প্রতিবেদক, বিডিজেন
ছাত্ররা সরকারে থেকে যদি দল গঠন করেন এ দেশের মানুষ সেটা মেনে নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানী ঢাকার উত্তরায় খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল ও দরিদ্রদের মথ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা পশ্চিম থানার খেলার মাঠে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ছাত্ররা দল গঠন করতে চায়, আমাদের এতটুকু আপত্তি নেই। আমরা আনন্দিত। ছাত্ররা রাজনীতি করবে, আসবে, নতুন দল গঠন করবে, আমরা তাদের স্বাগত জানাব। তারা তাদের নতুন চিন্তাভাবনা দিয়ে মানুষের মনের মধ্যে যাওয়ার চেষ্টা করবে। কিন্তু সরকারে থেকে যদি দল গঠন করে, এ দেশের মানুষ সেটা মেনে নেবে না। দল করবেন, দল করেন, স্বাগত জানাব, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কাজ করে যাব। অযথা সংঘাতমূলক কথাবার্তা রাজনীতির মধ্যে না আনাই ভালো।’
মির্জা ফখরুল অন্তর্বর্তী সরকারকে নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবেন। নির্বাচন অবশ্যই এ দেশে হবে। নির্বাচন হতে হবে, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। আমরা চাইব অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে এই নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে।
তিনি বলেন, ‘ইউনুস সরকারকে অনুরোধ করেছি, যত দ্রুত সম্ভব ন্যূনতম সংস্কার যেটা প্রয়োজন অর্থাৎ মানুষ যেন ভোট দিতে পারে, বিচারটা যেন সঠিক পায়, প্রশাসন যেন পক্ষপাতিত্ব না করে—এ বিষয়গুলো দেখে ভোটের আয়োজন করেন। মানুষ যাতে ভোট দিয়ে প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারে।’
মির্জা ফখরুল নিরাপত্তা হেফাজতে থাকাকালে কুমিল্লায় যুবদল নেতা নিহত হওয়ার ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, ‘দুর্ভাগ্যের কথা, গত শুক্রবার কুমিল্লায় আমাদের যুবদলের এক নেতাকে যৌথ বাহিনী তুলে নিয়ে যাওয়ার পরে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। পরিষ্কার করে বলতে চাই, এ ধরনের ঘটনার যেন আর পুনরাবৃত্তি না হয়। যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড আর দেখতে চাই না।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা আর গুম হতে দেখতে চাই না। ইলিয়াস আলী, মুন্নাদের গুম করা হয়েছিল। তাদের চিহ্ন পর্যন্ত খুঁজে পাইনি। এটা আমরা আর দেখতে চাই না। দেশে শান্তিপূর্ণ অবস্থা দেখতে চাই। আইনের শাসন দেখতে চাই। ন্যায়বিচার দেখতে চাই। আর মানুষের ওপর অত্যাচার করা দেখতে চাই না।’
তিনি শেখ হাসিনার প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, ‘কত মায়ের বুক খালি করেছে। কত সন্তান তার পিতাকে হারিয়েছে, মানুষ ভুলবে না। এতগুলো মানুষ মারল, তার মধ্যে একটুও অনুশোচনা নেই। একবারের জন্যও বলেনি আমি ভুল করেছি।
মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে হাসিনামুক্ত হয়েছি। কিন্তু যে লক্ষ্য, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়া, এখন পর্যন্ত গণতন্ত্রে ফিরে যেতে পারিনি।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ আফাজ উদ্দিন।
বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার আহ্বায়ক আমিনুল হক, সদস্যসচিব মোস্তফা জামান।
ছাত্ররা সরকারে থেকে যদি দল গঠন করেন এ দেশের মানুষ সেটা মেনে নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানী ঢাকার উত্তরায় খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল ও দরিদ্রদের মথ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা পশ্চিম থানার খেলার মাঠে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ছাত্ররা দল গঠন করতে চায়, আমাদের এতটুকু আপত্তি নেই। আমরা আনন্দিত। ছাত্ররা রাজনীতি করবে, আসবে, নতুন দল গঠন করবে, আমরা তাদের স্বাগত জানাব। তারা তাদের নতুন চিন্তাভাবনা দিয়ে মানুষের মনের মধ্যে যাওয়ার চেষ্টা করবে। কিন্তু সরকারে থেকে যদি দল গঠন করে, এ দেশের মানুষ সেটা মেনে নেবে না। দল করবেন, দল করেন, স্বাগত জানাব, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কাজ করে যাব। অযথা সংঘাতমূলক কথাবার্তা রাজনীতির মধ্যে না আনাই ভালো।’
মির্জা ফখরুল অন্তর্বর্তী সরকারকে নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবেন। নির্বাচন অবশ্যই এ দেশে হবে। নির্বাচন হতে হবে, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। আমরা চাইব অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে এই নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে।
তিনি বলেন, ‘ইউনুস সরকারকে অনুরোধ করেছি, যত দ্রুত সম্ভব ন্যূনতম সংস্কার যেটা প্রয়োজন অর্থাৎ মানুষ যেন ভোট দিতে পারে, বিচারটা যেন সঠিক পায়, প্রশাসন যেন পক্ষপাতিত্ব না করে—এ বিষয়গুলো দেখে ভোটের আয়োজন করেন। মানুষ যাতে ভোট দিয়ে প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারে।’
মির্জা ফখরুল নিরাপত্তা হেফাজতে থাকাকালে কুমিল্লায় যুবদল নেতা নিহত হওয়ার ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, ‘দুর্ভাগ্যের কথা, গত শুক্রবার কুমিল্লায় আমাদের যুবদলের এক নেতাকে যৌথ বাহিনী তুলে নিয়ে যাওয়ার পরে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। পরিষ্কার করে বলতে চাই, এ ধরনের ঘটনার যেন আর পুনরাবৃত্তি না হয়। যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড আর দেখতে চাই না।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা আর গুম হতে দেখতে চাই না। ইলিয়াস আলী, মুন্নাদের গুম করা হয়েছিল। তাদের চিহ্ন পর্যন্ত খুঁজে পাইনি। এটা আমরা আর দেখতে চাই না। দেশে শান্তিপূর্ণ অবস্থা দেখতে চাই। আইনের শাসন দেখতে চাই। ন্যায়বিচার দেখতে চাই। আর মানুষের ওপর অত্যাচার করা দেখতে চাই না।’
তিনি শেখ হাসিনার প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, ‘কত মায়ের বুক খালি করেছে। কত সন্তান তার পিতাকে হারিয়েছে, মানুষ ভুলবে না। এতগুলো মানুষ মারল, তার মধ্যে একটুও অনুশোচনা নেই। একবারের জন্যও বলেনি আমি ভুল করেছি।
মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে হাসিনামুক্ত হয়েছি। কিন্তু যে লক্ষ্য, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়া, এখন পর্যন্ত গণতন্ত্রে ফিরে যেতে পারিনি।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ আফাজ উদ্দিন।
বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার আহ্বায়ক আমিনুল হক, সদস্যসচিব মোস্তফা জামান।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় একটি চলন্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশার গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় নারী, শিশুসহ অটোরিকশার যাত্রী ৬ জন দগ্ধ হয়েছে। বুধবার (২ এপ্রিল) বিকেলে চৌমুহনী পৌরসভার কন্ট্রাক্টর মসজিদ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর বাসায় হামলা ও ভাঙচুরে ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া, সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের বাসাতেও হামলা হয়েছে।
সংস্কার ও নির্বাচন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপিকে টার্গেট করে প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস বাংলাদেশ ইসলামি উগ্রপন্থীদের উত্থান নিয়ে সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গতকাল মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবেদনকে বিভ্রান্তিকর হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।