বিডিজেন ডেস্ক
সংস্কার ও নির্বাচন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপিকে টার্গেট করে প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘বিএনপিকে টার্গেট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা প্রচারণা চলছে যে বিএনপি আগে নির্বাচন চায়, পরে সংস্কার অথবা বিএনপি সংস্কার চায় না, নির্বাচন চায়। এটা দিয়ে জনগণের মধ্যে ভ্রান্ত ধারণা সৃষ্টি করা হচ্ছে।’
খবর প্রথম আলোর।
বুধবার (২ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও শহরের কালীবাড়ি এলাকায় নিজ বাসভবনে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল এ কথাগুলো বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা যে বিষয়ে জোর দিচ্ছি, সে বিষয়ে অনেকেই বুঝতে সক্ষম হচ্ছেন না। আমরা কখনই এটা বলছি না—আগে নির্বাচন, পরে সংস্কার। আমরা বলে আসছি; প্রথমত, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য মিনিমাম সংস্কার যেটুকু দরকার, তা করতে হবে। যেমন নির্বাচন ব্যবস্থাকেন্দ্রিক যে সংস্কার, তা করতে হবে; দ্বিতীয়ত, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার সংস্কার করতে হবে; তৃতীয়ত, জুডিশিয়াল রিফর্ম (বিচার ব্যবস্থার সংস্কার) করতে হবে। এই তিনটি বিষয়ে সংস্কার অবশ্যই করতে হবে। আজ যে সংস্কার দাবি উঠেছে, তা বিএনপিরই দাবি।’
বিএনপির মহাসচিব বলেন, বিএনপি যে ৩১ দফার প্রস্তাব দিয়েছে, সেখানে সংবিধান সংস্কার বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে মতামত দিয়েছে। কতগুলো বিষয় আছে যা মীমাংসিত, সেগুলোতে বিএনপি হাত দিতে চায় না।
ফ্যাসিবাদীদের বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংঘাতের আশঙ্কা আছে কি না—প্রশ্ন করলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘পরস্পরবিরোধী মতামত নিয়ে সংঘাতের আশঙ্কা নেই। কারণ, গণতন্ত্রের সৌন্দর্যই হচ্ছে ভিন্ন মত। সব রাজনৈতিক দলের যদি একই রকম মতামত হয়, তবে তো একই ধরনের হয়ে গেল। এখানে একেক দলের একেক মত থাকবে। দেশের জনগণ বেছে নেবেন, কোনটা তাদের জন্য প্রযোজ্য।’ এর সঙ্গে তিনি যুক্ত করেন, ‘দেশের জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সম্পর্ক রয়েছে। আর যারা সংস্কার নিয়ে এসেছেন, তারা জ্ঞানী লোক, পণ্ডিত লোক; বিশাল বিশাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি নিয়ে এসেছেন। তাদের আমরা শ্রদ্ধা করি, সম্মান করি। কিন্তু তারা যদি জনগণের বাইরে গিয়ে কিছু করেন, তবে আমরা সেটাকে সমর্থন করতে পারি না।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, গোটা পৃথিবীতে ডানপন্থীদের একটা উত্থান হয়েছে। তারা এখন বলছেন, ‘গণতন্ত্র ইজ গোয়িং ডাউন।’ জাতিসংঘের মহাসচিব বাংলাদেশ সফরে এলে বিএনপি তাঁর সঙ্গে বৈঠক করে। সেখানে তিনি বলেছিলেন যে ‘গণতন্ত্র এখন বিপদের সম্মুখীন।’ এখন বিভিন্ন দেশে ডানপন্থীদের উত্থান হচ্ছে, কর্তৃত্ববাদের উত্থান হচ্ছে, গণতন্ত্র নিচে নামছে। কিন্তু তারপরও গণতন্ত্রই হচ্ছে শ্রেষ্ঠ ব্যবস্থা, শাসনের জন্য, সুশাসনের জন্য।
সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রচারণাসংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ভারতের মিডিয়ায় যেসব প্রচার হচ্ছে, সেগুলো যে ডাহা মিথ্যা, এটা আপনারা ভালো করে জানেন। ঠাকুরগাঁওয়ে প্রথম দিকে কিছু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপরে অন্যায় হয়েছে। কিন্তু গত কয়েক মাসে কী এসব হয়েছে? অথচ ভারতের মিডিয়ার বয়ানে দেখবেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর চরম অন্যায় হচ্ছে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন পোস্ট নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি সোশ্যাল মিডিয়া দেখি না। কারণ, সোশ্যাল মিডিয়া হচ্ছে একটা মিস ইনফরমেশন, মিথ্যা প্রচার ও অপপ্রচারের কারখানা।’
দলীয় নেতা-কর্মীদের অপরাধ নিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘ইতিমধ্যে দলীয় কিছু ব্যক্তি, কিছু কিছু কাজ (অপরাধ) করেছিল, যা আমরা প্রশ্রয় দিই না; তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কোথাও কোথাও সংগঠনের কমিটি ভেঙে দিয়েছি, দলের নেতাদের দল থেকে বহিষ্কার করেছি।’
এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সহসভাপতি ওয়াদুল্লাহ মাসুদ, আবু তাহের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলামসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: প্রথম আলো
সংস্কার ও নির্বাচন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপিকে টার্গেট করে প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘বিএনপিকে টার্গেট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা প্রচারণা চলছে যে বিএনপি আগে নির্বাচন চায়, পরে সংস্কার অথবা বিএনপি সংস্কার চায় না, নির্বাচন চায়। এটা দিয়ে জনগণের মধ্যে ভ্রান্ত ধারণা সৃষ্টি করা হচ্ছে।’
খবর প্রথম আলোর।
বুধবার (২ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও শহরের কালীবাড়ি এলাকায় নিজ বাসভবনে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল এ কথাগুলো বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা যে বিষয়ে জোর দিচ্ছি, সে বিষয়ে অনেকেই বুঝতে সক্ষম হচ্ছেন না। আমরা কখনই এটা বলছি না—আগে নির্বাচন, পরে সংস্কার। আমরা বলে আসছি; প্রথমত, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য মিনিমাম সংস্কার যেটুকু দরকার, তা করতে হবে। যেমন নির্বাচন ব্যবস্থাকেন্দ্রিক যে সংস্কার, তা করতে হবে; দ্বিতীয়ত, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার সংস্কার করতে হবে; তৃতীয়ত, জুডিশিয়াল রিফর্ম (বিচার ব্যবস্থার সংস্কার) করতে হবে। এই তিনটি বিষয়ে সংস্কার অবশ্যই করতে হবে। আজ যে সংস্কার দাবি উঠেছে, তা বিএনপিরই দাবি।’
বিএনপির মহাসচিব বলেন, বিএনপি যে ৩১ দফার প্রস্তাব দিয়েছে, সেখানে সংবিধান সংস্কার বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে মতামত দিয়েছে। কতগুলো বিষয় আছে যা মীমাংসিত, সেগুলোতে বিএনপি হাত দিতে চায় না।
ফ্যাসিবাদীদের বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংঘাতের আশঙ্কা আছে কি না—প্রশ্ন করলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘পরস্পরবিরোধী মতামত নিয়ে সংঘাতের আশঙ্কা নেই। কারণ, গণতন্ত্রের সৌন্দর্যই হচ্ছে ভিন্ন মত। সব রাজনৈতিক দলের যদি একই রকম মতামত হয়, তবে তো একই ধরনের হয়ে গেল। এখানে একেক দলের একেক মত থাকবে। দেশের জনগণ বেছে নেবেন, কোনটা তাদের জন্য প্রযোজ্য।’ এর সঙ্গে তিনি যুক্ত করেন, ‘দেশের জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সম্পর্ক রয়েছে। আর যারা সংস্কার নিয়ে এসেছেন, তারা জ্ঞানী লোক, পণ্ডিত লোক; বিশাল বিশাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি নিয়ে এসেছেন। তাদের আমরা শ্রদ্ধা করি, সম্মান করি। কিন্তু তারা যদি জনগণের বাইরে গিয়ে কিছু করেন, তবে আমরা সেটাকে সমর্থন করতে পারি না।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, গোটা পৃথিবীতে ডানপন্থীদের একটা উত্থান হয়েছে। তারা এখন বলছেন, ‘গণতন্ত্র ইজ গোয়িং ডাউন।’ জাতিসংঘের মহাসচিব বাংলাদেশ সফরে এলে বিএনপি তাঁর সঙ্গে বৈঠক করে। সেখানে তিনি বলেছিলেন যে ‘গণতন্ত্র এখন বিপদের সম্মুখীন।’ এখন বিভিন্ন দেশে ডানপন্থীদের উত্থান হচ্ছে, কর্তৃত্ববাদের উত্থান হচ্ছে, গণতন্ত্র নিচে নামছে। কিন্তু তারপরও গণতন্ত্রই হচ্ছে শ্রেষ্ঠ ব্যবস্থা, শাসনের জন্য, সুশাসনের জন্য।
সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রচারণাসংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ভারতের মিডিয়ায় যেসব প্রচার হচ্ছে, সেগুলো যে ডাহা মিথ্যা, এটা আপনারা ভালো করে জানেন। ঠাকুরগাঁওয়ে প্রথম দিকে কিছু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপরে অন্যায় হয়েছে। কিন্তু গত কয়েক মাসে কী এসব হয়েছে? অথচ ভারতের মিডিয়ার বয়ানে দেখবেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর চরম অন্যায় হচ্ছে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন পোস্ট নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি সোশ্যাল মিডিয়া দেখি না। কারণ, সোশ্যাল মিডিয়া হচ্ছে একটা মিস ইনফরমেশন, মিথ্যা প্রচার ও অপপ্রচারের কারখানা।’
দলীয় নেতা-কর্মীদের অপরাধ নিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘ইতিমধ্যে দলীয় কিছু ব্যক্তি, কিছু কিছু কাজ (অপরাধ) করেছিল, যা আমরা প্রশ্রয় দিই না; তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কোথাও কোথাও সংগঠনের কমিটি ভেঙে দিয়েছি, দলের নেতাদের দল থেকে বহিষ্কার করেছি।’
এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সহসভাপতি ওয়াদুল্লাহ মাসুদ, আবু তাহের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলামসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: প্রথম আলো
পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি আগামীকাল শুক্রবার (৪ এপ্রিল) শুরু হচ্ছে। পাহাড়িদের প্রধানতম এই সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে ৪ দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডে ট্রেনের মাঝে থাকা পাওয়ার কার বগির জেনারেটর ও অন্য যন্ত্রাংশ পুড়ে যায়। খবর পেয়ে শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নেভায়। পরে বেলা ১টার দিকে ট্রেনটি গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রা করে। এর আগে বেলা ১১টা থেকে ২ ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল।
বিভিন্ন দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য আমদানির ওপর বাড়তি শুল্কারোপ করে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণার সমালোচনা করেছেন বিশ্বনেতারা। তাঁদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদেশ ইতালির জর্জিয়া মেলোনি ও অস্ট্রেলিয়ার অ্যালবানিজও রয়েছেন।
বাংলাদেশে কয়েক দিন ধরেই বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হচ্ছে, তাপপ্রবাহের অঞ্চল পরিধি বেড়ে ১০টি জেলায় সম্প্রসারিত হয়েছে।