
বিডিজেন ডেস্ক

ইসলামি বর্ষপঞ্জির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হতে পারে আগামী ৬ জুন, শুক্রবার। সংযুক্ত আরব আমিরাতের অ্যাস্ট্রোনমি সোসাইটির চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত জ্যোতির্বিদ্যাগত পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
দেশটির সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে অ্যাস্ট্রোনমি সোসাইটি জানিয়েছে, ইসলামি চান্দ্র বর্ষপঞ্জির শেষ মাস জিলহজের সূচনা নির্দেশক নতুন চাঁদ আগামী ২৭ মে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে ২৮ মে হবে জিলহজ মাসের প্রথম দিন। সেই হিসাবে আগামী ৬ জুন হতে পারে ঈদুল আজহা।
অ্যাস্ট্রোনমি সোসাইটির চেয়ারম্যান ইবরাহিম আল-জারওয়ান এই ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ২৭ মে সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ২ মিনিটে চাঁদ দেখা দেবে এবং সূর্যাস্তের পর প্রায় ৩৮ মিনিট পর্যন্ত তা দৃশ্যমান থাকবে। এর ফলে ওই দিন সন্ধ্যায় চাঁদ দেখার সম্ভাবনা প্রবল।
জ্যোতির্বিদ্যাগত পূর্বাভাস সঠিক হলে, জিলহজ মাসের ৯ তারিখ পালিতব্য আরাফাতের দিন হবে ৫ জুন, বৃহস্পতিবার। এর পরদিন ৬ জুন, শুক্রবার ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আরাফাতের দিন ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে জিলহজ মাসের ৯ তারিখ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত (ইসলামি বর্ষ ১৪৪৫ হিজরি) ছুটি থাকবে।
অন্য ইসলামি উৎসবের মতো ঈদুল আজহার সঠিক তারিখও চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল এবং এর ফলে ঘোষিত তারিখ একদিন পরিবর্তিতও হতে পারে। যদি ২৭ মে চাঁদ দেখা না যায়, তবে জিলহজ মাস শুরু হতে একদিন বিলম্ব হবে। অর্থাৎ, মাস শুরু হবে ২৯ মে। সে ক্ষেত্রে ঈদুল আজহা শুক্রবারের পরিবর্তে ৭ জুন, শনিবার উদ্যাপিত হবে।
ঈদুল আজহা ‘কোরবানির ঈদ’ বা ‘ত্যাগের উৎসব’ হিসেবেও পরিচিত। এই দিনটি হজরত ইবরাহিম (আ.)—এর পুত্রকে আল্লাহর আদেশে কোরবানি করার প্রস্তুতির ঘটনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়। এটি ছিল তাঁর বিশ্বাসের এক কঠিন পরীক্ষা, যা পরবর্তীতে আল্লাহর নির্দেশে একটি পশু কোরবানির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
এই উৎসব নামাজ আদায়, পারিবারিক মিলনমেলা ও দাতব্য কাজের মাধ্যমে উদ্যাপিত হয়। এর মধ্যে পশু কোরবানি এবং সেই কোরবানির মাংস আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও দরিদ্রদের মধ্যে বিতরণ অন্যতম। এই উৎসবটি পবিত্র হজের সমাপ্তির সঙ্গেও সম্পর্কিত। হজ হলো বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ মুসলমানের মক্কায় সম্পাদিত বার্ষিক তীর্থযাত্রা। ঈদুল আজহা ইসলামের দুটি প্রধান উৎসবের দ্বিতীয়টি; প্রথমটি হলো ঈদুল ফিতর, যা পবিত্র রমজান মাস শেষে উদ্যাপিত হয়।

ইসলামি বর্ষপঞ্জির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হতে পারে আগামী ৬ জুন, শুক্রবার। সংযুক্ত আরব আমিরাতের অ্যাস্ট্রোনমি সোসাইটির চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত জ্যোতির্বিদ্যাগত পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
দেশটির সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে অ্যাস্ট্রোনমি সোসাইটি জানিয়েছে, ইসলামি চান্দ্র বর্ষপঞ্জির শেষ মাস জিলহজের সূচনা নির্দেশক নতুন চাঁদ আগামী ২৭ মে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে ২৮ মে হবে জিলহজ মাসের প্রথম দিন। সেই হিসাবে আগামী ৬ জুন হতে পারে ঈদুল আজহা।
অ্যাস্ট্রোনমি সোসাইটির চেয়ারম্যান ইবরাহিম আল-জারওয়ান এই ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ২৭ মে সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ২ মিনিটে চাঁদ দেখা দেবে এবং সূর্যাস্তের পর প্রায় ৩৮ মিনিট পর্যন্ত তা দৃশ্যমান থাকবে। এর ফলে ওই দিন সন্ধ্যায় চাঁদ দেখার সম্ভাবনা প্রবল।
জ্যোতির্বিদ্যাগত পূর্বাভাস সঠিক হলে, জিলহজ মাসের ৯ তারিখ পালিতব্য আরাফাতের দিন হবে ৫ জুন, বৃহস্পতিবার। এর পরদিন ৬ জুন, শুক্রবার ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আরাফাতের দিন ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে জিলহজ মাসের ৯ তারিখ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত (ইসলামি বর্ষ ১৪৪৫ হিজরি) ছুটি থাকবে।
অন্য ইসলামি উৎসবের মতো ঈদুল আজহার সঠিক তারিখও চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল এবং এর ফলে ঘোষিত তারিখ একদিন পরিবর্তিতও হতে পারে। যদি ২৭ মে চাঁদ দেখা না যায়, তবে জিলহজ মাস শুরু হতে একদিন বিলম্ব হবে। অর্থাৎ, মাস শুরু হবে ২৯ মে। সে ক্ষেত্রে ঈদুল আজহা শুক্রবারের পরিবর্তে ৭ জুন, শনিবার উদ্যাপিত হবে।
ঈদুল আজহা ‘কোরবানির ঈদ’ বা ‘ত্যাগের উৎসব’ হিসেবেও পরিচিত। এই দিনটি হজরত ইবরাহিম (আ.)—এর পুত্রকে আল্লাহর আদেশে কোরবানি করার প্রস্তুতির ঘটনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়। এটি ছিল তাঁর বিশ্বাসের এক কঠিন পরীক্ষা, যা পরবর্তীতে আল্লাহর নির্দেশে একটি পশু কোরবানির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
এই উৎসব নামাজ আদায়, পারিবারিক মিলনমেলা ও দাতব্য কাজের মাধ্যমে উদ্যাপিত হয়। এর মধ্যে পশু কোরবানি এবং সেই কোরবানির মাংস আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও দরিদ্রদের মধ্যে বিতরণ অন্যতম। এই উৎসবটি পবিত্র হজের সমাপ্তির সঙ্গেও সম্পর্কিত। হজ হলো বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ মুসলমানের মক্কায় সম্পাদিত বার্ষিক তীর্থযাত্রা। ঈদুল আজহা ইসলামের দুটি প্রধান উৎসবের দ্বিতীয়টি; প্রথমটি হলো ঈদুল ফিতর, যা পবিত্র রমজান মাস শেষে উদ্যাপিত হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।