বিডিজেন ডেস্ক
লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর স্থল হামলার পরিসর আরও বিস্তৃত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, লেবাননের দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলেও স্থল হামলা শুরু করেছে তাদের সেনারা। বিগত কয়েক দিনে দেশটিতে নতুন করে সেনা পাঠানোর পর স্থল হামলার পরিসর বাড়ানোর এ ঘোষণা দিল ইসরায়েল।
বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর দিয়ে বলেছে, গাজা যুদ্ধ শুরুর পর গত এক বছরের বেশি সময় ধরে লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের আন্তসীমান্ত সংঘাত চলছিল। সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি দেশটিতে বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল। ২৭ সেপ্টেম্বর লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হন হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ।
হাসান নাসরুল্লাহ নিহত হওয়ার তিন দিন পর ৩০ সেপ্টেম্বর দেশটির দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে ঢুকে ইসরায়েলি সেনারা স্থল হামলা শুরু করে। বিমান হামলার পাশাপাশি এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে লেবাননের দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পূর্বাঞ্চলে হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের সঙ্গে ইসরায়েলি সেনাদের সম্মুখ লড়াই চলছিল।
মঙ্গলবার ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, লেবাননের দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলেও স্থল ‘অভিযান’ শুরু করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ১৪৬তম ডিভিশন। তবে বিবৃতিতে দাবি করা হয়, সীমিত পরিসরে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় হিজবুল্লাহর অবস্থান ও স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে।
লেবাননে এখন পর্যন্ত কতজন সেনা পাঠানো হয়েছে, সেই হিসাব জানায়নি ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। তবে টাইমস অব ইসরায়েল–এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৯ দিনে লেবাননে ১৫ হাজারের বেশি সেনা পাঠিয়েছে ইসরায়েল।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর ১৪৬তম ডিভিশন একটি রিজার্ভ ডিভিশন। এর আগে অবরুদ্ধ গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে ‘অভিযানে’ এই ডিভিশনের সেনাদের মোতায়েন করেছিল ইসরায়েল।
দুই সপ্তাহ ধরে ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলার মুখে মঙ্গলবার হিজবুল্লাহর উপপ্রধান নাইম কাসেম বলেছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে সমর্থন রয়েছে হিজবুল্লাহর। টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে নাইম কাসেম বলেন, ‘লেবাননের পার্লামেন্টের স্পিকার নাবিহ বেরি যুদ্ধবিরতির জন্য যে রাজনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন, তাতে আমাদের (হিজবুল্লাহর) সমর্থন রয়েছে।’
ইসরায়েলে আবার হামলা
এদিকে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ইসরায়েলের তৃতীয় বৃহত্তম শহর হাইফা ও এর আশপাশের এলাকায় রকেট হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ। গোষ্ঠীটি মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানায়, উত্তর ইসরায়েলের শহরটি লক্ষ্য করে প্রায় ১০০ রকেট ছুড়েছে তারা।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, লেবানন থেকে ইসরায়েল লক্ষ্য করে ছোড়া অন্তত ৮৫টি রকেট শনাক্ত করেছে তারা। এর মধ্যে কিছু রকেট প্রতিহত করে তারা। তবে কতটি রকেট ইসরায়েলের ভূখণ্ডে আঘাত হেনেছে, এ বিষয়ে কিছু জানায়নি।
এর আগে সোমবার হাইফাসহ ইসরায়েলের বেশ কয়েকটি শহরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় হিজবুল্লাহ। সেদিন একযোগে গাজার শাসকগোষ্ঠী হামাস, গাজার আরেক প্রতিরোধ সংগঠন ইসলামিক জিহাদ ও ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে হামলা চালায়।
লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর স্থল হামলার পরিসর আরও বিস্তৃত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, লেবাননের দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলেও স্থল হামলা শুরু করেছে তাদের সেনারা। বিগত কয়েক দিনে দেশটিতে নতুন করে সেনা পাঠানোর পর স্থল হামলার পরিসর বাড়ানোর এ ঘোষণা দিল ইসরায়েল।
বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর দিয়ে বলেছে, গাজা যুদ্ধ শুরুর পর গত এক বছরের বেশি সময় ধরে লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের আন্তসীমান্ত সংঘাত চলছিল। সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি দেশটিতে বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল। ২৭ সেপ্টেম্বর লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হন হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ।
হাসান নাসরুল্লাহ নিহত হওয়ার তিন দিন পর ৩০ সেপ্টেম্বর দেশটির দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে ঢুকে ইসরায়েলি সেনারা স্থল হামলা শুরু করে। বিমান হামলার পাশাপাশি এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে লেবাননের দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পূর্বাঞ্চলে হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের সঙ্গে ইসরায়েলি সেনাদের সম্মুখ লড়াই চলছিল।
মঙ্গলবার ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, লেবাননের দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলেও স্থল ‘অভিযান’ শুরু করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ১৪৬তম ডিভিশন। তবে বিবৃতিতে দাবি করা হয়, সীমিত পরিসরে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় হিজবুল্লাহর অবস্থান ও স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে।
লেবাননে এখন পর্যন্ত কতজন সেনা পাঠানো হয়েছে, সেই হিসাব জানায়নি ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। তবে টাইমস অব ইসরায়েল–এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৯ দিনে লেবাননে ১৫ হাজারের বেশি সেনা পাঠিয়েছে ইসরায়েল।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর ১৪৬তম ডিভিশন একটি রিজার্ভ ডিভিশন। এর আগে অবরুদ্ধ গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে ‘অভিযানে’ এই ডিভিশনের সেনাদের মোতায়েন করেছিল ইসরায়েল।
দুই সপ্তাহ ধরে ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলার মুখে মঙ্গলবার হিজবুল্লাহর উপপ্রধান নাইম কাসেম বলেছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে সমর্থন রয়েছে হিজবুল্লাহর। টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে নাইম কাসেম বলেন, ‘লেবাননের পার্লামেন্টের স্পিকার নাবিহ বেরি যুদ্ধবিরতির জন্য যে রাজনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন, তাতে আমাদের (হিজবুল্লাহর) সমর্থন রয়েছে।’
ইসরায়েলে আবার হামলা
এদিকে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ইসরায়েলের তৃতীয় বৃহত্তম শহর হাইফা ও এর আশপাশের এলাকায় রকেট হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ। গোষ্ঠীটি মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানায়, উত্তর ইসরায়েলের শহরটি লক্ষ্য করে প্রায় ১০০ রকেট ছুড়েছে তারা।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, লেবানন থেকে ইসরায়েল লক্ষ্য করে ছোড়া অন্তত ৮৫টি রকেট শনাক্ত করেছে তারা। এর মধ্যে কিছু রকেট প্রতিহত করে তারা। তবে কতটি রকেট ইসরায়েলের ভূখণ্ডে আঘাত হেনেছে, এ বিষয়ে কিছু জানায়নি।
এর আগে সোমবার হাইফাসহ ইসরায়েলের বেশ কয়েকটি শহরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় হিজবুল্লাহ। সেদিন একযোগে গাজার শাসকগোষ্ঠী হামাস, গাজার আরেক প্রতিরোধ সংগঠন ইসলামিক জিহাদ ও ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে হামলা চালায়।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পণ্য রপ্তানির ওপর যে পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছেন, তার জেরে সবচয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্ররাই।
ইসরায়েলি বিমান হামলায় ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ-যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূখন্ড গাজায় গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ভোরে নিহত হয়েছে আরও ৩৩ জন, আহত আরও শতাধিক। সব মিলিয়ে বৃহস্পতিবার ভোরের হামলার পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ১১২ জন নিহত হয়েছে।
চার্টের শুল্ক নির্দেশক রেখাগুলো এক ধাক্কায় এতটা ওপরে উঠেছে, যা বিগত এক শতকের মধ্যে দেখা যায়নি। এমনকি এই রেখাগুলো গত শতকের ত্রিশের দশকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির উচ্চ সংরক্ষণবাদের সময়কেও ছাড়িয়ে গেছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য আমদানির ওপর উচ্চ হারে শুল্ক আরোপের যে ঘোষণা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দিয়েছেন, তার বিরোধিতায় সোচ্চার হয়েছে চীন, জাপান, যুক্তরাজ্যসহ অনেকগুলো দেশ।