
বিডিজেন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে চট্টগ্রামে বিভিন্ন এয়ারলাইনস সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে। এতে চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রবাসীদের বেশ সুবিধা হয়। কিন্তু কুয়েত থেকে কোনো এয়ারলাইনসের ফ্লাইট না থাকায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রবাসীদের দেশে যেতে হয় ঢাকা হয়ে। আবার ফিরতেও হয় ঢাকা হয়ে। ফলে তাদের বেশ সময় অপচয় এবং ভোগান্তি পোহাতে হয়। এ অবস্থায় কুয়েত থেকে চট্টগ্রাম রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সরাসরি ফ্লাইট চালুর দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রবাসীরা।
শুক্রবার (২২ নভেম্বর) রাতে কুয়েত সিটির রাজবাড়ী হোটেলে আয়োজিত এক সভায় বৃহত্তর চট্টগ্রাম রেমিট্যান্সযোদ্ধা ফোরাম এবং প্রবাসীদের কল্যাণে মানবিক ফাউন্ডেশনের নেতারা এ দাবি জানান।
সভায় বক্তারা কুয়েত থেকে চট্টগ্রাম বিমানের ফ্লাইট আবার চালুসহ বিগত সরকারের সময়ে অবহেলিত চট্টগ্রামের নানা দুর্ভোগের বিষয়েও অন্তর্বর্তী সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
তারা বলেন, কুয়েতে বৃহত্তর চট্টগ্রামের প্রায় ৭০ হাজারের ওপরে প্রবাসী বাংলাদেশি রয়েছেন। করোনার আগে কুয়েত থেকে চট্টগ্রামে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সপ্তাহে সরাসরি একটি ফ্লাইট ছিল। ২০১৯ সালে করোনার সময় বিভিন্ন দেশের সঙ্গে অনেক ফ্লাইট বন্ধ করার পর পরবর্তীতে আবার সেসব ফ্লাইট চালু হলেও কুয়েত থেকে চট্টগ্রামের সেই ফ্লাইটটি আর চালু হয়নি। বন্ধ হওয়ার পর থেকে কুয়েতে নোয়াখালী ফেনীসহ বৃহত্তর চট্টগ্রাম প্রবাসীরা ফ্লাইটটি চালু করার দাবি করে আসছেন।
কিন্তু বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রবাসীদের কোনো দাবিই আমলে নেয়নি বিমান কর্তৃপক্ষ কিংবা বাংলাদেশ সরকার। এ ছাড়া, আল জাজিরা, এয়ার আরাবিয়া, ফ্লাই দুবাইয়ের কয়েকটি এয়ারলাইনসের কুয়েত থেকে দীর্ঘ যাত্রাবিরতি দিয়ে চট্টগ্রামের ফ্লাইট থাকলেও তা বন্ধ হয়ে গেছে। এতে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স খাতে অগ্রণী ভূমিকা রাখা চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রবাসীরা চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন।
সভায় বক্তারা কুয়েত থেকে সরাসরি বিমানের চট্টগ্রাম ফ্লাইট চালু না হলে রেমিট্যান্স বন্ধের ঘোষণা দেন।
তারা বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইননের কুয়েত–চট্টগ্রাম সরাসরি ফ্লাইটি আবার চালু হলে প্রবাসীদের আর্থিক ক্ষতি ও সময় যেমন বাঁচবে, তেমনি ভোগান্তি কমবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সিরাজদৌলাহ। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দাবির প্রতি সমর্থন জানান বিএনপির কুয়েত শাখার সভাপতি মাহফুজুর রহমান মাহফুজ।
অরুষ্ঠানে কুয়েতে বৃহত্তর চট্টগ্রাম রেমিট্যান্সযোদ্ধা ফোরাম গঠনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন ফোরামের প্রধান সমন্বয়ক আবুল কাশেম।
বক্তব্য দেন হেফাজত ইসলামের কুয়েত শাখার আমির শাঈখ মুহাম্মাদ শাহজাহান, চট্টগ্রাম সমিতির সভাপতি জাফর আহমদ চৌধুরী এবং মাওলানা কাজী ইকবাল, মো আলী, মামুনুর রহমান, আবদুল কাদের, মো. শাহাবুদ্দিন, মো. সুমন ও মো. পলাশ।
সঞ্চালনা করেন আবু হানিফ এরশাদ।

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে চট্টগ্রামে বিভিন্ন এয়ারলাইনস সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে। এতে চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রবাসীদের বেশ সুবিধা হয়। কিন্তু কুয়েত থেকে কোনো এয়ারলাইনসের ফ্লাইট না থাকায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রবাসীদের দেশে যেতে হয় ঢাকা হয়ে। আবার ফিরতেও হয় ঢাকা হয়ে। ফলে তাদের বেশ সময় অপচয় এবং ভোগান্তি পোহাতে হয়। এ অবস্থায় কুয়েত থেকে চট্টগ্রাম রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সরাসরি ফ্লাইট চালুর দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রবাসীরা।
শুক্রবার (২২ নভেম্বর) রাতে কুয়েত সিটির রাজবাড়ী হোটেলে আয়োজিত এক সভায় বৃহত্তর চট্টগ্রাম রেমিট্যান্সযোদ্ধা ফোরাম এবং প্রবাসীদের কল্যাণে মানবিক ফাউন্ডেশনের নেতারা এ দাবি জানান।
সভায় বক্তারা কুয়েত থেকে চট্টগ্রাম বিমানের ফ্লাইট আবার চালুসহ বিগত সরকারের সময়ে অবহেলিত চট্টগ্রামের নানা দুর্ভোগের বিষয়েও অন্তর্বর্তী সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
তারা বলেন, কুয়েতে বৃহত্তর চট্টগ্রামের প্রায় ৭০ হাজারের ওপরে প্রবাসী বাংলাদেশি রয়েছেন। করোনার আগে কুয়েত থেকে চট্টগ্রামে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সপ্তাহে সরাসরি একটি ফ্লাইট ছিল। ২০১৯ সালে করোনার সময় বিভিন্ন দেশের সঙ্গে অনেক ফ্লাইট বন্ধ করার পর পরবর্তীতে আবার সেসব ফ্লাইট চালু হলেও কুয়েত থেকে চট্টগ্রামের সেই ফ্লাইটটি আর চালু হয়নি। বন্ধ হওয়ার পর থেকে কুয়েতে নোয়াখালী ফেনীসহ বৃহত্তর চট্টগ্রাম প্রবাসীরা ফ্লাইটটি চালু করার দাবি করে আসছেন।
কিন্তু বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রবাসীদের কোনো দাবিই আমলে নেয়নি বিমান কর্তৃপক্ষ কিংবা বাংলাদেশ সরকার। এ ছাড়া, আল জাজিরা, এয়ার আরাবিয়া, ফ্লাই দুবাইয়ের কয়েকটি এয়ারলাইনসের কুয়েত থেকে দীর্ঘ যাত্রাবিরতি দিয়ে চট্টগ্রামের ফ্লাইট থাকলেও তা বন্ধ হয়ে গেছে। এতে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স খাতে অগ্রণী ভূমিকা রাখা চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রবাসীরা চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন।
সভায় বক্তারা কুয়েত থেকে সরাসরি বিমানের চট্টগ্রাম ফ্লাইট চালু না হলে রেমিট্যান্স বন্ধের ঘোষণা দেন।
তারা বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইননের কুয়েত–চট্টগ্রাম সরাসরি ফ্লাইটি আবার চালু হলে প্রবাসীদের আর্থিক ক্ষতি ও সময় যেমন বাঁচবে, তেমনি ভোগান্তি কমবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সিরাজদৌলাহ। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দাবির প্রতি সমর্থন জানান বিএনপির কুয়েত শাখার সভাপতি মাহফুজুর রহমান মাহফুজ।
অরুষ্ঠানে কুয়েতে বৃহত্তর চট্টগ্রাম রেমিট্যান্সযোদ্ধা ফোরাম গঠনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন ফোরামের প্রধান সমন্বয়ক আবুল কাশেম।
বক্তব্য দেন হেফাজত ইসলামের কুয়েত শাখার আমির শাঈখ মুহাম্মাদ শাহজাহান, চট্টগ্রাম সমিতির সভাপতি জাফর আহমদ চৌধুরী এবং মাওলানা কাজী ইকবাল, মো আলী, মামুনুর রহমান, আবদুল কাদের, মো. শাহাবুদ্দিন, মো. সুমন ও মো. পলাশ।
সঞ্চালনা করেন আবু হানিফ এরশাদ।
তেহরানে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি বলেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান যুদ্ধ চায় না। তবে যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।’ অনুষ্ঠানটি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হয়”
গালিবফ বলেন, “ইরানে হামলার ঘটনা ঘটলে, অধিকৃত ভূখণ্ড এবং এই অঞ্চলে অবস্থিত আমেরিকার সমস্ত সামরিক কেন্দ্র, ঘাঁটি ও জাহাজ আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে। আমরা কেবল হামলা হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া জানানোর মধ্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখব না, বরং হুমকির যেকোনো বস্তুনিষ্ঠ লক্ষণ দেখামাত্রই পদক্ষেপ নেব।”
বিবিসি বলছে, ভিক্টোরিয়া রাজ্যে তীব্র তাপপ্রবাহে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। এতে ডজনের বেশি দাবানল ছড়িয়ে পড়ে। এসব আগুনে ৩ লাখ হেক্টরের বেশি এলাকা পুড়ে যায়। রোববার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। তার আগের দিন কর্তৃপক্ষ ‘দুর্যোগ অবস্থা’ ঘোষণা করে।
এক প্রতিবেদনে টাইম ম্যাগাজিন জানিয়েছে, নাম গোপন রাখার শর্তে তেহরানের এক চিকিৎসক তাদের জানিয়েছেন, শুধুমাত্র তেহরানের ৬টি হাসপাতালে ২০৬ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে। যাদের বেশির ভাগ গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে।

গালিবফ বলেন, “ইরানে হামলার ঘটনা ঘটলে, অধিকৃত ভূখণ্ড এবং এই অঞ্চলে অবস্থিত আমেরিকার সমস্ত সামরিক কেন্দ্র, ঘাঁটি ও জাহাজ আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে। আমরা কেবল হামলা হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া জানানোর মধ্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখব না, বরং হুমকির যেকোনো বস্তুনিষ্ঠ লক্ষণ দেখামাত্রই পদক্ষেপ নেব।”
২ দিন আগে
বিবিসি বলছে, ভিক্টোরিয়া রাজ্যে তীব্র তাপপ্রবাহে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। এতে ডজনের বেশি দাবানল ছড়িয়ে পড়ে। এসব আগুনে ৩ লাখ হেক্টরের বেশি এলাকা পুড়ে যায়। রোববার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। তার আগের দিন কর্তৃপক্ষ ‘দুর্যোগ অবস্থা’ ঘোষণা করে।
২ দিন আগে