

বিডিজেন ডেস্ক

দেশে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স এলেও, ২০২৪ সালে বিদেশে বাংলাদেশি কর্মী যাওয়া কমেছে ২২ দশমিক ৫ শতাংশ।
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুসারে, ২০২৪ সালে বিদেশে কর্মী গেছেন মোট ১০ লাখ ১১ হাজার ৮৫৬ জন। ২০২৩ সালে গিয়েছিলের ১৩ লাখ ৫ হাজার ৪৫৩ জন। সেই হিসাবে ২ লাখ ৯৩ হাজার ৫৯৭ জন কম গেছেন।
২০২৪ সালে ৯০ শতাংশ কর্মী গেছেন মাত্র ৫টি দেশে। দেশগুলো হচ্ছে সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, কাতার, সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। তবে বাংলাদেশি কর্মীদের এখনো প্রধান গন্তব্য সৌদি আরব। ২০২৪ সালে মোট কর্মীর মধ্যে ৬০ শতাংশ গেছে এই দেশটিতে। ২০৩৪ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজক হয়েছে সৌদি আরব। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, দেশটিতে ফুটবল অবকাঠামো নির্মাণের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এতে কর্মীর চাহিদা আসছে নিয়মিত।
অন্যদিকে মালয়েশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শ্রমবাজার বন্ধ রয়েছে। বাংলাদেশের জন্য আরেক বড় শ্রমবাজার ওমানেও কর্মী নিয়োগ বর্তমানে বন্ধ। ফলে চলতি বছর বিদেশে কর্মী পাঠানো আরও কমার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
২০২৩ সালে মালয়েশিয়ায় কাজ নিয়ে যান সাড়ে ৩ লাখের বেশি কর্মী। ২০২৪ সালের জুন থেকে দেশটির শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে গেছে। ২০২৪ সালে দেশটিতে সব মিলে কর্মী যেতে পেরেছেন ১ লাখের কম। ওমানে ২০২৩ সালে কর্মী গিয়েছিলেন ১ লাখ ২৫ হাজারের বেশি। ২০২৪ সালে ওমানের শ্রমবাজার বন্ধ থাকায় দেশটিতে কর্মী গেছেন মাত্র ৩৫৮ জন। আমিরাতে ২০২৩ সালে কর্মী গিয়েছিলেন প্রায় ১ লাখ। ২০২৪ সালে দেশটিতে কর্মী গেছেন ৪৭ হাজার।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারি চলাকালে বাংলাদেশিদের বিদেশে যাওয়া রেকর্ড সংখ্যক কমে ২ লাখ ১৭ হাজার ৬৬৯ জনে দাঁড়ায়। তবে, এর পরে বাংলাদেশিদের বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা ছিল ঊর্ধ্বমুখী। ২০২১ সালে এই সংখ্যা ৩ গুণ বেড়ে ৬ লাখ ১৭ হাজার ২০৯ জনে দাঁড়ায়। ২০২২ সালে এই সংখ্যা বেড়ে ১১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৭৩ জনে পৌঁছায়। ২০২৩ সালে সর্বোচ্চসংখ্যক ১৩ লাখ ৫ হাজার ৪৫৩ জন বিদেশে গেছেন।
বিএমইটির প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, নারী শ্রমিকের বিদেশে যাওয়া হার উদ্বেগজনক হারে কমেছে। ২০২৪ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ৫৪ হাজার ৬৯৬ জন নারী বিদেশে গেছেন, যা আগের বছরের তুলনায় ২২ শতাংশ কম।
কর্মী কমলেও বেড়েছে প্রবাসী আয়
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে প্রবাসীরা দেশে রেকর্ড ২ হাজার ৬৭০ কোটি ইউএস ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এত বেশি রেমিট্যান্স আগে কোনো বছর আসেনি। এর আগে ২০২১ সালে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছিল রেমিট্যান্স।

দেশে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স এলেও, ২০২৪ সালে বিদেশে বাংলাদেশি কর্মী যাওয়া কমেছে ২২ দশমিক ৫ শতাংশ।
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুসারে, ২০২৪ সালে বিদেশে কর্মী গেছেন মোট ১০ লাখ ১১ হাজার ৮৫৬ জন। ২০২৩ সালে গিয়েছিলের ১৩ লাখ ৫ হাজার ৪৫৩ জন। সেই হিসাবে ২ লাখ ৯৩ হাজার ৫৯৭ জন কম গেছেন।
২০২৪ সালে ৯০ শতাংশ কর্মী গেছেন মাত্র ৫টি দেশে। দেশগুলো হচ্ছে সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, কাতার, সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। তবে বাংলাদেশি কর্মীদের এখনো প্রধান গন্তব্য সৌদি আরব। ২০২৪ সালে মোট কর্মীর মধ্যে ৬০ শতাংশ গেছে এই দেশটিতে। ২০৩৪ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজক হয়েছে সৌদি আরব। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, দেশটিতে ফুটবল অবকাঠামো নির্মাণের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এতে কর্মীর চাহিদা আসছে নিয়মিত।
অন্যদিকে মালয়েশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শ্রমবাজার বন্ধ রয়েছে। বাংলাদেশের জন্য আরেক বড় শ্রমবাজার ওমানেও কর্মী নিয়োগ বর্তমানে বন্ধ। ফলে চলতি বছর বিদেশে কর্মী পাঠানো আরও কমার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
২০২৩ সালে মালয়েশিয়ায় কাজ নিয়ে যান সাড়ে ৩ লাখের বেশি কর্মী। ২০২৪ সালের জুন থেকে দেশটির শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে গেছে। ২০২৪ সালে দেশটিতে সব মিলে কর্মী যেতে পেরেছেন ১ লাখের কম। ওমানে ২০২৩ সালে কর্মী গিয়েছিলেন ১ লাখ ২৫ হাজারের বেশি। ২০২৪ সালে ওমানের শ্রমবাজার বন্ধ থাকায় দেশটিতে কর্মী গেছেন মাত্র ৩৫৮ জন। আমিরাতে ২০২৩ সালে কর্মী গিয়েছিলেন প্রায় ১ লাখ। ২০২৪ সালে দেশটিতে কর্মী গেছেন ৪৭ হাজার।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারি চলাকালে বাংলাদেশিদের বিদেশে যাওয়া রেকর্ড সংখ্যক কমে ২ লাখ ১৭ হাজার ৬৬৯ জনে দাঁড়ায়। তবে, এর পরে বাংলাদেশিদের বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা ছিল ঊর্ধ্বমুখী। ২০২১ সালে এই সংখ্যা ৩ গুণ বেড়ে ৬ লাখ ১৭ হাজার ২০৯ জনে দাঁড়ায়। ২০২২ সালে এই সংখ্যা বেড়ে ১১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৭৩ জনে পৌঁছায়। ২০২৩ সালে সর্বোচ্চসংখ্যক ১৩ লাখ ৫ হাজার ৪৫৩ জন বিদেশে গেছেন।
বিএমইটির প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, নারী শ্রমিকের বিদেশে যাওয়া হার উদ্বেগজনক হারে কমেছে। ২০২৪ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ৫৪ হাজার ৬৯৬ জন নারী বিদেশে গেছেন, যা আগের বছরের তুলনায় ২২ শতাংশ কম।
কর্মী কমলেও বেড়েছে প্রবাসী আয়
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে প্রবাসীরা দেশে রেকর্ড ২ হাজার ৬৭০ কোটি ইউএস ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এত বেশি রেমিট্যান্স আগে কোনো বছর আসেনি। এর আগে ২০২১ সালে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছিল রেমিট্যান্স।
শামা ওবায়েদ আশা প্রকাশ করেন, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত পরিচালনা করবে এবং নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দায়ীদের বিচারের আওতায় আনবে।
সেমিনারে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ বা জনতাত্ত্বিক লভ্যাংশের সুবর্ণ সময়ে অবস্থান করছে। আমাদের এই বিশাল কর্মক্ষম জনশক্তিকে কেবল শ্রমিক হিসেবে নয়, বরং উন্নত জ্ঞান ও দক্ষতায় প্রশিক্ষিত করে বিশ্ববাজারে পাঠাতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সাপোর্টিং দ্য ট্রানজিশন টুওয়ার্ডস এ সাসটেইনেবল বায়োইকোনমি ইন এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক’ শীর্ষক রেজুলেশনটি বাংলাদেশের উদ্যোগে উত্থাপিত হয় এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সর্বসম্মত সমর্থনে গৃহীত হয়। যা এ অঞ্চলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সক্ষমতার স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আফ্রিকায় শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক ডাকার আন্তর্জাতিক ফোরামের ফাঁকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম সেনেগালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ নিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠককালে এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।