বিডিজেন ডেস্ক
ইসরায়েলের হাইফার দক্ষিণে বেনইয়ামিনা এলাকায় দেশটির সামরিক বাহিনীর গোলানি ব্রিগেড ক্যাম্পে ড্রোন হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ। হামলায় নিহত হয়েছেন তিনজন। লেবাননের ইরান–সমর্থিত হিজবুল্লাহ গোষ্ঠী এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলার প্রতিক্রিয়ায় হাইফার বেনইয়ামিনায় ইসরায়েলি সামরিক ক্যাম্পে হামলা চালানো হয়েছে।
ওই এলাকাটি ইসরায়েল–লেবানন সীমান্ত থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে।
ইসরায়েলের সামরিক রেডিওতে হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলায় তিনজন নিহত হওয়ার খবর প্রচার করা হয়েছে। দেশটির অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস বলছে, আহতের সংখ্যা ৩৯। যদিও পরবর্তীতে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলায় আহত হয়েছেন অন্তত ৬৭ জন।
এদিকে ইসরায়েল হিজবুল্লাহর সেনাদের অবস্থান লক্ষ্য করে গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করেছে। এতে লেবাননে এখন পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৪৩৭ জন মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ধারাবাহিক এই হামলায় আহত হয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ। এ অবস্থায় শনিবার (১২ অক্টোবর) হিজবুল্লাহ গোষ্ঠী ঘোষণা করেছে, তারা আত্মঘাতী ড্রোনের ঝাঁক নিয়ে তেল আবিবের উপকণ্ঠগুলোতে হামলা চালিয়েছে।
রোববার (১৩ অক্টোবর) এই বিষয়ে তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—হামলাটি শনিবার নাকি শুক্রবার হয়েছে, তা স্পষ্ট করেনি হিজবুল্লাহ। তবে শুক্রবার সন্ধ্যায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, বৃহত্তর তেল আবিবের হার্জলিয়া এলাকার একটি ভবন লেবানন থেকে উৎক্ষেপণ করা দুটি ড্রোনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গত বছরের ৮ অক্টোবর হামাসের পাশাপাশি হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম লেবানন থেকে তেল আবিবে ড্রোন আক্রমণের খবর প্রকাশ করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।
আনাদুলু জানিয়েছে, হার্জলিয়া থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটারের তেল আবিবের প্রধান বিমানবন্দর, একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অবস্থিত।
এর আগে লেবাননভিত্তিক হিজবুল্লাহ গোষ্ঠী বলেছিল, তারা হাইফার উত্তরে ইসরায়েলের জেভুলুন সামরিক শিল্প ঘাঁটি এবং উত্তরাঞ্চলীয় মিসগাভ আমের বসতিতে ইসরায়েলি সৈন্যদের একটি জমায়েতে রকেট ছুড়েছে।
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বিপুল হতাহতের পাশাপাশি প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। একই সঙ্গে ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নিহতের সংখ্যা প্রায় ৪২ হাজারে পৌঁছেছে। গাজায় নিহতদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু।
গাজা ও লেবাননে ইসরায়েলের বিরামহীন হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে একটি যুদ্ধ পরিস্থিতির সূত্রপাত হয়েছে। ১ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনের আদলে দক্ষিণ লেবাননেও আগ্রাসন শুরু করে সংঘাতের এই সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েল।
ইসরায়েলের হাইফার দক্ষিণে বেনইয়ামিনা এলাকায় দেশটির সামরিক বাহিনীর গোলানি ব্রিগেড ক্যাম্পে ড্রোন হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ। হামলায় নিহত হয়েছেন তিনজন। লেবাননের ইরান–সমর্থিত হিজবুল্লাহ গোষ্ঠী এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলার প্রতিক্রিয়ায় হাইফার বেনইয়ামিনায় ইসরায়েলি সামরিক ক্যাম্পে হামলা চালানো হয়েছে।
ওই এলাকাটি ইসরায়েল–লেবানন সীমান্ত থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে।
ইসরায়েলের সামরিক রেডিওতে হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলায় তিনজন নিহত হওয়ার খবর প্রচার করা হয়েছে। দেশটির অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস বলছে, আহতের সংখ্যা ৩৯। যদিও পরবর্তীতে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলায় আহত হয়েছেন অন্তত ৬৭ জন।
এদিকে ইসরায়েল হিজবুল্লাহর সেনাদের অবস্থান লক্ষ্য করে গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করেছে। এতে লেবাননে এখন পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৪৩৭ জন মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ধারাবাহিক এই হামলায় আহত হয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ। এ অবস্থায় শনিবার (১২ অক্টোবর) হিজবুল্লাহ গোষ্ঠী ঘোষণা করেছে, তারা আত্মঘাতী ড্রোনের ঝাঁক নিয়ে তেল আবিবের উপকণ্ঠগুলোতে হামলা চালিয়েছে।
রোববার (১৩ অক্টোবর) এই বিষয়ে তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—হামলাটি শনিবার নাকি শুক্রবার হয়েছে, তা স্পষ্ট করেনি হিজবুল্লাহ। তবে শুক্রবার সন্ধ্যায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, বৃহত্তর তেল আবিবের হার্জলিয়া এলাকার একটি ভবন লেবানন থেকে উৎক্ষেপণ করা দুটি ড্রোনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গত বছরের ৮ অক্টোবর হামাসের পাশাপাশি হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম লেবানন থেকে তেল আবিবে ড্রোন আক্রমণের খবর প্রকাশ করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।
আনাদুলু জানিয়েছে, হার্জলিয়া থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটারের তেল আবিবের প্রধান বিমানবন্দর, একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অবস্থিত।
এর আগে লেবাননভিত্তিক হিজবুল্লাহ গোষ্ঠী বলেছিল, তারা হাইফার উত্তরে ইসরায়েলের জেভুলুন সামরিক শিল্প ঘাঁটি এবং উত্তরাঞ্চলীয় মিসগাভ আমের বসতিতে ইসরায়েলি সৈন্যদের একটি জমায়েতে রকেট ছুড়েছে।
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বিপুল হতাহতের পাশাপাশি প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। একই সঙ্গে ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নিহতের সংখ্যা প্রায় ৪২ হাজারে পৌঁছেছে। গাজায় নিহতদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু।
গাজা ও লেবাননে ইসরায়েলের বিরামহীন হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে একটি যুদ্ধ পরিস্থিতির সূত্রপাত হয়েছে। ১ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনের আদলে দক্ষিণ লেবাননেও আগ্রাসন শুরু করে সংঘাতের এই সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েল।
এই উদ্যোগের পর বিদেশি শিক্ষার্থী, বিনিময় কর্মী ও বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য প্রয়োজন হলেও দেশটিতে বাড়তি সময় অবস্থান করা কঠিন হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিস শহরে একটি ক্যাথলিক স্কুলে জানালা দিয়ে বন্দুক হামলা চালিয়েছে এক ব্যক্তি। এতে ৮ ও ১০ বছর বয়সী ২ শিশু নিহত এবং আরও ১৭ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মালয়েশিয়ায় বিদেশি শ্রমশক্তির ৩৭ শতাংশ বাংলাদেশি। এ বছরের (২০২৫) জুনের শেষ পর্যন্ত ৮ লাখের বেশি বাংলাদেশি কর্মসংস্থানের অনুমতি (ওয়ার্ক পারমিট) নিয়ে সেখানে কর্মরত ছিলেন।
মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত ১০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে কাজের সুযোগ দিতে ‘গ্র্যাজুয়েট পাস’ দেওয়া হবে বলে যে খবর ছড়িয়ে পড়েছে, তা সত্য নয় ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন দেশটির উচ্চশিক্ষাবিষয়কমন্ত্রী জাম্ব্রি আবদ কাদির।