
প্রতিবেদক, বিডিজেন

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের বিষয়টি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা সরাসরি দেশটির প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা নিজেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের কাছে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরবেন।
আজ শনিবার (৫ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ নিয়ে যমুনায় ধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে বৈঠক হয়।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের ওপরে আরোপিত শুল্ক এবং আমাদের বাণিজ্যের যে ধরন ও গঠন, তার ওপর ভিত্তি করে আমরা প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনা...এবং প্রধান উপদেষ্টা নিজেই যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের সাথে সংযুক্ত হবেন এ বিষয়ে আমাদের অবস্থানকে তুলে ধরার জন্য।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের করণীয়গুলো বোঝার চেষ্টা করছি। আমরা এখানে সম্ভাবনাও দেখছি। বিপরীত বিষয়গুলো উপলব্ধি করে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে এনে তুলনামূলকভাবে আমাদের প্রতিযোগী দেশ থেকে ভালো অবস্থানে যাওয়ার প্রচেষ্টায় রত আছি।’
দুই পক্ষের স্বার্থ রক্ষা করে কীভাবে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, ‘আমদানি বৃদ্ধির মাধ্যমে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো যেতে পারে। আমরা সয়াবিন তেল, পোশাকশিল্পের জন্য তুলা, মেটাল স্ক্র্যাপ আমদানি করি যুক্তরাষ্ট্র থেকে। এ ছাড়া, শিল্প যন্ত্রাংশ, জ্বালানি পণ্য আমদানি করি। জ্বালানি পণ্য আমরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করি। সামষ্টিকভাবে আমাদের অর্থনীতির জন্য যা ভালো, সেগুলো সমন্বয় করে আমদানি করব।’
আরও পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের বিষয়টি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা সরাসরি দেশটির প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা নিজেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের কাছে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরবেন।
আজ শনিবার (৫ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ নিয়ে যমুনায় ধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে বৈঠক হয়।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের ওপরে আরোপিত শুল্ক এবং আমাদের বাণিজ্যের যে ধরন ও গঠন, তার ওপর ভিত্তি করে আমরা প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনা...এবং প্রধান উপদেষ্টা নিজেই যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের সাথে সংযুক্ত হবেন এ বিষয়ে আমাদের অবস্থানকে তুলে ধরার জন্য।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের করণীয়গুলো বোঝার চেষ্টা করছি। আমরা এখানে সম্ভাবনাও দেখছি। বিপরীত বিষয়গুলো উপলব্ধি করে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে এনে তুলনামূলকভাবে আমাদের প্রতিযোগী দেশ থেকে ভালো অবস্থানে যাওয়ার প্রচেষ্টায় রত আছি।’
দুই পক্ষের স্বার্থ রক্ষা করে কীভাবে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, ‘আমদানি বৃদ্ধির মাধ্যমে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো যেতে পারে। আমরা সয়াবিন তেল, পোশাকশিল্পের জন্য তুলা, মেটাল স্ক্র্যাপ আমদানি করি যুক্তরাষ্ট্র থেকে। এ ছাড়া, শিল্প যন্ত্রাংশ, জ্বালানি পণ্য আমদানি করি। জ্বালানি পণ্য আমরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করি। সামষ্টিকভাবে আমাদের অর্থনীতির জন্য যা ভালো, সেগুলো সমন্বয় করে আমদানি করব।’
আরও পড়ুন
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষমাপ্রাপ্ত সব বাংলাদেশি ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। তারা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে আটক হয়েছিলেন।
সংলাপে মূলত ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—বায়রাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নৈতিক নিয়োগ নিশ্চিতকরণে প্রার্থীদের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশে ও গন্তব্য দেশসমূহে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খলিলুর রহমান আমেরিকা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কৃষিপণ্য আমদানি বাড়ানোর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি সাম্প্রতিক ভিসা বন্ডের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আমেরিকায় ভ্রমণ সহজ করার অনুরোধ জানান।