logo
খবর

লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক, দক্ষ জনশক্তি নিয়োগ বাড়ানোর আগ্রহ

বিডিজেন ডেস্ক
বিডিজেন ডেস্ক১৩ জুলাই ২০২৬
Copied!
লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক, দক্ষ জনশক্তি নিয়োগ বাড়ানোর আগ্রহ
লিবিয়ার জাতীয় ঐকমত্য সরকারের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার সালেম আল-জাদমার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহ। ছবি: বাংলাদেশ দূতাবাস, লিবিয়ার সৌজন্যে

লিবিয়ার জাতীয় ঐকমত্য সরকারের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার সালেম আল-জাদমার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহ। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের উপায় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।

বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

রোববার (১২ জুলাই) অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে উপ-প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর (শ্রম) উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দেশটির একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি লিবিয়ার বিভিন্ন খাতে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকদের অবদানের প্রশংসা করেন এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

তিনি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধ এবং নিয়মিত ও নিরাপদ অভিবাসন ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করতে লিবিয়া সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

রাষ্ট্রদূত মো. হাবীব উল্লাহ বাংলাদেশ ও লিবিয়ার মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত ও বহুমাত্রিক করার লক্ষ্যে বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি লিবিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা, অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে জাতীয় ঐকমত্য সরকারের অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেন। একই সঙ্গে লিবিয়ার স্বাস্থ্যখাতে দায়িত্ব পালন শেষে দেশে ফিরে আসা বাংলাদেশি স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়ে উপ-প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চান।

রাষ্ট্রদূত নিয়মিত ও দক্ষ জনশক্তি অভিবাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা তুলে ধরে এ লক্ষ্যে উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকে জ্বালানি, কৃষি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ সম্ভাবনাময় বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময় এবং প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ বৃদ্ধির বিষয়েও মতবিনিময় হয়।

বৈঠকের শেষে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে নিয়মিত যোগাযোগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

আরও দেখুন

লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক, দক্ষ জনশক্তি নিয়োগ বাড়ানোর আগ্রহ

লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক, দক্ষ জনশক্তি নিয়োগ বাড়ানোর আগ্রহ

বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

১৩ জুলাই ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর সোমবার থেকে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হয়েছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর সোমবার থেকে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হয়েছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।

০৭ জুলাই ২০২৬

মালয়েশিয়া শ্রমবাজার দুর্নীতি: রিক্রুটিং এজেন্সি মালিকদের ব্যক্তিগত সম্পদ খতিয়ে দেখছে দুদক

মালয়েশিয়া শ্রমবাজার দুর্নীতি: রিক্রুটিং এজেন্সি মালিকদের ব্যক্তিগত সম্পদ খতিয়ে দেখছে দুদক

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

০৬ জুলাই ২০২৬

প্রবাসী শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর

প্রবাসী শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর

নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”

০৬ জুলাই ২০২৬