
বিডিজেন ডেস্ক

গাজা ভূখন্ডে চলমান ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪১ হাজার ৭৮৮ জনে দাঁড়িয়েছে।
বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাতে নিহতের সংখ্যা ৪১ হাজার ৭৮৮ জনে দাঁড়িয়েছে এবং ৯৬ হাজার ৭৯৪ জন আহত হয়েছে।
এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর হামলায় ৯৯ জন নিহত ও ১৬৯ জন আহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের ত্রাণ ও কর্ম সংস্থার (ইউএনআরডাব্লুএ) কমিশনার জেনারেল ফিলিপ লাজারিনি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে বলেন, গত দুই দিনে গাজায় তিনটি ইউএনআরডব্লিউএ স্কুল আক্রান্ত হয়েছে এবং কমপক্ষে ২১ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
তিনি আরও বলেন, 'স্কুলগুলোতে ২০ হাজারের বেশি বাস্তুচ্যুত মানুষ আশ্রয় নিয়েছিল। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কিছু স্কুলে একাধিকবার হামলা হয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ১৪০টিরও বেশি ইউএনআরডব্লিউএ স্কুল হামলার শিকার হয়েছে বলে জানান তিনি।
লাজারিনি আরও বলেন, আগে স্কুলগুলো ছিল শিক্ষার নিরাপদ আশ্রয়স্থল, এখন তা অনেকের জন্য নরকে পরিণত হয়েছে। স্কুলকে কেউ সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পারবে না। স্কুলগুলো কোনো টার্গেট নয়। এ বিষয়টি যুদ্ধের মৌলিক নিয়ম যা স্পষ্টভাবে এখানে উপেক্ষা করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামলা চালায় হামাস। এসময় প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হয়। জিম্মি করে নেওয়া হয় ২৫০ জনতে। এর জবাবে গাজা ভূখন্ডে হামাসের বিরুদ্ধে বড় আকারের অভিযান শুরু করে ইসরায়েল।

গাজা ভূখন্ডে চলমান ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪১ হাজার ৭৮৮ জনে দাঁড়িয়েছে।
বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাতে নিহতের সংখ্যা ৪১ হাজার ৭৮৮ জনে দাঁড়িয়েছে এবং ৯৬ হাজার ৭৯৪ জন আহত হয়েছে।
এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর হামলায় ৯৯ জন নিহত ও ১৬৯ জন আহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের ত্রাণ ও কর্ম সংস্থার (ইউএনআরডাব্লুএ) কমিশনার জেনারেল ফিলিপ লাজারিনি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে বলেন, গত দুই দিনে গাজায় তিনটি ইউএনআরডব্লিউএ স্কুল আক্রান্ত হয়েছে এবং কমপক্ষে ২১ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
তিনি আরও বলেন, 'স্কুলগুলোতে ২০ হাজারের বেশি বাস্তুচ্যুত মানুষ আশ্রয় নিয়েছিল। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কিছু স্কুলে একাধিকবার হামলা হয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ১৪০টিরও বেশি ইউএনআরডব্লিউএ স্কুল হামলার শিকার হয়েছে বলে জানান তিনি।
লাজারিনি আরও বলেন, আগে স্কুলগুলো ছিল শিক্ষার নিরাপদ আশ্রয়স্থল, এখন তা অনেকের জন্য নরকে পরিণত হয়েছে। স্কুলকে কেউ সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পারবে না। স্কুলগুলো কোনো টার্গেট নয়। এ বিষয়টি যুদ্ধের মৌলিক নিয়ম যা স্পষ্টভাবে এখানে উপেক্ষা করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামলা চালায় হামাস। এসময় প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হয়। জিম্মি করে নেওয়া হয় ২৫০ জনতে। এর জবাবে গাজা ভূখন্ডে হামাসের বিরুদ্ধে বড় আকারের অভিযান শুরু করে ইসরায়েল।
যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক বিবৃতিতে বলেছে, শিক্ষার্থী ভিসায় আসা শিক্ষার্থীদের আশ্রয় প্রার্থনার সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় প্রথমবারের মতো জরুরিভিত্তিতে ৪ দেশের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করতে হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাবের হাসপাতালে আহতদের পরিদর্শনকালে কুয়েত টেলিভিশনের সাথে কথা বলার সময় তিনি ভয় ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়া রোধ করার জন্য সমস্ত নাগরিক ও বাসিন্দাদের ঘটনার ভিডিও ধারণ করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে বা শিগগিরই মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে—এমন সব ধরনের এন্ট্রি ভিসার মেয়াদ এক মাসের জন্য বাড়ানো হয়েছে। পরিস্থিতির উন্নয়নের ওপর নির্ভর করে প্রয়োজনে এই সময়সীমা আরও বাড়ানো হতে পারে।