

বিডিজেন ডেস্ক

অনলাইনে ভুল তথ্যের প্রবাহ রোধ করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ইনফ্লুয়েন্সারদের জরুরি ভিত্তিতে তথ্য যাচাইবিষয়ক প্রশিক্ষণ দরকার। জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেসকো এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
খবর যুক্তরাজ্যের দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকার।
ইউনেসকোর প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দুই-তৃতীয়াংশ কনটেন্ট ক্রিয়েটর (আধেয় নির্মাতা) নিজেদের তথ্যের সঠিকতা যাচাই করেননি। এতে করে তারা নিজেদের ও তাদের অনুসারীদের ভুল তথ্যের ঝুঁকিতে ফেলছেন।
ইউনেসকোর প্রতিবেদনটি তৈরি করতে ৪৫টি দেশ ও অঞ্চলের ৫০০ কনটেন্ট নির্মাতার ওপর জরিপ করা হয়েছে। এসব দেশ ও অঞ্চলের অধিকাংশই ইউরোপ ও এশিয়ার। জরিপে অংশ নেওয়া অধিকাংশ ব্যক্তির বয়স ৩৫–এর কম। তাদের বেশির ভাগই ন্যানো-ইনফ্লুয়েন্সার। অর্থাৎ তাদের অনুসারীর সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০ হাজার। ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকই তাদের প্রধান প্ল্যাটফর্ম। তবে জরিপে অংশগ্রহণকারী এক-চতুর্থাংশের অনুসারীর সংখ্যা ছিল সর্বোচ্চ এক লাখ।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, তথ্য যাচাইয়ে গুরুত্ব কম দেওয়ায় তাদের (ইনফ্লুয়েন্সার) ভুল তথ্যের ঝুঁকি বেশি। এই প্রবণতা জনবিতর্ক তৈরি এবং গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের বিশ্বাসের ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে।
জরিপে অংশ নেওয়া কনটেন্ট নির্মাতাদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৬ জন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করার আগে তারা তাদের কনটেন্টের সঠিকতা যাচাই করেননি। গবেষণায় এটাও দেখা গেছে যে কনটেন্ট নির্মাতারা সরকারি নথিপত্র ও ওয়েবসাইটের মতো কর্তৃপক্ষীয় সূত্রগুলো সাধারণত ব্যবহার করেন না।
ইনফ্লুয়েন্সারদের কাছে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সাধারণ সূত্র হলো ‘ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা’। সূত্র হিসেবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে, কনটেন্ট নির্মাতাদের নিজস্ব গবেষণা বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জ্ঞান রাখেন এমন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলা। যৌথভাবে তৃতীয় স্থানে রয়েছে, মূলধারা বা মূলধারার বাইরের গণমাধ্যম।
প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৪ জন কনটেন্ট নির্মাতা ‘জনপ্রিয়তাকে’ কোনো অনলাইন সূত্রের গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি বলে উল্লেখ করেছেন। এ ক্ষেত্রে সূত্রটি বিশ্বাসযোগ্য কি না, তা তাদের কাছে এতটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। কোনো অনলাইন সূত্রের জনপ্রিয়তা বিচার করা হয় ‘লাইক’ ও ‘ভিউ’ দিয়ে।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর জার্নালিজম ইন দ্য আমেরিকাসের সঙ্গে ইউনেসকোর যৌথভাবে গণমাধ্যম সম্পর্কে সচেতনতাবিষয়ক অনলাইন কোর্স রয়েছে। এতে ‘অনলাইনে কীভাবে বিশ্বস্ত কণ্ঠস্বর হওয়া যাবে’, তা নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এ কোর্সে তথ্য যাচাই, নির্বাচন, নানা রকম সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে কীভাবে কনটেন্ট তৈরি করা হবে, সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। মাসব্যাপী এ কোর্সের জন্য এরই মধ্যে ৯ হাজার ইনফ্লুয়েন্সার নিবন্ধন করেছেন বলে জানিয়েছে ইউনেসকো।
ইউনেসকোর মিডিয়া স্বাক্ষরতা অর্থাৎ গণমাধ্যম সম্পর্কে জানাশোনাবিষয়ক বিশেষজ্ঞ অ্যাডলিন হুলিন বলেন, তাঁদের কাজ সাংবাদিকতা হিসেবে গণ্য হতে পারে, এটা জেনে কিছু ইনফ্লুয়েন্সার অবাক হয়েছেন।
ফরাসি সাংবাদিক ও জনপ্রিয় ‘নিউজ ইনফ্লুয়েন্সার’ সালোমে সাকু বলেন, অনেক কনটেন্ট নির্মাতা সাংবাদিকতা চর্চার সঙ্গে পরিচিত ছিলেন না। নিজেদের কাজের কী প্রভাব হতে পারে, সে সম্পর্ক তাদের ভালো বোঝাপড়া দরকার।
কনটেন্ট নির্মাতাদের এক-চতুর্থাংশের বেশি নিজ দেশে তাদের কাজসংক্রান্ত আইনবিধিগুলো সম্পর্কে সচেতন নন। জরিপে অংশগ্রহণকারী কনটেন্ট নির্মাতাদের কেবল অর্ধেক পৃষ্ঠপোষক, দাতা ও তহবিলের উৎস সম্পর্কে দর্শকদের স্পষ্ট তথ্য দেন। কোনো কনটেন্ট নির্মাণে কারও কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হলে তা দর্শককে খুলে বলা যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে বাধ্যতামূলক।

অনলাইনে ভুল তথ্যের প্রবাহ রোধ করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ইনফ্লুয়েন্সারদের জরুরি ভিত্তিতে তথ্য যাচাইবিষয়ক প্রশিক্ষণ দরকার। জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেসকো এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
খবর যুক্তরাজ্যের দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকার।
ইউনেসকোর প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দুই-তৃতীয়াংশ কনটেন্ট ক্রিয়েটর (আধেয় নির্মাতা) নিজেদের তথ্যের সঠিকতা যাচাই করেননি। এতে করে তারা নিজেদের ও তাদের অনুসারীদের ভুল তথ্যের ঝুঁকিতে ফেলছেন।
ইউনেসকোর প্রতিবেদনটি তৈরি করতে ৪৫টি দেশ ও অঞ্চলের ৫০০ কনটেন্ট নির্মাতার ওপর জরিপ করা হয়েছে। এসব দেশ ও অঞ্চলের অধিকাংশই ইউরোপ ও এশিয়ার। জরিপে অংশ নেওয়া অধিকাংশ ব্যক্তির বয়স ৩৫–এর কম। তাদের বেশির ভাগই ন্যানো-ইনফ্লুয়েন্সার। অর্থাৎ তাদের অনুসারীর সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০ হাজার। ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকই তাদের প্রধান প্ল্যাটফর্ম। তবে জরিপে অংশগ্রহণকারী এক-চতুর্থাংশের অনুসারীর সংখ্যা ছিল সর্বোচ্চ এক লাখ।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, তথ্য যাচাইয়ে গুরুত্ব কম দেওয়ায় তাদের (ইনফ্লুয়েন্সার) ভুল তথ্যের ঝুঁকি বেশি। এই প্রবণতা জনবিতর্ক তৈরি এবং গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের বিশ্বাসের ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে।
জরিপে অংশ নেওয়া কনটেন্ট নির্মাতাদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৬ জন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করার আগে তারা তাদের কনটেন্টের সঠিকতা যাচাই করেননি। গবেষণায় এটাও দেখা গেছে যে কনটেন্ট নির্মাতারা সরকারি নথিপত্র ও ওয়েবসাইটের মতো কর্তৃপক্ষীয় সূত্রগুলো সাধারণত ব্যবহার করেন না।
ইনফ্লুয়েন্সারদের কাছে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সাধারণ সূত্র হলো ‘ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা’। সূত্র হিসেবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে, কনটেন্ট নির্মাতাদের নিজস্ব গবেষণা বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জ্ঞান রাখেন এমন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলা। যৌথভাবে তৃতীয় স্থানে রয়েছে, মূলধারা বা মূলধারার বাইরের গণমাধ্যম।
প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৪ জন কনটেন্ট নির্মাতা ‘জনপ্রিয়তাকে’ কোনো অনলাইন সূত্রের গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি বলে উল্লেখ করেছেন। এ ক্ষেত্রে সূত্রটি বিশ্বাসযোগ্য কি না, তা তাদের কাছে এতটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। কোনো অনলাইন সূত্রের জনপ্রিয়তা বিচার করা হয় ‘লাইক’ ও ‘ভিউ’ দিয়ে।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর জার্নালিজম ইন দ্য আমেরিকাসের সঙ্গে ইউনেসকোর যৌথভাবে গণমাধ্যম সম্পর্কে সচেতনতাবিষয়ক অনলাইন কোর্স রয়েছে। এতে ‘অনলাইনে কীভাবে বিশ্বস্ত কণ্ঠস্বর হওয়া যাবে’, তা নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এ কোর্সে তথ্য যাচাই, নির্বাচন, নানা রকম সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে কীভাবে কনটেন্ট তৈরি করা হবে, সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। মাসব্যাপী এ কোর্সের জন্য এরই মধ্যে ৯ হাজার ইনফ্লুয়েন্সার নিবন্ধন করেছেন বলে জানিয়েছে ইউনেসকো।
ইউনেসকোর মিডিয়া স্বাক্ষরতা অর্থাৎ গণমাধ্যম সম্পর্কে জানাশোনাবিষয়ক বিশেষজ্ঞ অ্যাডলিন হুলিন বলেন, তাঁদের কাজ সাংবাদিকতা হিসেবে গণ্য হতে পারে, এটা জেনে কিছু ইনফ্লুয়েন্সার অবাক হয়েছেন।
ফরাসি সাংবাদিক ও জনপ্রিয় ‘নিউজ ইনফ্লুয়েন্সার’ সালোমে সাকু বলেন, অনেক কনটেন্ট নির্মাতা সাংবাদিকতা চর্চার সঙ্গে পরিচিত ছিলেন না। নিজেদের কাজের কী প্রভাব হতে পারে, সে সম্পর্ক তাদের ভালো বোঝাপড়া দরকার।
কনটেন্ট নির্মাতাদের এক-চতুর্থাংশের বেশি নিজ দেশে তাদের কাজসংক্রান্ত আইনবিধিগুলো সম্পর্কে সচেতন নন। জরিপে অংশগ্রহণকারী কনটেন্ট নির্মাতাদের কেবল অর্ধেক পৃষ্ঠপোষক, দাতা ও তহবিলের উৎস সম্পর্কে দর্শকদের স্পষ্ট তথ্য দেন। কোনো কনটেন্ট নির্মাণে কারও কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হলে তা দর্শককে খুলে বলা যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে বাধ্যতামূলক।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
৯ দিন আগে