
বিডিজেন ডেস্ক

ঘড়ির সেকেন্ডের কাঁটা ১২টা ছোঁয়ার সঙ্গে সঙ্গে নানা রঙের আলোকচ্ছটায় উজ্জ্বল হলো রাতের আকাশ। নিচে পানিতে তাঁর চোখজুড়ানো প্রতিচ্ছবি। চারপাশে মানুষের উল্লাস। এ চিত্র অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরের অপেরা হাউস এলাকার। নতুন বছর ২০২৫–কে এভাবেই বরণ করে নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার বাসিন্দারা।
খবর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির।
২০২৫ সালের সূচনার সঙ্গে বিদায় নিয়েছে ২০২৪। নানা ঘটন–অঘটনে বেশ আলোচিত ছিল বছরটি। এ বছর দেশে দেশে যেমন নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারের পালাবদল হয়েছে, দুর্যোগ–বিপর্যয়ও কম হয়নি। বিশ্বজুড়ে নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধবিগ্রহ। তবে পুরোনোকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে চান বিশ্ববাসী। তাই নানা আয়োজনে নতুন বছরকে বরণ করে নিচ্ছেন তারা।
এবার বিশ্বের বড় শহরগুলোর মধ্যে টাইম জোনের হিসাবে বর্ষবরণ শুরু হয়েছে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড থেকে। শহরটির স্কাই টাওয়ারে আতশবাজি জ্বালিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় ২০২৫ সালকে। টাওয়ারের চূড়ায় তখন ভিন্ন রঙের খেলা। সেখান থেকে ছোড়া হচ্ছিল আতশবাজি। সেই আলোয় যে আলোকিত হচ্ছিল পুরো শহর।

এ বছর দক্ষিণ কোরিয়ায় বর্ষবরণের আয়োজন ছিল ভিন্ন। কোনো উদ্যাপন নয়, বরং শোকের মধ্য দিয়ে নতুন বছর শুরু করেছে তারা। কারণ, দিনকয়েক আগে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় ১৭৯ জনের মৃত্যু হয়। দেশটিতে ৭ দিনের শোক পালন করা হচ্ছে। রাজধানী সিউলের পৌর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের বার্ষিক ঘণ্টা বাজানোর অনুষ্ঠান এবার নীরবতার মধ্য দিয়ে পালিত হবে।
বাকি বিশ্বের চেয়ে জাপানে খ্রিষ্টীয় বর্ষবরণেও ভিন্নতা রয়েছে। এমনিতেই পয়লা জানুয়ারি জাপানে জাতীয় ছুটির দিন। দিনটি উপলক্ষে দেশটির ঘরবাড়ি ও মন্দিরগুলো পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন করা হয়। এর আগের দিন মধ্যরাতে রাজধানী টোকিওর তোকুদাই–জি মন্দিরে জড়ো হন মানুষ। মধ্যরাতে নতুন বছরের ঘণ্টা বাজানোর আগে সেখানে প্রার্থনা সারেন তারা।
নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়া হয়েছে চীন, হংকং, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনেও। বর্ষবরণের আগে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বলেছেন, দেশটির অর্থনীতির গতিপথ এখন ঊর্ধ্বগামী। এ সময়ে তাইওয়ান ঘিরে চলমান উত্তেজনা নিয়েও কথা বলেন তিনি।

ঘড়ির সেকেন্ডের কাঁটা ১২টা ছোঁয়ার সঙ্গে সঙ্গে নানা রঙের আলোকচ্ছটায় উজ্জ্বল হলো রাতের আকাশ। নিচে পানিতে তাঁর চোখজুড়ানো প্রতিচ্ছবি। চারপাশে মানুষের উল্লাস। এ চিত্র অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরের অপেরা হাউস এলাকার। নতুন বছর ২০২৫–কে এভাবেই বরণ করে নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার বাসিন্দারা।
খবর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির।
২০২৫ সালের সূচনার সঙ্গে বিদায় নিয়েছে ২০২৪। নানা ঘটন–অঘটনে বেশ আলোচিত ছিল বছরটি। এ বছর দেশে দেশে যেমন নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারের পালাবদল হয়েছে, দুর্যোগ–বিপর্যয়ও কম হয়নি। বিশ্বজুড়ে নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধবিগ্রহ। তবে পুরোনোকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে চান বিশ্ববাসী। তাই নানা আয়োজনে নতুন বছরকে বরণ করে নিচ্ছেন তারা।
এবার বিশ্বের বড় শহরগুলোর মধ্যে টাইম জোনের হিসাবে বর্ষবরণ শুরু হয়েছে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড থেকে। শহরটির স্কাই টাওয়ারে আতশবাজি জ্বালিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় ২০২৫ সালকে। টাওয়ারের চূড়ায় তখন ভিন্ন রঙের খেলা। সেখান থেকে ছোড়া হচ্ছিল আতশবাজি। সেই আলোয় যে আলোকিত হচ্ছিল পুরো শহর।

এ বছর দক্ষিণ কোরিয়ায় বর্ষবরণের আয়োজন ছিল ভিন্ন। কোনো উদ্যাপন নয়, বরং শোকের মধ্য দিয়ে নতুন বছর শুরু করেছে তারা। কারণ, দিনকয়েক আগে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় ১৭৯ জনের মৃত্যু হয়। দেশটিতে ৭ দিনের শোক পালন করা হচ্ছে। রাজধানী সিউলের পৌর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের বার্ষিক ঘণ্টা বাজানোর অনুষ্ঠান এবার নীরবতার মধ্য দিয়ে পালিত হবে।
বাকি বিশ্বের চেয়ে জাপানে খ্রিষ্টীয় বর্ষবরণেও ভিন্নতা রয়েছে। এমনিতেই পয়লা জানুয়ারি জাপানে জাতীয় ছুটির দিন। দিনটি উপলক্ষে দেশটির ঘরবাড়ি ও মন্দিরগুলো পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন করা হয়। এর আগের দিন মধ্যরাতে রাজধানী টোকিওর তোকুদাই–জি মন্দিরে জড়ো হন মানুষ। মধ্যরাতে নতুন বছরের ঘণ্টা বাজানোর আগে সেখানে প্রার্থনা সারেন তারা।
নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়া হয়েছে চীন, হংকং, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনেও। বর্ষবরণের আগে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বলেছেন, দেশটির অর্থনীতির গতিপথ এখন ঊর্ধ্বগামী। এ সময়ে তাইওয়ান ঘিরে চলমান উত্তেজনা নিয়েও কথা বলেন তিনি।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।