০ জানুয়ারি দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই দেশটি থেকে অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে শুরুতেই এই প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছে। অভিবাসী বহনকারী যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক বিমানকে নামার অনুমতি দেয়নি মেক্সিকো। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এনবিসি।
যুক্তরাষ্ট্রের ২ জন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা এবং আরও একটি সংশ্লিষ্ট সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, মেক্সিকো গত বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক বিমানকে অবতরণের অনুমতি দেয়নি। সূত্র জানিয়েছে, গুয়াতেমালাগামী যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর ২টি সি-১৭ বিমান প্রায় ৮০ জন করে যাত্রী নিয়ে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড্ডয়ন করে। তবে মেক্সিকোর উদ্দেশে যাত্রার জন্য নির্ধারিত তৃতীয় বিমানটি উড্ডয়নই করেনি।
মেক্সিকো কেন ওই ফ্লাইট অবতরণে বাধা দিয়েছে তা স্পষ্ট নয়। তবে নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয়ের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, সীমান্ত পেরিয়ে অভিবাসীদের প্রবেশ বন্ধ করতে মেক্সিকোর ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন। তবে, এই শুল্ক এখনো কার্যকর করা হয়নি।
হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘এই ফ্লাইটের বিষয়টি একটি প্রশাসনিক জটিলতার কারণে হয়েছিল এবং তা দ্রুত সমাধান করা হয়েছে।’
এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর, হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট টুইট করে বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার মেক্সিকো এক দিনে রেকর্ড চারটি অভিবাসী বহনকারী ফ্লাইট নামতে দিয়েছে।’ তবে, এগুলো সামরিক, বাণিজ্যিক নাকি ব্যক্তিগত ফ্লাইট ছিল তা পরিষ্কার করেননি তিনি। মেক্সিকোর দূতাবাস এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য জানায়নি।
মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেইনবাউমের সরকার আগেই জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের একতরফা অভিবাসননীতি যেমন—‘রিমেইন ইন মেক্সিকো’ তারা সমর্থন করে না। এই নীতির কারণে, অন্য দেশ থেকে আসা অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়ের প্রক্রিয়া শেষ হওয়া পর্যন্ত মেক্সিকোতেই থাকতে হয়।
এদিকে, শুক্রবার গুয়াতেমালা যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৩টি ফ্লাইটে ফেরত পাঠানো ২৬৫ জন নাগরিককে গ্রহণ করেছে। গুয়াতেমালার মাইগ্রেশন ইনস্টিটিউটের এক মুখপাত্র জানান, শুক্রবারের ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ২টি সামরিক, অপরটি বেসামরিক বিমান দিয়ে পরিচালিত হয়েছে।
তেহরানে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি বলেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান যুদ্ধ চায় না। তবে যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।’ অনুষ্ঠানটি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হয়”
গালিবফ বলেন, “ইরানে হামলার ঘটনা ঘটলে, অধিকৃত ভূখণ্ড এবং এই অঞ্চলে অবস্থিত আমেরিকার সমস্ত সামরিক কেন্দ্র, ঘাঁটি ও জাহাজ আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে। আমরা কেবল হামলা হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া জানানোর মধ্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখব না, বরং হুমকির যেকোনো বস্তুনিষ্ঠ লক্ষণ দেখামাত্রই পদক্ষেপ নেব।”
বিবিসি বলছে, ভিক্টোরিয়া রাজ্যে তীব্র তাপপ্রবাহে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। এতে ডজনের বেশি দাবানল ছড়িয়ে পড়ে। এসব আগুনে ৩ লাখ হেক্টরের বেশি এলাকা পুড়ে যায়। রোববার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। তার আগের দিন কর্তৃপক্ষ ‘দুর্যোগ অবস্থা’ ঘোষণা করে।
এক প্রতিবেদনে টাইম ম্যাগাজিন জানিয়েছে, নাম গোপন রাখার শর্তে তেহরানের এক চিকিৎসক তাদের জানিয়েছেন, শুধুমাত্র তেহরানের ৬টি হাসপাতালে ২০৬ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে। যাদের বেশির ভাগ গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে।

গালিবফ বলেন, “ইরানে হামলার ঘটনা ঘটলে, অধিকৃত ভূখণ্ড এবং এই অঞ্চলে অবস্থিত আমেরিকার সমস্ত সামরিক কেন্দ্র, ঘাঁটি ও জাহাজ আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে। আমরা কেবল হামলা হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া জানানোর মধ্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখব না, বরং হুমকির যেকোনো বস্তুনিষ্ঠ লক্ষণ দেখামাত্রই পদক্ষেপ নেব।”
২ দিন আগে
বিবিসি বলছে, ভিক্টোরিয়া রাজ্যে তীব্র তাপপ্রবাহে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। এতে ডজনের বেশি দাবানল ছড়িয়ে পড়ে। এসব আগুনে ৩ লাখ হেক্টরের বেশি এলাকা পুড়ে যায়। রোববার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। তার আগের দিন কর্তৃপক্ষ ‘দুর্যোগ অবস্থা’ ঘোষণা করে।
২ দিন আগে