
বিডিজেন ডেস্ক

প্রবাসীদের মানবাধিকার সংরক্ষণ ও সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ প্রবাসী নেটওয়ার্ক (বিপিএন)।
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) মানবাধিকার কমিশনের সচিব সেবাস্টিন রেমার হাতে স্মারকলিপিটি জমা দেন সংগঠনটির আহ্বায়ক মোহাম্মাদ বাইজিদ আল-হাসান। পরে একই দিন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি আরও একটি অনুলিপি দিয়েছে সংগঠনটি।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস বিশ্বের প্রতিটি দেশের নাগরিকের মানবাধিকার নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্ববহ একটি দিন। দিবসটি উপলক্ষে বিপিএন প্রবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরতে চায়।
দাবিগুলো হলো- কর্মীর বিদেশ গমনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুত কাজ নিশ্চিত করা, নিম্নমানের আবাসন ও মালিক কর্তৃক অমানবিক আচরণের প্রতিকার, পারিবারিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া এবং কনস্যুলেট অফিসগুলোর ভূমিকা আরও শক্তিশালী করা।
স্মারকলিপিতে শ্রমিকদের দ্রুত সহায়তা দিতে বিদেশে বাংলাদেশি কনস্যুলেটগুলোতে কর্মী সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি দ্রুত প্রবাসীদের সেবা প্রদানের ব্যবস্থাসহ তাদের মানবাধিকার রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানানো হয়।

প্রবাসীদের মানবাধিকার সংরক্ষণ ও সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ প্রবাসী নেটওয়ার্ক (বিপিএন)।
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) মানবাধিকার কমিশনের সচিব সেবাস্টিন রেমার হাতে স্মারকলিপিটি জমা দেন সংগঠনটির আহ্বায়ক মোহাম্মাদ বাইজিদ আল-হাসান। পরে একই দিন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি আরও একটি অনুলিপি দিয়েছে সংগঠনটি।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস বিশ্বের প্রতিটি দেশের নাগরিকের মানবাধিকার নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্ববহ একটি দিন। দিবসটি উপলক্ষে বিপিএন প্রবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরতে চায়।
দাবিগুলো হলো- কর্মীর বিদেশ গমনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুত কাজ নিশ্চিত করা, নিম্নমানের আবাসন ও মালিক কর্তৃক অমানবিক আচরণের প্রতিকার, পারিবারিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া এবং কনস্যুলেট অফিসগুলোর ভূমিকা আরও শক্তিশালী করা।
স্মারকলিপিতে শ্রমিকদের দ্রুত সহায়তা দিতে বিদেশে বাংলাদেশি কনস্যুলেটগুলোতে কর্মী সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি দ্রুত প্রবাসীদের সেবা প্রদানের ব্যবস্থাসহ তাদের মানবাধিকার রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানানো হয়।
অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে নানা অভিযোগ ও সংকটে বৈদেশিক শ্রমবাজার সংকুচিত হয়েছে। ২০২৪ সালের মে মাসের পর থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। এর আগেও নানা অভিযোগের কারণে দেশটির শ্রমবাজার বন্ধ হয়েছে।
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬-এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিফজুর রহমান গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বলেন, আমি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান কিন্তু আমার পাসপোর্ট ও টাকা পাইনি। এসব আমি যেকোনোভাবে ফেরত চাই।