
প্রতিবেদক, বিডিজেন

এক ভিডিওতে শাকিব খানকে দেখা গেছে অপু বিশ্বাসের সঙ্গে। মূলত সন্তান আব্রাহাম খান জয়কে নিয়ে ঈদের ছুটিতে বেরিয়েছিলেন তারা। সে ভিডিও সামনে আসার পর শুরু হয়েছে নতুন গুঞ্জন। এমন গুঞ্জনের মধ্যেই শাকিব খানের আরেক সাবেক স্ত্রী বুবলী দিয়েছেন স্ট্যাটাস।
মঙ্গলবার বুবলী তার দেওয়া স্ট্যাটাসে লিখলেন, কিছু কিছু ভাইয়া আপুরা অনুগ্রহ করে কিছু না জেনে কারো চালাকি প্ররোচনায় পড়ে আজেবাজে, ভুয়া, নোংরা ভিডিও বানানো, কমেন্ট করা এবং ট্যাগ করা বন্ধ করুন বিশেষ করে বাচ্চাদের নিয়ে । বাবা শাকিব খান তার সব সন্তানদের ভীষন ভালোবাসেন , সময় দেন, শুধু শুধু সন্তানদের মধ্যে বিভাজন করবেন না এবং হিংসাত্মক মনোভাব ছড়াবেন না।
বুবলী আরও লেখেন, সব বাবা মায়ের মতো আমরাও আমাদের সর্বোচ্চটা দিয়ে আমাদের সন্তানকে ভালো রাখতে চাই কারণ পরিবারের বন্ধন সবচেয়ে সুন্দর এবং শক্তিশালী। বাচ্চা রা বড় হচ্ছে , তাদের কে নেগেটিভিটি থেকে দূরে রাখুন প্লিজ।
পরিশেষে বুবলী লিখেছেন, কিছুদিন আগের জন্মদিনের এই সুন্দর মুহূর্তের মতোই ঈদ ও শেহজাদ তার বাবা মা সহ পুরো পরিবারের সাথেই আনন্দ করে কাটিয়েছে। এই ভালোবাসা প্রতিদিনের, ঠিক স্পেশাল দিন গুলোর মতোই।
আরও পড়ুন

এক ভিডিওতে শাকিব খানকে দেখা গেছে অপু বিশ্বাসের সঙ্গে। মূলত সন্তান আব্রাহাম খান জয়কে নিয়ে ঈদের ছুটিতে বেরিয়েছিলেন তারা। সে ভিডিও সামনে আসার পর শুরু হয়েছে নতুন গুঞ্জন। এমন গুঞ্জনের মধ্যেই শাকিব খানের আরেক সাবেক স্ত্রী বুবলী দিয়েছেন স্ট্যাটাস।
মঙ্গলবার বুবলী তার দেওয়া স্ট্যাটাসে লিখলেন, কিছু কিছু ভাইয়া আপুরা অনুগ্রহ করে কিছু না জেনে কারো চালাকি প্ররোচনায় পড়ে আজেবাজে, ভুয়া, নোংরা ভিডিও বানানো, কমেন্ট করা এবং ট্যাগ করা বন্ধ করুন বিশেষ করে বাচ্চাদের নিয়ে । বাবা শাকিব খান তার সব সন্তানদের ভীষন ভালোবাসেন , সময় দেন, শুধু শুধু সন্তানদের মধ্যে বিভাজন করবেন না এবং হিংসাত্মক মনোভাব ছড়াবেন না।
বুবলী আরও লেখেন, সব বাবা মায়ের মতো আমরাও আমাদের সর্বোচ্চটা দিয়ে আমাদের সন্তানকে ভালো রাখতে চাই কারণ পরিবারের বন্ধন সবচেয়ে সুন্দর এবং শক্তিশালী। বাচ্চা রা বড় হচ্ছে , তাদের কে নেগেটিভিটি থেকে দূরে রাখুন প্লিজ।
পরিশেষে বুবলী লিখেছেন, কিছুদিন আগের জন্মদিনের এই সুন্দর মুহূর্তের মতোই ঈদ ও শেহজাদ তার বাবা মা সহ পুরো পরিবারের সাথেই আনন্দ করে কাটিয়েছে। এই ভালোবাসা প্রতিদিনের, ঠিক স্পেশাল দিন গুলোর মতোই।
আরও পড়ুন
২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তিউনিশিয়া উপকূলে পৌঁছানোর আগেই নৌকাটি ডুবে গেলে ৮ বাংলাদেশি নাগরিক মারা যান। তারা হলেন সজল বৈরাগী, মামুন শেখ, নয়ন বিশ্বাস, কাজী সজিব, কায়সার খলিফা, মো. রিফাত শেখ, রাসেল শেখ এবং ইমরুল কায়েস আপন।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষমাপ্রাপ্ত সব বাংলাদেশি ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। তারা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে আটক হয়েছিলেন।
সংলাপে মূলত ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—বায়রাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নৈতিক নিয়োগ নিশ্চিতকরণে প্রার্থীদের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশে ও গন্তব্য দেশসমূহে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।