
বাসস, ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের ওপর শুল্ক হার ২০ শতাংশে নেমে আসায় বৈশ্বিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়বে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় উপদেষ্টা বশির বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। এতেও আমরা প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে থাকব। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আমাদের রপ্তানিতে কোনো প্রভাব পড়বে না। তবে আমরা আশা করেছিলাম এটি ২০ শতাংশের নিচে থাকবে।’
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এই প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেন।
ওয়াশিংটনে দফায় দফায় দীর্ঘ আলোচনা ও সমঝোতার পর যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর শুল্ক ৩৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ করেছে।
হোয়াইট হাউস এক ঘোষণায় জানিয়েছে, ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতি তদারককারী প্রধান সংস্থা ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ (ইউএসটিআর)-এর মধ্যে আলোচনার পর এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের ওপর শুল্ক হার ২০ শতাংশে নেমে আসায় বৈশ্বিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়বে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় উপদেষ্টা বশির বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। এতেও আমরা প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে থাকব। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আমাদের রপ্তানিতে কোনো প্রভাব পড়বে না। তবে আমরা আশা করেছিলাম এটি ২০ শতাংশের নিচে থাকবে।’
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এই প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেন।
ওয়াশিংটনে দফায় দফায় দীর্ঘ আলোচনা ও সমঝোতার পর যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর শুল্ক ৩৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ করেছে।
হোয়াইট হাউস এক ঘোষণায় জানিয়েছে, ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতি তদারককারী প্রধান সংস্থা ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ (ইউএসটিআর)-এর মধ্যে আলোচনার পর এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।
অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে নানা অভিযোগ ও সংকটে বৈদেশিক শ্রমবাজার সংকুচিত হয়েছে। ২০২৪ সালের মে মাসের পর থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। এর আগেও নানা অভিযোগের কারণে দেশটির শ্রমবাজার বন্ধ হয়েছে।
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬-এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিফজুর রহমান গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বলেন, আমি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান কিন্তু আমার পাসপোর্ট ও টাকা পাইনি। এসব আমি যেকোনোভাবে ফেরত চাই।