

বিডিজেন ডেস্ক

১ হাজার ৮১৮ টাকার ৬টি মাসিক কিস্তিতে ২ রাতের কক্সবাজার ভ্রমণ প্যাকেজের অফার ঘোষণা করেছে বেসরকারি বিমান সংস্থা নভোএয়ার। এই অফারটি আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত চলবে।
আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নভোএয়ার জানায়, অফারটি উপভোগ করতে ভ্রমণকারীদের ন্যূনতম দুজনের জন্য প্যাকেজটি ক্রয় করতে হবে। এই প্যাকেজের আওতায় কক্সবাজার যাওয়া-আসার এয়ার টিকিট, সব ধরনের ট্যাক্সসহ, সি প্যালেস হোটেলে থাকা, কক্সবাজার এয়ারপোর্ট থেকে হোটেলে যাওয়া আসা ও সেহরি অথবা ইফতার সুবিধা থাকবে।
৬টি মাসিক কিস্তি পরিশোধে কোনো ধরনের অতিরিক্ত চার্জ বা ফি দিতে হবে না। নভোএয়ার এজন্য দেশের শীর্ষ ২৪ ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি করেছে। এই সব ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীরা এই প্যাকেজ ক্রয় করতে পারবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভ্রমণপিপাসুরা এই প্যাকেজের আওতায় কক্সবাজারের জনপ্রিয় ১৫টি হোটেলের মধ্যে পছন্দানুযায়ী যেকোনো একটি হোটেলে থাকতে পারবেন, হোটেল রুম অনুযায়ী প্যাকেজের মূল্য বৃদ্ধি পাবে। হোটেলগুলোর মধ্যে রয়েছে হোটেল সি প্যালেস, উইনডি টেরেস, গ্রেস কক্স স্মার্ট হোটেল, হোটেল কল্লোল, নিসর্গ হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট , বেস্ট ওয়েস্টার্ন হেরিটেজ হোটেল , বেস্ট ওয়েস্টার্ন বে হিল, হোটেল কক্স টু ডে , লং বিচ হোটেল , ওশান প্যারাডাইস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, গ্রিন নেচার রিসোর্ট অ্যান্ড সুইট, সীগাল হোটেল, রামাদা হোটেল, ডেরা রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা এবং সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা।
যাত্রীরা নভোএয়ারের ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লায়ার প্রোগ্রাম ‘স্মাইলস’ সদস্য হলে প্রতি ভ্রমণে পয়েন্ট পাবেন এবং নির্দিষ্ট পয়েন্ট অর্জনের মাধ্যমে কমপ্লিমেন্টরি টিকিট পাবেন। পাশাপাশি, স্মাইলস সদস্যরা বিভিন্ন অংশগ্রহণকারী ব্র্যান্ডের আউটলেট থেকে বিশেষ সুবিধা ও ছাড় পাবেন। নভোএয়ারের ওয়েবসাইটে নির্ধারিত ফর্ম পূরণের মাধ্যমে যেকোনো সম্মানিত যাত্রী সহজেই স্মাইলস সদস্য হতে পারবেন।

১ হাজার ৮১৮ টাকার ৬টি মাসিক কিস্তিতে ২ রাতের কক্সবাজার ভ্রমণ প্যাকেজের অফার ঘোষণা করেছে বেসরকারি বিমান সংস্থা নভোএয়ার। এই অফারটি আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত চলবে।
আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নভোএয়ার জানায়, অফারটি উপভোগ করতে ভ্রমণকারীদের ন্যূনতম দুজনের জন্য প্যাকেজটি ক্রয় করতে হবে। এই প্যাকেজের আওতায় কক্সবাজার যাওয়া-আসার এয়ার টিকিট, সব ধরনের ট্যাক্সসহ, সি প্যালেস হোটেলে থাকা, কক্সবাজার এয়ারপোর্ট থেকে হোটেলে যাওয়া আসা ও সেহরি অথবা ইফতার সুবিধা থাকবে।
৬টি মাসিক কিস্তি পরিশোধে কোনো ধরনের অতিরিক্ত চার্জ বা ফি দিতে হবে না। নভোএয়ার এজন্য দেশের শীর্ষ ২৪ ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি করেছে। এই সব ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীরা এই প্যাকেজ ক্রয় করতে পারবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভ্রমণপিপাসুরা এই প্যাকেজের আওতায় কক্সবাজারের জনপ্রিয় ১৫টি হোটেলের মধ্যে পছন্দানুযায়ী যেকোনো একটি হোটেলে থাকতে পারবেন, হোটেল রুম অনুযায়ী প্যাকেজের মূল্য বৃদ্ধি পাবে। হোটেলগুলোর মধ্যে রয়েছে হোটেল সি প্যালেস, উইনডি টেরেস, গ্রেস কক্স স্মার্ট হোটেল, হোটেল কল্লোল, নিসর্গ হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট , বেস্ট ওয়েস্টার্ন হেরিটেজ হোটেল , বেস্ট ওয়েস্টার্ন বে হিল, হোটেল কক্স টু ডে , লং বিচ হোটেল , ওশান প্যারাডাইস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, গ্রিন নেচার রিসোর্ট অ্যান্ড সুইট, সীগাল হোটেল, রামাদা হোটেল, ডেরা রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা এবং সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা।
যাত্রীরা নভোএয়ারের ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লায়ার প্রোগ্রাম ‘স্মাইলস’ সদস্য হলে প্রতি ভ্রমণে পয়েন্ট পাবেন এবং নির্দিষ্ট পয়েন্ট অর্জনের মাধ্যমে কমপ্লিমেন্টরি টিকিট পাবেন। পাশাপাশি, স্মাইলস সদস্যরা বিভিন্ন অংশগ্রহণকারী ব্র্যান্ডের আউটলেট থেকে বিশেষ সুবিধা ও ছাড় পাবেন। নভোএয়ারের ওয়েবসাইটে নির্ধারিত ফর্ম পূরণের মাধ্যমে যেকোনো সম্মানিত যাত্রী সহজেই স্মাইলস সদস্য হতে পারবেন।
দূতাবাস জানিয়েছে, ভ্রমণকারীদের অবশ্যই বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে এবং চূড়ান্ত গন্তব্য দেশের জন্য বৈধ ভিসা বা রেসিডেন্স পারমিট থাকতে হবে। মিসরকে অবশ্যই অন্য গন্তব্যে ভ্রমণকারীর রুটে একটি ট্রানজিট পয়েন্ট হতে হবে।
জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশের তালিকায় শীর্ষে আছে বাংলাদেশের নাগরিকেরা। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ২০ হাজার ২৫৯ জন বাংলাদেশি ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালি প্রবেশ করেছেন।
বিদ্যমান পরিস্থিতিতে অফিসের গাড়ির পরিবর্তে গণপরিবহন ব্যবহার এবং যথাসম্ভব বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী উপায়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করার লক্ষ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে দিরাই উপজেলা কর্মকর্তা সনজিব সরকার আজ রোববার সকালে জানান, নিহতদের মধ্যে চারজন দিরাই উপজেলার। এরা হলেন- তারাপাশা গ্রামের নুরুজ্জামান সরদার ময়না (৩০), সাজিদুর রহমান (২৮), শাহান মিয়া (২৫) এবং রনারচর গ্রামের মুজিবুর রহমান (৩৮)।