
বিডিজেন ডেস্ক

তাপমাত্রা কমে যাওয়ার সঙ্গে শীতের তীব্রতা অনুভূত হচ্ছে হিমালয় ছোঁয়া দেশের উত্তরের জেলা দিনাজপুরে। শরীরে কাঁপন ধরাচ্ছে হিমেল বাতাস।
শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ৬টা এবং ৯টায় দিনাজপুরের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে তাপমাত্রা বিরাজ করছে ১৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। সেই সঙ্গে শীতল বাতাস বইছে ঘণ্টায় ২ কিলোমিটার বেগে। এতে শীতের তীব্রতা বেড়েছে কয়েক গুণ।
দিনাজপুরের আবহাওয়ার অফিসের কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসাইন জানান, গত কয়েক দিন ধরে কুয়াশামুক্ত স্বচ্ছ আকাশ থাকলেও তাপমাত্রা কমে গেছে। শুক্রবার সকালেও ঝলমলে রোদ ছিল এবং তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছে।
তিনি জানান, ডিসেম্বরে তাপমাত্রা আরও কমে আসবে। অনুভুত হবে কনকনে শীত। বায়ুর প্রবাহেও ঘটবে তারতম্য। উষ্ণ বায়ু প্রবাহে কুয়াশায় ঢাকা পড়বে প্রকৃতি।
শীতের তীব্রতার সঙ্গে শীতজনিত সর্দিজ্বরসহ শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হতে শুরু করেছে বয়স্ক ও শিশুরা।

তাপমাত্রা কমে যাওয়ার সঙ্গে শীতের তীব্রতা অনুভূত হচ্ছে হিমালয় ছোঁয়া দেশের উত্তরের জেলা দিনাজপুরে। শরীরে কাঁপন ধরাচ্ছে হিমেল বাতাস।
শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ৬টা এবং ৯টায় দিনাজপুরের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে তাপমাত্রা বিরাজ করছে ১৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। সেই সঙ্গে শীতল বাতাস বইছে ঘণ্টায় ২ কিলোমিটার বেগে। এতে শীতের তীব্রতা বেড়েছে কয়েক গুণ।
দিনাজপুরের আবহাওয়ার অফিসের কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসাইন জানান, গত কয়েক দিন ধরে কুয়াশামুক্ত স্বচ্ছ আকাশ থাকলেও তাপমাত্রা কমে গেছে। শুক্রবার সকালেও ঝলমলে রোদ ছিল এবং তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছে।
তিনি জানান, ডিসেম্বরে তাপমাত্রা আরও কমে আসবে। অনুভুত হবে কনকনে শীত। বায়ুর প্রবাহেও ঘটবে তারতম্য। উষ্ণ বায়ু প্রবাহে কুয়াশায় ঢাকা পড়বে প্রকৃতি।
শীতের তীব্রতার সঙ্গে শীতজনিত সর্দিজ্বরসহ শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হতে শুরু করেছে বয়স্ক ও শিশুরা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।