
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশি নারীদের কর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরতার লক্ষ্যে সিডনি বাংলা উইমেনস নেটওয়ার্কের (এসবিডব্লিউএন) উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে জব ফেয়ার ও ক্যারিয়ার সামিট।
রোববার (১৯ অক্টোবর) নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যে সিডনিতে এই জব ফেয়ার ও ক্যারিয়ার সামিট আয়োজন করা হয়।
সিডনি বাংলা উইমেনস নেটওয়ার্কের পথ চলা শুরু বেশ কিছু প্রবাসী বাংলাদেশি নারীদের কমিউনিটির অন্য নারীদের প্রয়োজনে পাশে থাকার আন্তরিকতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ মানসিকতা থেকে। গত চার বছরে সেই ছোট উদ্যোগটি পরিণত হয়েছে একটি নিবন্ধিত চ্যারিটি সংগঠনে। যার তিনটি মূল লক্ষের একটি বাংলাদেশি নারীদের কর্মসংস্থান ও ক্ষমতায়ন।

সিডনির কামবারল্যান্ড কাউন্সিলের অনুদানে গ্রানভিল টাউন হলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সিডনি বাংলা উইমেনস নেটওয়ার্কের প্রেসিডেন্ট ড নাহিদ সায়মা এবং টিমের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ায় সফল বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ‘ডেপুটি’ নামের সফটওয়্যার সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও সহপ্রতিষ্ঠাতা আশিক আহমেদ এবং ১০৮টি সাবওয়ে স্টোরের সত্বাধিকারী মোহাম্মদ শামীম। তারা তরুণ প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখতে ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করেন।
অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন নোরা পারভেজ। দিনটি শুরু হয়েছিল কফি, আলাপচারিতা ও নেটওয়ার্কিং সেশনের মাধ্যমে। উদ্বোধনী বক্তব্যে কামবারল্যান্ড কাউন্সিলের কাউন্সিলর সুমন সাহা ও সুসাই বেঞ্জামিন ওএএম বহু সাংস্কৃতিক কমিউনিটিতে নারীর অবদান ও অংশগ্রহণের প্রশংসা করেন।

ক্যারিয়ার ফেয়ারে অংশ নেয় ৯টি প্রতিষ্ঠান। তাদের মধ্যে অন্যতম JICS Australia, Sydney TAFE, Migrate Resource Centre, Shamim Group। প্রতিষ্ঠানগুলো উপস্থিত নারীদের চাকরি, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নে বাস্তব সহায়তা দেয়।
দুপুরে অনুষ্ঠিত প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন আশিক আহমেদ, মোহাম্মদ শামীম, ড. সাবরিন ফারুকী ওএএম, আউড়েলিয়া রহমান ও আয়শা জে বিভা। তারা তরুণ প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখতে ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করেন।
ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণকারীরা সিভি (CV)লেখা, ইন্টারভিউর প্রস্তুতি, অস্ট্রেলিয়ান কর্মসংস্কৃতি ও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেন।
ওয়ার্কশপে খাবার সরবরাহে ছিলেন রয়্যাল প্ল্যাটার অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোক্তা জান্নাতুল। ইভেন্ট সাজসজ্জায় ছিল কানিতাজ ইভেন্ট সলিউশনস এবং ফোটোগ্রাফিতে নামরাতা খান।
ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণকারী একজন বলেন, এই ইভেন্ট আমাকে নতুনভাবে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে—আমি জানি, এখন আমিও পারব।
‘Empowered Pathways Job Fair & Career Summit’ প্রমাণ করেছে — নারীরা একত্রিত হলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী।

অস্ট্রেলিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশি নারীদের কর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরতার লক্ষ্যে সিডনি বাংলা উইমেনস নেটওয়ার্কের (এসবিডব্লিউএন) উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে জব ফেয়ার ও ক্যারিয়ার সামিট।
রোববার (১৯ অক্টোবর) নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যে সিডনিতে এই জব ফেয়ার ও ক্যারিয়ার সামিট আয়োজন করা হয়।
সিডনি বাংলা উইমেনস নেটওয়ার্কের পথ চলা শুরু বেশ কিছু প্রবাসী বাংলাদেশি নারীদের কমিউনিটির অন্য নারীদের প্রয়োজনে পাশে থাকার আন্তরিকতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ মানসিকতা থেকে। গত চার বছরে সেই ছোট উদ্যোগটি পরিণত হয়েছে একটি নিবন্ধিত চ্যারিটি সংগঠনে। যার তিনটি মূল লক্ষের একটি বাংলাদেশি নারীদের কর্মসংস্থান ও ক্ষমতায়ন।

সিডনির কামবারল্যান্ড কাউন্সিলের অনুদানে গ্রানভিল টাউন হলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সিডনি বাংলা উইমেনস নেটওয়ার্কের প্রেসিডেন্ট ড নাহিদ সায়মা এবং টিমের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ায় সফল বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ‘ডেপুটি’ নামের সফটওয়্যার সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও সহপ্রতিষ্ঠাতা আশিক আহমেদ এবং ১০৮টি সাবওয়ে স্টোরের সত্বাধিকারী মোহাম্মদ শামীম। তারা তরুণ প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখতে ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করেন।
অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন নোরা পারভেজ। দিনটি শুরু হয়েছিল কফি, আলাপচারিতা ও নেটওয়ার্কিং সেশনের মাধ্যমে। উদ্বোধনী বক্তব্যে কামবারল্যান্ড কাউন্সিলের কাউন্সিলর সুমন সাহা ও সুসাই বেঞ্জামিন ওএএম বহু সাংস্কৃতিক কমিউনিটিতে নারীর অবদান ও অংশগ্রহণের প্রশংসা করেন।

ক্যারিয়ার ফেয়ারে অংশ নেয় ৯টি প্রতিষ্ঠান। তাদের মধ্যে অন্যতম JICS Australia, Sydney TAFE, Migrate Resource Centre, Shamim Group। প্রতিষ্ঠানগুলো উপস্থিত নারীদের চাকরি, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নে বাস্তব সহায়তা দেয়।
দুপুরে অনুষ্ঠিত প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন আশিক আহমেদ, মোহাম্মদ শামীম, ড. সাবরিন ফারুকী ওএএম, আউড়েলিয়া রহমান ও আয়শা জে বিভা। তারা তরুণ প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখতে ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করেন।
ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণকারীরা সিভি (CV)লেখা, ইন্টারভিউর প্রস্তুতি, অস্ট্রেলিয়ান কর্মসংস্কৃতি ও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেন।
ওয়ার্কশপে খাবার সরবরাহে ছিলেন রয়্যাল প্ল্যাটার অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোক্তা জান্নাতুল। ইভেন্ট সাজসজ্জায় ছিল কানিতাজ ইভেন্ট সলিউশনস এবং ফোটোগ্রাফিতে নামরাতা খান।
ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণকারী একজন বলেন, এই ইভেন্ট আমাকে নতুনভাবে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে—আমি জানি, এখন আমিও পারব।
‘Empowered Pathways Job Fair & Career Summit’ প্রমাণ করেছে — নারীরা একত্রিত হলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এ ঘটনায় ১০ জন ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এরপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজন মারা যায়। এ ঘটনায় আহত আরও অন্তত ১২ জন চিকিৎসাধীন। গুয়ানাহুয়াতো একটি সমৃদ্ধ শিল্পকেন্দ্র এবং এখানে বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য থাকলেও, সহিংসতার পরিমাণও সবচেয়ে বেশি।
তুলনামূলকভাবে শান্ত পানিতে উদ্ধার অভিযান চালানোয় তল্লাশি ও উদ্ধার কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে রয়টার্সকে জানান সাউদার্ন মিনদানো ডিস্ট্রিক্টের কোস্টগার্ড কমান্ডার রোমেল দুয়া। এখনো ২৮ জন নিখোঁজ রয়েছে। তিনি বলেন, এখনো ২৮ জন নিখোঁজ রয়েছে।
ঘটনার ভিডিওতে দেখা গেছে, আইসিইয়ের সদস্যরা প্রেটি ও অন্য বিক্ষোভকারীদের দিকে মরিচের গুড়া ছুড়ছেন। প্রেটিকে তা প্রতিহত করতে ও অন্য বিক্ষোভকারীদের সহায়তা করতে দেখা যায় ওই ভিডিওতে। এ সময় বেশ কয়েকজন আইসিই সদস্য প্রেটিকে মাটিতে ফেলে পেটাতে থাকেন। এ অবস্থাতেই প্রেটিকে বেশ কয়েকটি গুলি করতে দেখা যায়।
সৌদি আরবে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী অভিযান চালিয়ে গত এক সপ্তাহে ১৪ হাজার ৬০০ জনকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার ভিডিওতে দেখা গেছে, আইসিইয়ের সদস্যরা প্রেটি ও অন্য বিক্ষোভকারীদের দিকে মরিচের গুড়া ছুড়ছেন। প্রেটিকে তা প্রতিহত করতে ও অন্য বিক্ষোভকারীদের সহায়তা করতে দেখা যায় ওই ভিডিওতে। এ সময় বেশ কয়েকজন আইসিই সদস্য প্রেটিকে মাটিতে ফেলে পেটাতে থাকেন। এ অবস্থাতেই প্রেটিকে বেশ কয়েকটি গুলি করতে দেখা যায়।
১ দিন আগে