

প্রতিবেদক, বিডিজেন

দেশব্যাপী নারীর প্রতি সহিংসতা, ধর্ষণের প্রতিবাদে এবং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে রাজধানী ঢাকায় বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল হয়েছে। 'প্রগতিশীল সমাজ' ব্যানারে মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে শাহবাগ থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্য হয়ে শহীদ মিনারে যায়। সেখানে বিক্ষোভকারীরা সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে।
সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়ন, যুব ইউনিয়ন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট মহিলা ফোরাম, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী, নিপীড়নবিরোধী শাহবাগ, বিসিএল ছাত্রলীগ, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, কেন্দ্রীয় খেলাঘরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা ধর্ষণ ও নিপীড়নের প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে ন্যায়বিচার দাবি করেন এবং সরকারের সমালোচনা করেন। মঙ্গলবার দুপুরে ধর্ষণবিরোধী মিছিলে পুলিশের হামলারও নিন্দা জানান তারা। এ ছাড়া, সমাবেশ থেকে আগামী ১৫ মার্চ আরেকটি গণসমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়।
সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এ কর্মসূচি ঘোষণা করে বলেন, 'দেশব্যাপী ধর্ষণ ঠেকাতে ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি দাবিতে আগামী ১৫ মার্চ সকাল ১১টায় শাহবাগে গণসমাবেশ হবে।'
সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি লাকি আক্তার দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, 'গণআন্দোলন গড়ে তুলুন। প্রয়োজনে জুলাই মাসের মতো গণআন্দোলন শুরু করুন। যদি নিরাপত্তা দিতে না পারেন, তাহলে হাসিনার মতো এই সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করুন।'
সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রাইহান উদ্দিন বলেন, ‘এ অথর্ব স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কেবল মব তৈরি করেছে। এখন পর্যন্ত কোনো বিচার করতে পারেননি। আমরা নিপীড়কদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগও দাবি করছি।’

উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে বলেন, ‘সারা দেশে মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা নেই। আজকে এ মশাল মিছিলে মশালের মধ্য দিয়ে আমরা যে আগুন জ্বালিয়েছি, নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত তা প্রজ্বলিত থাকবে।’
মঙ্গলবার দুপুরে ধর্ষণবিরোধী পদযাত্রায় পুলিশের সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থী সানাম খান বলেন, ‘বেআইনিভাবে আইনের রক্ষ করা আমাদের ওপর হামলা করেছে। পুরুষ পুলিশ নারীদের গায়ে হাত তুলেছে। আমাকে চুলের মুঠি ধরে রাস্তায় পায়ের নিচে ফেলে দিয়েছে।’
সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট মহিলা ফোরামের নেত্রী রোকসানা আক্তার আশা বলেন, ‘যখনই কোনো অস্থিরতা সৃষ্টি হয় তার ভুক্তভোগী হয় নারীরা। দেশে নারীদের নিরাপদে বসবাস করার অধিকার নেই। ইন্টেরিম ‘তৌহিদি জনতার’ কাছে মাথা নিচু করে রেখেছে।’
তিনি বলেন, ‘যারা মানুষের রক্তের ওপর ভর করে ক্ষমতায় এসেছে তাদের দায়িত্ব মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। হয়তো দায়িত্ব পালন করুন না হয় পদত্যাগ করুন।’

দেশব্যাপী নারীর প্রতি সহিংসতা, ধর্ষণের প্রতিবাদে এবং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে রাজধানী ঢাকায় বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল হয়েছে। 'প্রগতিশীল সমাজ' ব্যানারে মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে শাহবাগ থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্য হয়ে শহীদ মিনারে যায়। সেখানে বিক্ষোভকারীরা সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে।
সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়ন, যুব ইউনিয়ন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট মহিলা ফোরাম, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী, নিপীড়নবিরোধী শাহবাগ, বিসিএল ছাত্রলীগ, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, কেন্দ্রীয় খেলাঘরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা ধর্ষণ ও নিপীড়নের প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে ন্যায়বিচার দাবি করেন এবং সরকারের সমালোচনা করেন। মঙ্গলবার দুপুরে ধর্ষণবিরোধী মিছিলে পুলিশের হামলারও নিন্দা জানান তারা। এ ছাড়া, সমাবেশ থেকে আগামী ১৫ মার্চ আরেকটি গণসমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়।
সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এ কর্মসূচি ঘোষণা করে বলেন, 'দেশব্যাপী ধর্ষণ ঠেকাতে ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি দাবিতে আগামী ১৫ মার্চ সকাল ১১টায় শাহবাগে গণসমাবেশ হবে।'
সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি লাকি আক্তার দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, 'গণআন্দোলন গড়ে তুলুন। প্রয়োজনে জুলাই মাসের মতো গণআন্দোলন শুরু করুন। যদি নিরাপত্তা দিতে না পারেন, তাহলে হাসিনার মতো এই সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করুন।'
সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রাইহান উদ্দিন বলেন, ‘এ অথর্ব স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কেবল মব তৈরি করেছে। এখন পর্যন্ত কোনো বিচার করতে পারেননি। আমরা নিপীড়কদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগও দাবি করছি।’

উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে বলেন, ‘সারা দেশে মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা নেই। আজকে এ মশাল মিছিলে মশালের মধ্য দিয়ে আমরা যে আগুন জ্বালিয়েছি, নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত তা প্রজ্বলিত থাকবে।’
মঙ্গলবার দুপুরে ধর্ষণবিরোধী পদযাত্রায় পুলিশের সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থী সানাম খান বলেন, ‘বেআইনিভাবে আইনের রক্ষ করা আমাদের ওপর হামলা করেছে। পুরুষ পুলিশ নারীদের গায়ে হাত তুলেছে। আমাকে চুলের মুঠি ধরে রাস্তায় পায়ের নিচে ফেলে দিয়েছে।’
সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট মহিলা ফোরামের নেত্রী রোকসানা আক্তার আশা বলেন, ‘যখনই কোনো অস্থিরতা সৃষ্টি হয় তার ভুক্তভোগী হয় নারীরা। দেশে নারীদের নিরাপদে বসবাস করার অধিকার নেই। ইন্টেরিম ‘তৌহিদি জনতার’ কাছে মাথা নিচু করে রেখেছে।’
তিনি বলেন, ‘যারা মানুষের রক্তের ওপর ভর করে ক্ষমতায় এসেছে তাদের দায়িত্ব মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। হয়তো দায়িত্ব পালন করুন না হয় পদত্যাগ করুন।’
শামা ওবায়েদ আশা প্রকাশ করেন, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত পরিচালনা করবে এবং নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দায়ীদের বিচারের আওতায় আনবে।
সেমিনারে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ বা জনতাত্ত্বিক লভ্যাংশের সুবর্ণ সময়ে অবস্থান করছে। আমাদের এই বিশাল কর্মক্ষম জনশক্তিকে কেবল শ্রমিক হিসেবে নয়, বরং উন্নত জ্ঞান ও দক্ষতায় প্রশিক্ষিত করে বিশ্ববাজারে পাঠাতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সাপোর্টিং দ্য ট্রানজিশন টুওয়ার্ডস এ সাসটেইনেবল বায়োইকোনমি ইন এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক’ শীর্ষক রেজুলেশনটি বাংলাদেশের উদ্যোগে উত্থাপিত হয় এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সর্বসম্মত সমর্থনে গৃহীত হয়। যা এ অঞ্চলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সক্ষমতার স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আফ্রিকায় শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক ডাকার আন্তর্জাতিক ফোরামের ফাঁকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম সেনেগালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ নিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠককালে এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।