
বিডিজেন ডেস্ক

মিয়ানমারে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩ হাজার ৩৫৪ জনে পৌঁছেছে। আহত হয়েছে ৪ হাজার ৮৫০ জন। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ২২০ জন।
শনিবার (৫ এপিল) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
গত ২৮ মার্চ স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে মিয়ানমারের মান্দালয় শহরে উৎপত্তি হয় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার এই ভূমিকম্পের। এর প্রভাবে প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ডেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ৩৩ তলা একটি ভবন ধসে পড়েছে রাজধানী শহর ব্যাংককে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত থাইল্যান্ডে ২০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এ দিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রবিন্দু থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে সাগাইং শহরে প্রতি ৩টি বাড়ির মধ্যে একটি ধ্বংস হয়ে গেছে।
জাতিসংঘ বলছে, ভূমিকম্পের আগেই ২ কোটি মানুষ মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল ছিল। অন্যদিকে দুর্যোগে নতুন করে ৩০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত মিয়ানমারে ত্রাণ কার্যক্রম সহজ করতে গৃহযুদ্ধে সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে জান্তা সরকার। গত বুধবার (২ এপ্রিল) শুরু হওয়া এই যুদ্ধবিরতি ২২ এপ্রিল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
এদিকে, ভূমিকম্পবিধ্বস্ত অঞ্চলে চীনা ত্রাণ সহায়তা বহনকারী গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে দেশটির জান্তা সৈন্যরা। যদিও জান্তা বাহিনী জানিয়েছে, গাড়িটিকে থামার নির্দেশ দিতে ফাঁকা গুলি চালানো হয়। এ ঘটনায় হতাহত হননি কেউ।
আরও পড়ুন

মিয়ানমারে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩ হাজার ৩৫৪ জনে পৌঁছেছে। আহত হয়েছে ৪ হাজার ৮৫০ জন। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ২২০ জন।
শনিবার (৫ এপিল) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
গত ২৮ মার্চ স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে মিয়ানমারের মান্দালয় শহরে উৎপত্তি হয় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার এই ভূমিকম্পের। এর প্রভাবে প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ডেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ৩৩ তলা একটি ভবন ধসে পড়েছে রাজধানী শহর ব্যাংককে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত থাইল্যান্ডে ২০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এ দিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রবিন্দু থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে সাগাইং শহরে প্রতি ৩টি বাড়ির মধ্যে একটি ধ্বংস হয়ে গেছে।
জাতিসংঘ বলছে, ভূমিকম্পের আগেই ২ কোটি মানুষ মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল ছিল। অন্যদিকে দুর্যোগে নতুন করে ৩০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত মিয়ানমারে ত্রাণ কার্যক্রম সহজ করতে গৃহযুদ্ধে সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে জান্তা সরকার। গত বুধবার (২ এপ্রিল) শুরু হওয়া এই যুদ্ধবিরতি ২২ এপ্রিল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
এদিকে, ভূমিকম্পবিধ্বস্ত অঞ্চলে চীনা ত্রাণ সহায়তা বহনকারী গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে দেশটির জান্তা সৈন্যরা। যদিও জান্তা বাহিনী জানিয়েছে, গাড়িটিকে থামার নির্দেশ দিতে ফাঁকা গুলি চালানো হয়। এ ঘটনায় হতাহত হননি কেউ।
আরও পড়ুন
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।