
বিডিজেন ডেস্ক

যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আজ সোমবার (১৫ জুন) এক বিবৃতিতে এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ শুরু থেকেই সংযম দেখানো, উত্তেজনা কমানো এবং আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির আহ্বান জানিয়ে এসেছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এই অগ্রগতিতে যেসব পক্ষ ও মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা রেখেছে, তাদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে চুক্তিটি আন্তরিকতার সঙ্গে বাস্তবায়িত হবে এবং দীর্ঘস্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করবে বলেও বিবৃতিতে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশ মনে করে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা এবং উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বাকি সমস্যাগুলোও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের জন্য সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
সেই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত শান্তি-শৃঙ্খলা, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে বলেও বিবৃতিতে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
এর আগে আজ স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, চলমান সংঘাত বন্ধে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আগামী ১৯ জুন সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি সই হবে। এর আওতায় যুদ্ধ বন্ধ, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া ও আমেরিকান নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়ার কথা রয়েছে।
আরও পড়ুন

যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আজ সোমবার (১৫ জুন) এক বিবৃতিতে এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ শুরু থেকেই সংযম দেখানো, উত্তেজনা কমানো এবং আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির আহ্বান জানিয়ে এসেছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এই অগ্রগতিতে যেসব পক্ষ ও মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা রেখেছে, তাদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে চুক্তিটি আন্তরিকতার সঙ্গে বাস্তবায়িত হবে এবং দীর্ঘস্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করবে বলেও বিবৃতিতে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশ মনে করে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা এবং উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বাকি সমস্যাগুলোও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের জন্য সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
সেই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত শান্তি-শৃঙ্খলা, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে বলেও বিবৃতিতে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
এর আগে আজ স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, চলমান সংঘাত বন্ধে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আগামী ১৯ জুন সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি সই হবে। এর আওতায় যুদ্ধ বন্ধ, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া ও আমেরিকান নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়ার কথা রয়েছে।
আরও পড়ুন
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেন, ৩০ জুনের মধ্যে ফ্লাইট চালুর কথা বলা হলেও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতার জন্য তা ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ শুরু থেকেই সংযম দেখানো, উত্তেজনা কমানো এবং আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির আহ্বান জানিয়ে এসেছে।
সরকার শুধু অদক্ষ শ্রমিক পাঠানোর সনাতন ধারা থেকে বেরিয়ে দক্ষতা উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, আমরা শুধু শ্রমবাজারের বহুমুখীকরণই চাই না, বরং কর্মসংস্থানের ধরন এবং জনসংখ্যার বৈচিত্র্যও নিশ্চিত করতে চাই।
এবারই প্রথম যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডার ১৬টি শহরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬।