
বিডিজেন ডেস্ক

নাম বদলে অসত্য তথ্য দেওয়ায় পাসপোর্ট বাতিল করা হয়েছে সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের দুই ভাই হারিস আহমেদ ও তোফায়েল আহমেদ জোসেফের। নির্বাচন কমিশন তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র বাতিলের পরদিন ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর ২৫ সেপ্টেম্বর তাদের পাসপোর্ট বাতিল করেছে।
বিডিনিউজের এক সংবাদে বলা হয়, অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সেলিনা বানু বলেছেন, অধিদপ্তরের এক আদেশেই দুই ভাইয়ের পাসপোর্ট বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে জালিয়াতির অভিযোগে হারিস ও জোসেফের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বাতিলের তথ্য গত ২৪ সেপ্টেম্বর দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।
পাসপোর্ট অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সেলিনা বানু বলেন, হারিস আহমেদ ও তোফায়েল আহমেদ জোসেফ তাদের প্রকৃত নাম হলেও তারা তথ্য গোপন করে যথাক্রমে মোহাম্মদ হাসান ও তানভীর আহমেদ তানজীল নামে পাসপোর্ট নেন। এ দুটি পাসপোর্টের মেয়াদ ছিল ২০৩০ সাল পর্যন্ত।
বাতিলের আদেশে বলা হয়েছে, অসত্য তথ্য দিয়ে পাসপোর্ট গ্রহণ করায় বাংলাদেশ পাসপোর্ট আদেশ ১৯৭৩ এর ৭(২)(খ) ক্ষমতা বলে বাতিল করার কথা বলা হয়েছে।
হারিছ আহমেদ তার নাম পরিবর্তন করে হন মোহাম্মদ হাসান। আর জোসেফ নাম পরিবর্তন করে হয়েছেন তানভীর আহমেদ তানজীল। পাসপোর্ট অধিদপ্তর এ দুই নামে করা পাসপোর্টগুলো বাতিল করে।
মোহাম্মদ হাসান নামে করা পাসপোর্টে জন্ম তারিখ দেওয়া হয়েছে ৬ জুন ১৯৬৬ সাল। ২০২০ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ইস্যু করা এ পাসপোর্টের মেয়াদ ২০৩০ সালে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
অন্যদিকে তানভীর আহমেদ তানজীল নামে করা পাসপোর্টে জন্ম তারিখ দেওয়া হয়েছে ১৯৬৭ সালের ২৩ অগাস্ট। ২০২০ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ইস্যু করা এ পাসপোর্টের মেয়াদও ১০ বছর, ২০৩০ সালের ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
হারিস নাম বদলে বানানো পাসপোর্টে পিতার নাম সোলায়মান সরকার এবং মায়ের নাম রাহেলা বেগম দিয়েছে। স্থায়ী ঠিকানা রয়েছে ঢাকার নুরজাহান রোডে আর ২৮ নম্বর বাড়ি।
অন্যদিকে জোসেফের নাম পরিবর্তন করে বানানো পাসপোর্টে পিতার নাম সোলায়মান সরকার থাকলেও মায়ের নাম ফাতেমা বেগম রয়েছে। আর ঠিকানা রয়েছে মিরপুর ডিওএইচএস’র ২ নম্বর সড়কের একটি বাড়ির ফ্ল্যাট।
প্রকৃত অর্থে তাদের বাবার নাম আব্দুল ওয়াদুদ এবং মায়ের নাম রেনুজা বেগম। রেনুজা বেগম তার এ নাম দিয়ে জোসেফের সাজা মওকুফ করার জন্য আবেদন করেছিলেন।
প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, হারিছ আহমেদ ২০১৪ সালে মিথ্যা তথ্য দিয়ে মোহাম্মদ হাসান নামে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিয়েছিলেন। ২০১৯ সালে তিনি এনআইডিতে নিজের ছবি পরিবর্তন করেন।
আর তোফায়েল আহমেদ জোসেফ দুটি এনআইডি নেন। নিজের প্রকৃত নাম ছাড়াও মিথ্যা তথ্য দিয়ে তানভির আহমেদ তানজীল নামে আরেকটি এনআইডি নেন।
তারা দুজনই দেশের বাইরে রয়েছেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর।

নাম বদলে অসত্য তথ্য দেওয়ায় পাসপোর্ট বাতিল করা হয়েছে সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের দুই ভাই হারিস আহমেদ ও তোফায়েল আহমেদ জোসেফের। নির্বাচন কমিশন তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র বাতিলের পরদিন ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর ২৫ সেপ্টেম্বর তাদের পাসপোর্ট বাতিল করেছে।
বিডিনিউজের এক সংবাদে বলা হয়, অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সেলিনা বানু বলেছেন, অধিদপ্তরের এক আদেশেই দুই ভাইয়ের পাসপোর্ট বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে জালিয়াতির অভিযোগে হারিস ও জোসেফের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বাতিলের তথ্য গত ২৪ সেপ্টেম্বর দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।
পাসপোর্ট অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সেলিনা বানু বলেন, হারিস আহমেদ ও তোফায়েল আহমেদ জোসেফ তাদের প্রকৃত নাম হলেও তারা তথ্য গোপন করে যথাক্রমে মোহাম্মদ হাসান ও তানভীর আহমেদ তানজীল নামে পাসপোর্ট নেন। এ দুটি পাসপোর্টের মেয়াদ ছিল ২০৩০ সাল পর্যন্ত।
বাতিলের আদেশে বলা হয়েছে, অসত্য তথ্য দিয়ে পাসপোর্ট গ্রহণ করায় বাংলাদেশ পাসপোর্ট আদেশ ১৯৭৩ এর ৭(২)(খ) ক্ষমতা বলে বাতিল করার কথা বলা হয়েছে।
হারিছ আহমেদ তার নাম পরিবর্তন করে হন মোহাম্মদ হাসান। আর জোসেফ নাম পরিবর্তন করে হয়েছেন তানভীর আহমেদ তানজীল। পাসপোর্ট অধিদপ্তর এ দুই নামে করা পাসপোর্টগুলো বাতিল করে।
মোহাম্মদ হাসান নামে করা পাসপোর্টে জন্ম তারিখ দেওয়া হয়েছে ৬ জুন ১৯৬৬ সাল। ২০২০ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ইস্যু করা এ পাসপোর্টের মেয়াদ ২০৩০ সালে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
অন্যদিকে তানভীর আহমেদ তানজীল নামে করা পাসপোর্টে জন্ম তারিখ দেওয়া হয়েছে ১৯৬৭ সালের ২৩ অগাস্ট। ২০২০ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ইস্যু করা এ পাসপোর্টের মেয়াদও ১০ বছর, ২০৩০ সালের ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
হারিস নাম বদলে বানানো পাসপোর্টে পিতার নাম সোলায়মান সরকার এবং মায়ের নাম রাহেলা বেগম দিয়েছে। স্থায়ী ঠিকানা রয়েছে ঢাকার নুরজাহান রোডে আর ২৮ নম্বর বাড়ি।
অন্যদিকে জোসেফের নাম পরিবর্তন করে বানানো পাসপোর্টে পিতার নাম সোলায়মান সরকার থাকলেও মায়ের নাম ফাতেমা বেগম রয়েছে। আর ঠিকানা রয়েছে মিরপুর ডিওএইচএস’র ২ নম্বর সড়কের একটি বাড়ির ফ্ল্যাট।
প্রকৃত অর্থে তাদের বাবার নাম আব্দুল ওয়াদুদ এবং মায়ের নাম রেনুজা বেগম। রেনুজা বেগম তার এ নাম দিয়ে জোসেফের সাজা মওকুফ করার জন্য আবেদন করেছিলেন।
প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, হারিছ আহমেদ ২০১৪ সালে মিথ্যা তথ্য দিয়ে মোহাম্মদ হাসান নামে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিয়েছিলেন। ২০১৯ সালে তিনি এনআইডিতে নিজের ছবি পরিবর্তন করেন।
আর তোফায়েল আহমেদ জোসেফ দুটি এনআইডি নেন। নিজের প্রকৃত নাম ছাড়াও মিথ্যা তথ্য দিয়ে তানভির আহমেদ তানজীল নামে আরেকটি এনআইডি নেন।
তারা দুজনই দেশের বাইরে রয়েছেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর।
প্রাথমিকভাবে বৈধভাবে বিদেশে কর্মরত এবং সরকার অনুমোদিত উপায়ে রেমিট্যান্স পাঠানো বাংলাদেশিরাই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই কার্ড পাবেন বলে জানা গেছে। বিশেষ করে যেসব প্রবাসীর বৈধ পাসপোর্ট, কর্ম অনুমতি এবং নিবন্ধিত তথ্য রয়েছে, তাদের তথ্য যাচাই শেষে পর্যায়ক্রমে কার্ড বিতরণ করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি, এ ঘটনায় স্থানীয় রাজমিস্ত্রি সাইফুল ইসলাম অথবা নিহত নারীর বড় ছেলে জড়িত থাকতে পারেন। তাদের দুজনই মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযুক্ত সাইফুল একই এলাকার জমিদার বাড়ির আবুল খায়েরের ছেলে। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।
স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গতকাল ওই এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী দফায় দফায় হামলা চালায়। নিহত বাংলাদেশিরা সেখানে কর্মরত ছিলেন।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো দেশ ভিসা দেওয়ার শর্ত হিসেবে আবেদনকারীর কাছে আর্থিক গ্যারান্টি বা ফেরতযোগ্য সিকিউরিটি ডিপোজিট চাইলে ব্যাংকগুলো এখন সেই অর্থ বিদেশে পাঠাতে পারবে। এ জন্য আবেদনকারীর নামে আন্তর্জাতিক বা ভার্চুয়াল কার্ড ইস্যু করা যাবে, যেখানে প্রয়োজনীয় অর্থ আগে থেকেই জমা করা থাকবে।