
বাসস, ঢাকা

ঢাকা সফররত পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শীর্ষ নেতারা।
শনিবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকার গুলশানে পাকিস্তান হাইকমিশনে বৈঠক হয়। পরে তারা নৈশভোজেও অংশ নেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান।
বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সেলিমা রহমান। এ ছাড়া, বৈঠকে অংশ নেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী ও দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য শামা ওবায়েদ।
অন্যদিকে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, সাবেক হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী, বর্তমান হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের গভর্নর তারিক বাজওয়া, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ইলিয়াস মাহমুদ নিযামী ও মুহাম্মদ উমায়ের লতিফ, পরিচালক দিলদার আলি আবরো এবং ডেপুটি চিফ অব প্রোটোকল হাফিজ উল্লাহ।
বৈঠকে কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে সে সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

ঢাকা সফররত পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শীর্ষ নেতারা।
শনিবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকার গুলশানে পাকিস্তান হাইকমিশনে বৈঠক হয়। পরে তারা নৈশভোজেও অংশ নেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান।
বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সেলিমা রহমান। এ ছাড়া, বৈঠকে অংশ নেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী ও দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য শামা ওবায়েদ।
অন্যদিকে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, সাবেক হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী, বর্তমান হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের গভর্নর তারিক বাজওয়া, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ইলিয়াস মাহমুদ নিযামী ও মুহাম্মদ উমায়ের লতিফ, পরিচালক দিলদার আলি আবরো এবং ডেপুটি চিফ অব প্রোটোকল হাফিজ উল্লাহ।
বৈঠকে কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে সে সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষমাপ্রাপ্ত সব বাংলাদেশি ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। তারা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে আটক হয়েছিলেন।
সংলাপে মূলত ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—বায়রাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নৈতিক নিয়োগ নিশ্চিতকরণে প্রার্থীদের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশে ও গন্তব্য দেশসমূহে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খলিলুর রহমান আমেরিকা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কৃষিপণ্য আমদানি বাড়ানোর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি সাম্প্রতিক ভিসা বন্ডের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আমেরিকায় ভ্রমণ সহজ করার অনুরোধ জানান।