
বিডিজেন ডেস্ক

আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে এক শিশুর জন্মদিনের পার্টিতে বন্দুক হামলায় কমপক্ষে ৪ জন নিহত এবং আরও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
ক্যালিফোর্নিয়ার স্থানীয় সময় শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্টকটনে লুসাইল অ্যাভিনিউয়ের ১৯০০ ব্লকে থরন্টন রোডের কাছে একটি ব্যাংকোয়েট হলে এ ঘটনা ঘটে।
সান জোয়াকিন কাউন্টির শেরিফের কার্যালয় জানায়, “এ ঘটনায় তদন্ত চলছে, তবে এখন পর্যন্ত খুবই সামান্য তথ্য সংগ্রহ করা গেছে। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটি উদ্দেশ্যমূলক হামলা। তদন্ত দল সব ধরনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন। কীভাবে এই মর্মান্তিক ঘটনার সূত্রপাত হলো, গোয়েন্দারা তার অনুসন্ধানে কাজ করছেন।”
নিউইয়র্ক পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, ঘটনায় হতাহতদের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি, তবে তাদের মধ্যে কিশোর থেকে প্রাপ্তবয়স্ক—বিভিন্ন বয়সী মানুষ রয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় কোনো সন্দেহভাজনের নাম-পরিচয়ও প্রকাশ করা হয়নি।
স্টকটনের ভাইস মেয়র জেসন লি এ ঘটনাকে সান ফ্রানসিসকোর পূর্বে ৯০ মাইল দূরের এই সম্প্রদায়ের জন্য ‘একটি ট্র্যাজেডি’ বলে উল্লেখ করেন।
ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, “আজ রাতে আমার হৃদয় এমনভাবে ভারী হয়ে আছে, যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। একটি শিশুর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে বন্দুক হামলার খবর স্টকটনের ভাইস মেয়র হিসেবে এবং এই সম্প্রদায়ে বেড়ে ওঠা একজন মানুষ হিসেবে আমাকে বিধ্বস্ত ও ক্ষুব্ধ করেছে।”
তিনি বলেন, “কৈশোরে সহিংসতার ছোঁয়া আমি নিজেও পেয়েছি। আর এখন আমাদের সন্তান, অভিভাবক ও প্রতিবেশীরা একই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, বিষয়টি আমাকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। স্টকটন আমার ঘর। এরা তো আমাদেরই পরিবার। এটাই আমাদের সম্প্রদায়।”
লি আরও লিখেছেন, “আজ রাতে আমি হতাহত পরিবার, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী শিশু এবং আমাদের শহরের প্রতিটি মানুষের প্রতি আন্তরিক সহমর্মিতা ও প্রার্থনা জানাচ্ছি। ঈশ্বর, দয়া করে আমাদের সম্প্রদায়কে শক্তি দিন। আমরা এর যোগ্য নই এবং এটিকে আমাদের নিয়তি হিসেবে কখনো মেনে নেব না।”

আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে এক শিশুর জন্মদিনের পার্টিতে বন্দুক হামলায় কমপক্ষে ৪ জন নিহত এবং আরও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
ক্যালিফোর্নিয়ার স্থানীয় সময় শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্টকটনে লুসাইল অ্যাভিনিউয়ের ১৯০০ ব্লকে থরন্টন রোডের কাছে একটি ব্যাংকোয়েট হলে এ ঘটনা ঘটে।
সান জোয়াকিন কাউন্টির শেরিফের কার্যালয় জানায়, “এ ঘটনায় তদন্ত চলছে, তবে এখন পর্যন্ত খুবই সামান্য তথ্য সংগ্রহ করা গেছে। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটি উদ্দেশ্যমূলক হামলা। তদন্ত দল সব ধরনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন। কীভাবে এই মর্মান্তিক ঘটনার সূত্রপাত হলো, গোয়েন্দারা তার অনুসন্ধানে কাজ করছেন।”
নিউইয়র্ক পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, ঘটনায় হতাহতদের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি, তবে তাদের মধ্যে কিশোর থেকে প্রাপ্তবয়স্ক—বিভিন্ন বয়সী মানুষ রয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় কোনো সন্দেহভাজনের নাম-পরিচয়ও প্রকাশ করা হয়নি।
স্টকটনের ভাইস মেয়র জেসন লি এ ঘটনাকে সান ফ্রানসিসকোর পূর্বে ৯০ মাইল দূরের এই সম্প্রদায়ের জন্য ‘একটি ট্র্যাজেডি’ বলে উল্লেখ করেন।
ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, “আজ রাতে আমার হৃদয় এমনভাবে ভারী হয়ে আছে, যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। একটি শিশুর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে বন্দুক হামলার খবর স্টকটনের ভাইস মেয়র হিসেবে এবং এই সম্প্রদায়ে বেড়ে ওঠা একজন মানুষ হিসেবে আমাকে বিধ্বস্ত ও ক্ষুব্ধ করেছে।”
তিনি বলেন, “কৈশোরে সহিংসতার ছোঁয়া আমি নিজেও পেয়েছি। আর এখন আমাদের সন্তান, অভিভাবক ও প্রতিবেশীরা একই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, বিষয়টি আমাকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। স্টকটন আমার ঘর। এরা তো আমাদেরই পরিবার। এটাই আমাদের সম্প্রদায়।”
লি আরও লিখেছেন, “আজ রাতে আমি হতাহত পরিবার, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী শিশু এবং আমাদের শহরের প্রতিটি মানুষের প্রতি আন্তরিক সহমর্মিতা ও প্রার্থনা জানাচ্ছি। ঈশ্বর, দয়া করে আমাদের সম্প্রদায়কে শক্তি দিন। আমরা এর যোগ্য নই এবং এটিকে আমাদের নিয়তি হিসেবে কখনো মেনে নেব না।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এ ঘটনায় ১০ জন ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এরপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজন মারা যায়। এ ঘটনায় আহত আরও অন্তত ১২ জন চিকিৎসাধীন। গুয়ানাহুয়াতো একটি সমৃদ্ধ শিল্পকেন্দ্র এবং এখানে বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য থাকলেও, সহিংসতার পরিমাণও সবচেয়ে বেশি।
তুলনামূলকভাবে শান্ত পানিতে উদ্ধার অভিযান চালানোয় তল্লাশি ও উদ্ধার কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে রয়টার্সকে জানান সাউদার্ন মিনদানো ডিস্ট্রিক্টের কোস্টগার্ড কমান্ডার রোমেল দুয়া। এখনো ২৮ জন নিখোঁজ রয়েছে। তিনি বলেন, এখনো ২৮ জন নিখোঁজ রয়েছে।
ঘটনার ভিডিওতে দেখা গেছে, আইসিইয়ের সদস্যরা প্রেটি ও অন্য বিক্ষোভকারীদের দিকে মরিচের গুড়া ছুড়ছেন। প্রেটিকে তা প্রতিহত করতে ও অন্য বিক্ষোভকারীদের সহায়তা করতে দেখা যায় ওই ভিডিওতে। এ সময় বেশ কয়েকজন আইসিই সদস্য প্রেটিকে মাটিতে ফেলে পেটাতে থাকেন। এ অবস্থাতেই প্রেটিকে বেশ কয়েকটি গুলি করতে দেখা যায়।
সৌদি আরবে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী অভিযান চালিয়ে গত এক সপ্তাহে ১৪ হাজার ৬০০ জনকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার ভিডিওতে দেখা গেছে, আইসিইয়ের সদস্যরা প্রেটি ও অন্য বিক্ষোভকারীদের দিকে মরিচের গুড়া ছুড়ছেন। প্রেটিকে তা প্রতিহত করতে ও অন্য বিক্ষোভকারীদের সহায়তা করতে দেখা যায় ওই ভিডিওতে। এ সময় বেশ কয়েকজন আইসিই সদস্য প্রেটিকে মাটিতে ফেলে পেটাতে থাকেন। এ অবস্থাতেই প্রেটিকে বেশ কয়েকটি গুলি করতে দেখা যায়।
১ দিন আগে