
প্রতিবেদক, বিডিজেন

সৌদি আরবে গৃহকর্মী হিসেবে যাওয়া বাংলাদেশি এক নারীকে যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের অভিযোগ করেছে পরিবার। একইসঙ্গে দ্রুত ভুক্তভোগী ওই নারীকে ফিরিয়ে আনার দাবি ও ক্ষতিপূরণ চেয়ে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড বরাবর অভিযোগ করেছে পরিবার।
গত ১৯ নভেম্বর তারা অভিযোগ করলেও এই প্রতিবেদন লেখা (২৬ ডিসেম্বর) পর্যন্ত ওই নারীর বিষয়ে কোনো সুরাহা হয়নি।
ভুক্তভোগী নারীর শ্বশুর ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে দেওয়া অভিযোগ পত্রে বলেন, “আমি মো. হানিফ, আমার পুত্রবধূ আশা আক্তার (ছদ্মনাম) পাসপোর্ট নম্বর (A18574552) Vely Trade International (RL1268)–এর প্রতিনিধি সাহিদার মাধ্যমে এক লাখ টাকা প্রদান করে সৌদি আরবে গমন করে। সৌদি আরবে যাওয়ার পর তার কফিলের বাসায় সে কাজ করে। কিন্তু কফিলের ভাই আমার পুত্রবধুকে যৌন হয়রানি করে। আমার পুত্রবধূ তার কফিলের কাছে বললে, তারা তাকে প্রচুর মারধর করে। এরপর সে অসুস্থ হলে ৩ দিন কাজ করতে না পারায় তাকে আবারও মারধর করে এবং তার হাত পুড়িয়ে দেয়। তাকে ৫ দিন খাবার দেয় না এবং বাসার বাইরে রাখে। কফিল আমার পুত্রবধূকে হুমকি দেয় যে, সে যদি আমাদের অথবা অফিসকে এ ব্যাপারে কিছু বলে, তাহলে তারা আমার পুত্রবধূকে মেরে ফেলবে। তাই সে লুকিয়ে রাতে আমাদেরকে এই কথাগুলো বলে এবং প্রমাণসরূপ ছবি ও রেকর্ড পাঠায়। এরপর আমি উক্ত অফিসের সাথে যোগাযোগ করলে তারা এ ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে আমাকে বলে আমার পুত্রবধু ভালো আছে এবং আমার কথায় কোনো গুরুত্ব দেয় না।
“এমতাবস্থায় আমি কোনো উপায় না পেয়ে আপনার নিকট অভিযোগ এবং আমার পুত্রবধূকে দেশে ফেরত আনার ও সৌদি আরব যাওয়ার জন্য প্রদানকৃত এক লাখ টাকা ক্ষতিপুরণ আদায়ের জন্য আবেদন জানাচ্ছি।”
অভিযোগপত্রে ভেলি ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হলেও ভুক্তভোগীকে মামুনি ইন্টারন্যাশনাল ওভারসিজ সৌদি আরবে পাঠিয়েছে।
মামুনি ইন্টারন্যাশনাল ওভারসিজের প্রধান শহিদুল বিডিজেনকে বলেন, আমরা কয়েক মাস আগে তাকে বিদেশ পাঠিয়েছিলাম। তাকে বিদেশ পাঠানোর পর সব ঠিকঠাকই আছে। কোনো নির্যাতন করা হচ্ছা না। কিছুদিন আগে তার আকামাসহ সব কাগজপত্র তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া, সে একসঙ্গে বিগত ৩ মাসের বেতন পেয়েছে। এখন সে বাড়ি আসতে চাইছে। আমরা দুই বছরেরর চুক্তিতে বিদেশ শ্রমিক পাঠাই। ফলে এভাবে বললেই নিয়ে আসা যায় না।
পরিবারের সদস্য ও ভুক্তভোগীর শশুরের বড় ভাই মনির বিডিজেনকে বলেন, আমরা পুত্রবধুকে দ্রুত সুস্থ্য অবস্থায় ফেরত চাই। যে দালালের মাধ্যমে তাকে বিদেশে পাঠানো হয়েছে, তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। যে অফিসের মাধ্যমে পুত্রবধু বিদেশ গিয়েছিল তারাও সেভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে না। এদিকে আমাদের ছেলে ওমানে। সব মিলিয়ে আমরা অনেক চিন্তায় আছি। দ্রুত সুস্থ্ অবস্থায় পরিবারের সদস্যকে ফেরত চাই।
এ বিষয়ে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের উর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বিডিজেনকে বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। সেটির প্রেক্ষিতে দূতাবাসে চিঠি পাঠিয়েছি।

সৌদি আরবে গৃহকর্মী হিসেবে যাওয়া বাংলাদেশি এক নারীকে যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের অভিযোগ করেছে পরিবার। একইসঙ্গে দ্রুত ভুক্তভোগী ওই নারীকে ফিরিয়ে আনার দাবি ও ক্ষতিপূরণ চেয়ে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড বরাবর অভিযোগ করেছে পরিবার।
গত ১৯ নভেম্বর তারা অভিযোগ করলেও এই প্রতিবেদন লেখা (২৬ ডিসেম্বর) পর্যন্ত ওই নারীর বিষয়ে কোনো সুরাহা হয়নি।
ভুক্তভোগী নারীর শ্বশুর ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে দেওয়া অভিযোগ পত্রে বলেন, “আমি মো. হানিফ, আমার পুত্রবধূ আশা আক্তার (ছদ্মনাম) পাসপোর্ট নম্বর (A18574552) Vely Trade International (RL1268)–এর প্রতিনিধি সাহিদার মাধ্যমে এক লাখ টাকা প্রদান করে সৌদি আরবে গমন করে। সৌদি আরবে যাওয়ার পর তার কফিলের বাসায় সে কাজ করে। কিন্তু কফিলের ভাই আমার পুত্রবধুকে যৌন হয়রানি করে। আমার পুত্রবধূ তার কফিলের কাছে বললে, তারা তাকে প্রচুর মারধর করে। এরপর সে অসুস্থ হলে ৩ দিন কাজ করতে না পারায় তাকে আবারও মারধর করে এবং তার হাত পুড়িয়ে দেয়। তাকে ৫ দিন খাবার দেয় না এবং বাসার বাইরে রাখে। কফিল আমার পুত্রবধূকে হুমকি দেয় যে, সে যদি আমাদের অথবা অফিসকে এ ব্যাপারে কিছু বলে, তাহলে তারা আমার পুত্রবধূকে মেরে ফেলবে। তাই সে লুকিয়ে রাতে আমাদেরকে এই কথাগুলো বলে এবং প্রমাণসরূপ ছবি ও রেকর্ড পাঠায়। এরপর আমি উক্ত অফিসের সাথে যোগাযোগ করলে তারা এ ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে আমাকে বলে আমার পুত্রবধু ভালো আছে এবং আমার কথায় কোনো গুরুত্ব দেয় না।
“এমতাবস্থায় আমি কোনো উপায় না পেয়ে আপনার নিকট অভিযোগ এবং আমার পুত্রবধূকে দেশে ফেরত আনার ও সৌদি আরব যাওয়ার জন্য প্রদানকৃত এক লাখ টাকা ক্ষতিপুরণ আদায়ের জন্য আবেদন জানাচ্ছি।”
অভিযোগপত্রে ভেলি ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হলেও ভুক্তভোগীকে মামুনি ইন্টারন্যাশনাল ওভারসিজ সৌদি আরবে পাঠিয়েছে।
মামুনি ইন্টারন্যাশনাল ওভারসিজের প্রধান শহিদুল বিডিজেনকে বলেন, আমরা কয়েক মাস আগে তাকে বিদেশ পাঠিয়েছিলাম। তাকে বিদেশ পাঠানোর পর সব ঠিকঠাকই আছে। কোনো নির্যাতন করা হচ্ছা না। কিছুদিন আগে তার আকামাসহ সব কাগজপত্র তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া, সে একসঙ্গে বিগত ৩ মাসের বেতন পেয়েছে। এখন সে বাড়ি আসতে চাইছে। আমরা দুই বছরেরর চুক্তিতে বিদেশ শ্রমিক পাঠাই। ফলে এভাবে বললেই নিয়ে আসা যায় না।
পরিবারের সদস্য ও ভুক্তভোগীর শশুরের বড় ভাই মনির বিডিজেনকে বলেন, আমরা পুত্রবধুকে দ্রুত সুস্থ্য অবস্থায় ফেরত চাই। যে দালালের মাধ্যমে তাকে বিদেশে পাঠানো হয়েছে, তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। যে অফিসের মাধ্যমে পুত্রবধু বিদেশ গিয়েছিল তারাও সেভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে না। এদিকে আমাদের ছেলে ওমানে। সব মিলিয়ে আমরা অনেক চিন্তায় আছি। দ্রুত সুস্থ্ অবস্থায় পরিবারের সদস্যকে ফেরত চাই।
এ বিষয়ে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের উর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বিডিজেনকে বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। সেটির প্রেক্ষিতে দূতাবাসে চিঠি পাঠিয়েছি।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”
মানুষের জীবন যেমন প্রেম ভালোবাসায় পূর্ণ থাকে, ঠিক তেমনি থাকে সম্পর্কের টানাপোড়েন। অধিকাংশ মানুষ শেষ বয়সে জীবন একাকীত্বর জীবনে পরিণত হয়ে যায়।