
বিডিজেন ডেস্ক

শ্রম আইন লঙ্ঘন করায় ২২০ নিয়োগকর্তাকে শাস্তি দিয়েছে সৌদি আরব সরকার। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজে প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, অভিযুক্ত নিয়োগকর্তারা তৃতীয় পক্ষ হিসেবে গৃহকর্মী সেবা প্রদান করে, তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করার অনুমতি দিয়ে এবং আগে থেকে সম্মতি নেওয়া হয়নি এমন কাজ করিয়ে সৌদি শ্রম আইন লঙ্ঘন করেছে।
সৌদির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় জানায়, অভিযুক্ত নিয়োগকর্তাদের জরিমানা করা হয়েছে এবং তাদের নিয়োগের অধিকারও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ২৫টি নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি ন্যূনতম শর্ত পূরণ না করা এবং বেশ কয়েকটি নিয়োগ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে আরও ১১টি নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।
গত আগস্টে সৌদি সরকার চুক্তিভিত্তিক শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় উল্লেখযোগ্য শ্রম আইন সংস্কারে অনুমোদন করেছে।
সৌদি আরবে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী বাংলাদেশী বসবাস করে থাকেন। এর সংখ্যা আনুমানিক ২৫ লাখ।

শ্রম আইন লঙ্ঘন করায় ২২০ নিয়োগকর্তাকে শাস্তি দিয়েছে সৌদি আরব সরকার। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজে প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, অভিযুক্ত নিয়োগকর্তারা তৃতীয় পক্ষ হিসেবে গৃহকর্মী সেবা প্রদান করে, তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করার অনুমতি দিয়ে এবং আগে থেকে সম্মতি নেওয়া হয়নি এমন কাজ করিয়ে সৌদি শ্রম আইন লঙ্ঘন করেছে।
সৌদির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় জানায়, অভিযুক্ত নিয়োগকর্তাদের জরিমানা করা হয়েছে এবং তাদের নিয়োগের অধিকারও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ২৫টি নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি ন্যূনতম শর্ত পূরণ না করা এবং বেশ কয়েকটি নিয়োগ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে আরও ১১টি নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।
গত আগস্টে সৌদি সরকার চুক্তিভিত্তিক শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় উল্লেখযোগ্য শ্রম আইন সংস্কারে অনুমোদন করেছে।
সৌদি আরবে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী বাংলাদেশী বসবাস করে থাকেন। এর সংখ্যা আনুমানিক ২৫ লাখ।
যেসব কর্মী সৌদি আরবে নতুন করে প্রবেশ অথবা কোনো প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরের (ট্রান্সফার) পর ছয় মাসের বেশি সময় পার হলেও তাদের অনুকূলে ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু হয়নি, তাদের চলতি ২০২৬ সালের মধ্যেই ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু বা নবায়নের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের বিষয়ে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশটি ৬-৩ ভোটে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। নিম্ন আদালতের ওই সিদ্ধান্তে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশটি স্থগিত করা হয়েছিল।
লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সায়েন্সের লেবানিজ গবেষক ফাওয়াজ গেরগেস বলেন, চুক্তিটি ‘জন্মের আগেই মৃত’ এবং কাঠামোগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ। কারণ এটি এমন একটি শর্তের ওপর নির্ভর করছে, যা বাস্তবে পূরণ করা অসম্ভব।
মোলেন বলেন, “হয় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পূরণ করে স্থায়ী মর্যাদার আওতায় এখানে থাকার চেষ্টা করুন, নয়তো আমরা আপনাকে নিজ দেশে ফিরে যেতে সহায়তা করব।”