
বিডিজেন ডেস্ক

ইরানে অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন সরকার পতনের আন্দোলনে রুপ নিয়েছে। আন্দোলন দমনে মাঠে নামানো হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। চলমান বিক্ষোভে শুধু রাজধানী তেহরানেই এক রাতে ২০০ জনের বেশি বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে আমেরিকার প্রভাবশালী সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিন।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে টাইম ম্যাগাজিন জানিয়েছে, নাম গোপন রাখার শর্তে তেহরানের এক চিকিৎসক তাদের জানিয়েছেন, শুধুমাত্র তেহরানের ৬টি হাসপাতালে ২০৬ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে। যাদের বেশির ভাগ গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ‘ইরান হিউম্যান রাইটস’ জানিয়েছে, ইরানে বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ৫১ জন নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে ৯ জন শিশু। এর আগে তারা নিহতের সংখ্যা ৪৫ বলে জানিয়েছিল।
অন্যদিকে, আমেরিকাভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্ট নিউজ এজেন্সির (এইচআরএএনএ) তথ্যমতে, নিহতের সংখ্যা ৫০ এবং আটক করা হয়েছে ২ হাজার ২৭০ জনেরও বেশি মানুষকে।
ইরানের বিভিন্ন স্থানে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবন, মেট্রো স্টেশন, ব্যাংক ছাড়াও বাস, প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ইন্টারনেট বন্ধ রেখেছে সরকার। ইন্টারনেট না থাকায় পরিস্থিতির পুরো চিত্র আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আসছে না বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বার্তা সংস্থা।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা এই বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।গত সপ্তাহে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে তুলে নেওয়ার পর ইরানেও হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন তিনি।
আল-জাজিরা বলছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেছেন, ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা চালায়, তবে তিনি হস্তক্ষেপ করবেন। অন্যদিকে, চলমান এই বিক্ষোভকে ট্রাম্পকে খুশি করার চেষ্টা বলে মন্তব্য করেছেন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি।
শুক্রবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া সংক্ষিপ্ত ভাষণে তিনি বলেন, “বিক্ষোভকারীরা অন্য দেশের প্রেসিডেন্টকে খুশি করতে নিজেরাই নিজেদের রাস্তা নষ্ট করছে।”
ট্রাম্পের সমালোচনা করে খামেনি বলেন, “তার হাতে ইরানিদের রক্ত লেগে আছে। তা সত্ত্বেও তিনি দাবি করেন, তিনি ইরানের জনগণের পাশে আছেন। তিনি দায়িত্বজ্ঞানহীন। তিনি সাধারণ মানুষকে নিয়ে কিছু ভাবেন না।”
জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ইরানের সর্বোচ্চ এ নেতা বলেন, “সচেতন থাকুন এবং ঐক্য বজায় রাখুন। জাতি যেকোনো শত্রুর বিরুদ্ধে বিজয়ী হবে।”
বর্তমানে ইরান এক গভীর সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে। একদিকে আন্তর্জাতিক চাপ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতি, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ জনগণের ক্ষোভ এই দ্বিমুখী সংকট আয়াতুল্লাহ খামেনির নেতৃত্বাধীন দীর্ঘস্থায়ী ধর্মতান্ত্রিক শাসনের অস্তিত্বকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।

ইরানে অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন সরকার পতনের আন্দোলনে রুপ নিয়েছে। আন্দোলন দমনে মাঠে নামানো হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। চলমান বিক্ষোভে শুধু রাজধানী তেহরানেই এক রাতে ২০০ জনের বেশি বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে আমেরিকার প্রভাবশালী সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিন।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে টাইম ম্যাগাজিন জানিয়েছে, নাম গোপন রাখার শর্তে তেহরানের এক চিকিৎসক তাদের জানিয়েছেন, শুধুমাত্র তেহরানের ৬টি হাসপাতালে ২০৬ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে। যাদের বেশির ভাগ গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ‘ইরান হিউম্যান রাইটস’ জানিয়েছে, ইরানে বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ৫১ জন নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে ৯ জন শিশু। এর আগে তারা নিহতের সংখ্যা ৪৫ বলে জানিয়েছিল।
অন্যদিকে, আমেরিকাভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্ট নিউজ এজেন্সির (এইচআরএএনএ) তথ্যমতে, নিহতের সংখ্যা ৫০ এবং আটক করা হয়েছে ২ হাজার ২৭০ জনেরও বেশি মানুষকে।
ইরানের বিভিন্ন স্থানে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবন, মেট্রো স্টেশন, ব্যাংক ছাড়াও বাস, প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ইন্টারনেট বন্ধ রেখেছে সরকার। ইন্টারনেট না থাকায় পরিস্থিতির পুরো চিত্র আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আসছে না বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বার্তা সংস্থা।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা এই বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।গত সপ্তাহে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে তুলে নেওয়ার পর ইরানেও হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন তিনি।
আল-জাজিরা বলছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেছেন, ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা চালায়, তবে তিনি হস্তক্ষেপ করবেন। অন্যদিকে, চলমান এই বিক্ষোভকে ট্রাম্পকে খুশি করার চেষ্টা বলে মন্তব্য করেছেন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি।
শুক্রবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া সংক্ষিপ্ত ভাষণে তিনি বলেন, “বিক্ষোভকারীরা অন্য দেশের প্রেসিডেন্টকে খুশি করতে নিজেরাই নিজেদের রাস্তা নষ্ট করছে।”
ট্রাম্পের সমালোচনা করে খামেনি বলেন, “তার হাতে ইরানিদের রক্ত লেগে আছে। তা সত্ত্বেও তিনি দাবি করেন, তিনি ইরানের জনগণের পাশে আছেন। তিনি দায়িত্বজ্ঞানহীন। তিনি সাধারণ মানুষকে নিয়ে কিছু ভাবেন না।”
জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ইরানের সর্বোচ্চ এ নেতা বলেন, “সচেতন থাকুন এবং ঐক্য বজায় রাখুন। জাতি যেকোনো শত্রুর বিরুদ্ধে বিজয়ী হবে।”
বর্তমানে ইরান এক গভীর সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে। একদিকে আন্তর্জাতিক চাপ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতি, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ জনগণের ক্ষোভ এই দ্বিমুখী সংকট আয়াতুল্লাহ খামেনির নেতৃত্বাধীন দীর্ঘস্থায়ী ধর্মতান্ত্রিক শাসনের অস্তিত্বকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘যদি তারা ভুল করে এবং আমাদের ওপর হামলা চালায়, তবে আমরা এমন শক্তি দিয়ে পাল্টা আঘাত করব যা তারা আগে কখনো অনুভব করেনি।’’ নেতানিয়াহু বলেন, ‘‘ইরানের ভবিষ্যৎ কী তা কেউ বলতে পারে না, তবে এটি আর আগের অবস্থায় ফিরবে না।’’
মালয়েশিয়ার পুলিশ বলছে, লরি চালকের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না। লরিটির রোড ট্যাক্সের মেয়াদও পার হয়ে গিয়েছিল। তবে বাংলাদেশি শ্রমিকদের কাজের বৈধ নথিপত্র ছিল। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওই পুলিশের কর্মকর্তা।
এক প্রতিবেদনে বার্তা সংস্থা রয়টার্স ওই আঞ্চলিক সরকারি কর্মকর্তার বরাতে জানিয়েছে, এই তালিকায় প্রায় ৫০০ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যও রয়েছে। ওই কর্মকর্তা ‘সন্ত্রাসী’ ও ‘সশস্ত্র দাঙ্গাকারীদের’ এই হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী করেছেন।
শুক্রবার হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, যেসব দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমার অবাধ্য হবে, তাদের ওপর কঠোর বাণিজ্যিক শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। এবার সেটা বাস্তবায়নও করলেন।