
বিডিজেন ডেস্ক

লেবাননে ক্রমবর্ধমান ইসরায়েলি হামলার মুখে আতঙ্কে রয়েছেন দক্ষিণ লেবাননে অবস্থানকারী বাংলাদেশিরা। হামলার তীব্রতা বাড়ছে বৈরুতেও।
৩ অক্টোবর পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী লেবাননে হামলা-পাল্টা হামলায় অন্তত ৫ জন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। এতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বাংলাদেশি শ্রমিকেরা।
এ অবস্থায় লেবাননপ্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিক যারা দেশে ফিরতে ইচ্ছুক তাদেরদেশে বা নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে বৈরুতের বাংলাদেশ দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি (শ্রম) মো. আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) তিনি এ তথ্য জানান।
আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা এখানকার সার্বিক পরিস্থিতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি। ইভ্যাকুয়েশনের ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত আছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আমাদেরকে বলা হয়েছে কত লোক দেশে ফিরতে পারেন, এ রকম একটা তালিকা করার জন্য। আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি।
তিনি জানান, যেহেতু সরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া দ্রুত ঘটে তাই তারাও এ ব্যাপারে কোনো বিলম্ব করবেন না।
বিপজ্জনক স্থান থেকে প্রবাসীদের এরই মধ্যে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল ও বৈরুতে শিয়া-অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। চলমান পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ দূতাবাস ২৩ সেপ্টেম্বর কনস্যুলার এবং কল্যাণ সেবা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
আনোয়ার হোসেন দাবি করেন, খারাপ অবস্থায় থাকা দক্ষিণ লেবানন বিশেষ করে রফিক হারিরি মসজিদ এবং হামরা সানায়া পার্কের আশপাশ থেকে প্রায় ২০-২৫ হাজার বাংলাদেশি বৈরুতে চলে এসেছেন।
তিনি আরও জানান, হামলা-পাল্টা হামলায় লেবাননে অন্তত ৫ জন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। এর মধ্যে তিনজন দক্ষিণ লেবাননে ও দুজন বৈরুতে।
২ হাজার বাংলাদেশিকে সরানো হয়েছে নিরাপদ স্থানে
বৈরুতে বিমান হামলার পর বৈরুতের বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি বৈরুতসহ লেবাননের বিভিন্ন এলাকা থেকে গত কয়েক দিনে প্রায় ২ হাজার বাংলাদেশিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বৈরুতের বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
বৈরুতের বাংলাদেশ দূতাবাসের সূত্র জানায়, লেবাননের যেসব জায়গায় ইসরায়েল হামলা করছে সেসব জায়গা থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে নেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে দূতাবাস ও স্থানীয় বাংলাদেশ কমিউনিটি সহযোগিতা করছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা যায়, বৈরুতের বাংলাদেশ দূতাবাসে রাষ্ট্রদূত, কর্মকর্তা ও স্টাফ মিলিয়ে সাত-আটজন রয়েছেন। বৈরুতে তাদের পরিবারসহ সংখ্যা ১৫ হবে। রাষ্ট্রদূতসহ দূতাবাসের সব কর্মী এবং তাদের পরিবারকে বৈরুত শহরের আশপাশে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
লেবাননে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংখ্যা
লেবাননে কতজন বাংলাদেশি আছেন তার কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই। তবে ধারণা করা হয়, দেশটিতে ১ লাখের বেশি বাংলাদেশি রয়েছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ নারী শ্রমিক। তারা বিভিন্ন পেশায় কাজ করেন।
জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য মতে, বিগত বছরগুলোর তুলনায় ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে লেবাননে কর্মী যাওয়ার সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি বেড়েছিল।
২০২৩ সালে কর্মী ভিসায় ২ হাজার ৫৯৪ জন দেশটিতে গিয়েছিলেন। সে তুলনায় এ বছর জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত লেবানন পাড়ি জমিয়েছেন ৪ হাজার ২২৫ জন কর্মী।
অভিবাসনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, লেবাননে নিরাপত্তার শঙ্কা না থাকলে কর্মী যাওয়ার সংখ্যা আরও বাড়ত।

লেবাননে ক্রমবর্ধমান ইসরায়েলি হামলার মুখে আতঙ্কে রয়েছেন দক্ষিণ লেবাননে অবস্থানকারী বাংলাদেশিরা। হামলার তীব্রতা বাড়ছে বৈরুতেও।
৩ অক্টোবর পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী লেবাননে হামলা-পাল্টা হামলায় অন্তত ৫ জন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। এতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বাংলাদেশি শ্রমিকেরা।
এ অবস্থায় লেবাননপ্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিক যারা দেশে ফিরতে ইচ্ছুক তাদেরদেশে বা নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে বৈরুতের বাংলাদেশ দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি (শ্রম) মো. আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) তিনি এ তথ্য জানান।
আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা এখানকার সার্বিক পরিস্থিতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি। ইভ্যাকুয়েশনের ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত আছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আমাদেরকে বলা হয়েছে কত লোক দেশে ফিরতে পারেন, এ রকম একটা তালিকা করার জন্য। আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি।
তিনি জানান, যেহেতু সরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া দ্রুত ঘটে তাই তারাও এ ব্যাপারে কোনো বিলম্ব করবেন না।
বিপজ্জনক স্থান থেকে প্রবাসীদের এরই মধ্যে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল ও বৈরুতে শিয়া-অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। চলমান পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ দূতাবাস ২৩ সেপ্টেম্বর কনস্যুলার এবং কল্যাণ সেবা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
আনোয়ার হোসেন দাবি করেন, খারাপ অবস্থায় থাকা দক্ষিণ লেবানন বিশেষ করে রফিক হারিরি মসজিদ এবং হামরা সানায়া পার্কের আশপাশ থেকে প্রায় ২০-২৫ হাজার বাংলাদেশি বৈরুতে চলে এসেছেন।
তিনি আরও জানান, হামলা-পাল্টা হামলায় লেবাননে অন্তত ৫ জন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। এর মধ্যে তিনজন দক্ষিণ লেবাননে ও দুজন বৈরুতে।
২ হাজার বাংলাদেশিকে সরানো হয়েছে নিরাপদ স্থানে
বৈরুতে বিমান হামলার পর বৈরুতের বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি বৈরুতসহ লেবাননের বিভিন্ন এলাকা থেকে গত কয়েক দিনে প্রায় ২ হাজার বাংলাদেশিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বৈরুতের বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
বৈরুতের বাংলাদেশ দূতাবাসের সূত্র জানায়, লেবাননের যেসব জায়গায় ইসরায়েল হামলা করছে সেসব জায়গা থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে নেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে দূতাবাস ও স্থানীয় বাংলাদেশ কমিউনিটি সহযোগিতা করছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা যায়, বৈরুতের বাংলাদেশ দূতাবাসে রাষ্ট্রদূত, কর্মকর্তা ও স্টাফ মিলিয়ে সাত-আটজন রয়েছেন। বৈরুতে তাদের পরিবারসহ সংখ্যা ১৫ হবে। রাষ্ট্রদূতসহ দূতাবাসের সব কর্মী এবং তাদের পরিবারকে বৈরুত শহরের আশপাশে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
লেবাননে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংখ্যা
লেবাননে কতজন বাংলাদেশি আছেন তার কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই। তবে ধারণা করা হয়, দেশটিতে ১ লাখের বেশি বাংলাদেশি রয়েছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ নারী শ্রমিক। তারা বিভিন্ন পেশায় কাজ করেন।
জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য মতে, বিগত বছরগুলোর তুলনায় ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে লেবাননে কর্মী যাওয়ার সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি বেড়েছিল।
২০২৩ সালে কর্মী ভিসায় ২ হাজার ৫৯৪ জন দেশটিতে গিয়েছিলেন। সে তুলনায় এ বছর জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত লেবানন পাড়ি জমিয়েছেন ৪ হাজার ২২৫ জন কর্মী।
অভিবাসনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, লেবাননে নিরাপত্তার শঙ্কা না থাকলে কর্মী যাওয়ার সংখ্যা আরও বাড়ত।
কুয়েতের সরকারি বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, নিরাপত্তাজনিত কারণে সব ধরনের ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। যেসব ফ্লাইট কুয়েতে অবতরণের কথা ছিল, সেগুলোকে বিকল্প বিমানবন্দরে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১৫ দিন আগে