
বিডিজেন ডেস্ক

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েল।
বুধবার (১৬ অক্টোবর) দক্ষিণ গাজায় এক অভিযান চালিয়ে তাঁকে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জেরুজালেম এ খবর দিয়েছে।
কয়েক মাস আগেই হামাসের সাবেক প্রধান ইসমাইল হানিয়াকে হত্যা করা হয়। সিনওয়ারকে হত্যার মধ্য দিয়ে নতুন করে বড় ধাক্কা খেল সংগঠনটি।
রয়টার্স জানায়, বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত–এর যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর ৮২৮তম ব্রিগেডের অভিযানে দক্ষিণ গাজায় তিনজন নিহত হন সিনওয়ার। ওই তিনজনের মরদেহের পরিচয় শনাক্তের পর ইয়াহিয়া সিনওয়ারের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কিছু জানায়নি হামাস।
অবশ্য সিনওয়ারের মৃত্যুর বিষয়টি এর কিছুক্ষণ আগেই নিশ্চিত করেছিলেন ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাৎস। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে চালানো হত্যাকাণ্ড ও নিষ্ঠুরতার জন্য ইয়াহিয়া সিনওয়ার দায়ী। তাঁকে হত্যা করাটা ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর জন্য বড় একটি সামরিক ও নৈতিক সফলতা।
ইরানের রাজধানী তেহরানে গত জুলাইয়ে ইসরায়েলের হামলায় নিহত হন হামাসের রাজনৈতিক শাখার তৎকালীন প্রধান ইসমাইল হানিয়া। এরপর সিনওয়ারকে হামাসের প্রধান করা হয়। তিনি দীর্ঘদিন ইসরায়েলের কারাগারে ছিলেন। ২০১১ সালে তিনি বন্দী বিনিময়ের আওতায় মুক্তি পান।
কাতারের দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের অধ্যাপক মোহাম্মদ এলমাসরি আল-জাজিরাকে বলেন, সিনওয়ারকে হত্যার খবর যদি শেষ পর্যন্ত সত্য বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে হামাসকে একটি পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। কারণ, ইতিমধ্যে হামাসের নেতৃত্বকাঠামো ভেঙে পড়েছে।
‘ক্ষুধাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার’
এদিকে প্রায় দুই সপ্তাহ গাজায় ত্রাণ প্রবেশ করতে দিচ্ছে না ইসরায়েল। ‘ক্ষুধাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের’ এই ইসরায়েলি নীতি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ইসরায়েল ‘ক্ষুধাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের নীতি’ হিসেবে প্রয়োগ করছে কি না, তার ওপর নজর রাখছে ওয়াশিংটন।
জাতিসংঘ জানায়, অক্টোবরের শুরু থেকে ১৩ দিন গাজায় কোনো ত্রাণ ঢুকতে দেয়নি ইসরায়েল। পরে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর চাপের মুখে গত বুধবার ৫০ ট্রাক ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি দেয় ইসরায়েল সরকার। যদিও অবরুদ্ধ এই উপত্যকায় দিনে ৩৫০ ট্রাক ত্রাণ প্রয়োজন।
গাজায় প্রকৃত অর্থেই দুর্ভিক্ষ দেখা দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে সতর্ক করেছে ফিলিস্তিনিদের জন্য ত্রাণ ও কর্মসংস্থানবিষয়ক জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ। বার্লিনে বুধবার এক সংস্থাটির প্রধান ফিলিপ্পে লাজ্জারিনি বলেন, ‘এখানে বাস্তব ঝুঁকি রয়েছে। আমরা এমন পরিস্থিতিতে ঢুকে পড়েছি, দুর্ভাগ্যজনকভাবে যেখানে আবারও দুর্ভিক্ষ ও মারাত্মক অপুষ্টি দেখা দেওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।’
ট্যাংক ধ্বংসের দাবি হিজবুল্লাহর
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবানন সীমান্তে ইসরায়েলি বাহিনী ও হিজবুল্লাহর মধ্যে তুমুল লড়াইয়ের খবর পাওয়া গেছে। ইসরায়েল নতুন করে লেবাননের টায়রে ও বেকা অঞ্চলের বাসিন্দাদের বাড়িঘর ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি গতকালও দক্ষিণ লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে তারা।
এদিকে বৃহস্পতিবার ও আগের দিন বুধবার ইসরায়েলের দুটি মারাকাভা ট্যাংক ধ্বংসের দাবি করেছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। সীমান্ত এলাকায় মুখোমুখি লড়াইয়ের সময় ‘গাইডেড মিসাইল’ দিয়ে ট্যাংক দুটি ধ্বংস করা হয় বলে হিজবুল্লাহ জানিয়েছে।

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েল।
বুধবার (১৬ অক্টোবর) দক্ষিণ গাজায় এক অভিযান চালিয়ে তাঁকে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জেরুজালেম এ খবর দিয়েছে।
কয়েক মাস আগেই হামাসের সাবেক প্রধান ইসমাইল হানিয়াকে হত্যা করা হয়। সিনওয়ারকে হত্যার মধ্য দিয়ে নতুন করে বড় ধাক্কা খেল সংগঠনটি।
রয়টার্স জানায়, বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত–এর যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর ৮২৮তম ব্রিগেডের অভিযানে দক্ষিণ গাজায় তিনজন নিহত হন সিনওয়ার। ওই তিনজনের মরদেহের পরিচয় শনাক্তের পর ইয়াহিয়া সিনওয়ারের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কিছু জানায়নি হামাস।
অবশ্য সিনওয়ারের মৃত্যুর বিষয়টি এর কিছুক্ষণ আগেই নিশ্চিত করেছিলেন ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাৎস। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে চালানো হত্যাকাণ্ড ও নিষ্ঠুরতার জন্য ইয়াহিয়া সিনওয়ার দায়ী। তাঁকে হত্যা করাটা ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর জন্য বড় একটি সামরিক ও নৈতিক সফলতা।
ইরানের রাজধানী তেহরানে গত জুলাইয়ে ইসরায়েলের হামলায় নিহত হন হামাসের রাজনৈতিক শাখার তৎকালীন প্রধান ইসমাইল হানিয়া। এরপর সিনওয়ারকে হামাসের প্রধান করা হয়। তিনি দীর্ঘদিন ইসরায়েলের কারাগারে ছিলেন। ২০১১ সালে তিনি বন্দী বিনিময়ের আওতায় মুক্তি পান।
কাতারের দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের অধ্যাপক মোহাম্মদ এলমাসরি আল-জাজিরাকে বলেন, সিনওয়ারকে হত্যার খবর যদি শেষ পর্যন্ত সত্য বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে হামাসকে একটি পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। কারণ, ইতিমধ্যে হামাসের নেতৃত্বকাঠামো ভেঙে পড়েছে।
‘ক্ষুধাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার’
এদিকে প্রায় দুই সপ্তাহ গাজায় ত্রাণ প্রবেশ করতে দিচ্ছে না ইসরায়েল। ‘ক্ষুধাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের’ এই ইসরায়েলি নীতি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ইসরায়েল ‘ক্ষুধাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের নীতি’ হিসেবে প্রয়োগ করছে কি না, তার ওপর নজর রাখছে ওয়াশিংটন।
জাতিসংঘ জানায়, অক্টোবরের শুরু থেকে ১৩ দিন গাজায় কোনো ত্রাণ ঢুকতে দেয়নি ইসরায়েল। পরে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর চাপের মুখে গত বুধবার ৫০ ট্রাক ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি দেয় ইসরায়েল সরকার। যদিও অবরুদ্ধ এই উপত্যকায় দিনে ৩৫০ ট্রাক ত্রাণ প্রয়োজন।
গাজায় প্রকৃত অর্থেই দুর্ভিক্ষ দেখা দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে সতর্ক করেছে ফিলিস্তিনিদের জন্য ত্রাণ ও কর্মসংস্থানবিষয়ক জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ। বার্লিনে বুধবার এক সংস্থাটির প্রধান ফিলিপ্পে লাজ্জারিনি বলেন, ‘এখানে বাস্তব ঝুঁকি রয়েছে। আমরা এমন পরিস্থিতিতে ঢুকে পড়েছি, দুর্ভাগ্যজনকভাবে যেখানে আবারও দুর্ভিক্ষ ও মারাত্মক অপুষ্টি দেখা দেওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।’
ট্যাংক ধ্বংসের দাবি হিজবুল্লাহর
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবানন সীমান্তে ইসরায়েলি বাহিনী ও হিজবুল্লাহর মধ্যে তুমুল লড়াইয়ের খবর পাওয়া গেছে। ইসরায়েল নতুন করে লেবাননের টায়রে ও বেকা অঞ্চলের বাসিন্দাদের বাড়িঘর ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি গতকালও দক্ষিণ লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে তারা।
এদিকে বৃহস্পতিবার ও আগের দিন বুধবার ইসরায়েলের দুটি মারাকাভা ট্যাংক ধ্বংসের দাবি করেছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। সীমান্ত এলাকায় মুখোমুখি লড়াইয়ের সময় ‘গাইডেড মিসাইল’ দিয়ে ট্যাংক দুটি ধ্বংস করা হয় বলে হিজবুল্লাহ জানিয়েছে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।
নতুন কর্মসূচিতে বলা হয়েছে, নথিহীন অভিবাসীদের মধ্যে যারা সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে পারবেন, তারা এক বছরের জন্য স্পেনে বসবাস আর কাজের অনুমতির জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন।