
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় আরও এক ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। ২০২৫ সালে দুর্নীতিতে আরও অবনতি হয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এখন নিচের দিক থেকে ১৩তম। ২০২৪ সালে এই অবস্থান ছিল ১৪তম। বিশ্বের ১৮২টি দেশ ও অঞ্চলের মধ্যে জরিপের ভিত্তিতে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের করাপশন পারসেপশন ইনডেক্স (সিপিআই) বা ‘দুর্নীতির ধারণা সূচক ২০২৫’ প্রকাশ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এই তথ্য তুলে ধরেন।
জার্মানির বার্লিনভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল, দুর্নীতির মাত্রা কোন দেশে কেমন, সে সম্পর্কে ধারণা দিতে প্রতিবছর তারা প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
সিপিআই অনুযায়ী, দুর্নীতির ধারণার মাত্রাকে ০ (শূন্য) থেকে ১০০ (এক শ)–এর স্কেলে নির্ধারণ করা হয়। এই পদ্ধতি অনুসারে স্কেলের ০ (শূন্য) স্কোরকে দুর্নীতির ব্যাপকতা সর্বোচ্চ এবং ১০০ স্কোরকে দুর্নীতির ব্যাপকতা সর্বনিম্ন বলে ধারণা করা হয়।
সিপিআই অনুযায়ী বাংলাদেশের স্কোর ২৪। যা গত বছরের তুলনায় এক পয়েন্ট বেশি হলেও চৌদ্দ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন।
২০২৪ সালে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৪তম। ২০২৩ সালে এই অবস্থান ছিল দশম।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “যেসব দেশে গণতন্ত্র নেই এবং যেসব দেশে কর্তৃত্ববাদী শাসন রয়েছে, সেসব দেশের চেয়েও বাংলাদেশে দুর্নীতির মাত্রা বেশি।”
সিপিআই অনুসারে, ১০০ স্কোরের মধ্যে বৈশ্বিক গড় স্কোর ৪২। অর্থাৎ বৈশ্বিক গড় স্কোরের তুলনায় বাংলাদেশ স্কোর ১৮ পয়েন্ট কম। তা ছাড়া এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের গড় স্কোর ৪৫-এর তুলনায় ২১ পয়েন্ট কম। গত ১৪ বছরের মধ্যে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন স্কোর, যা ২০২৩ সালের স্কোরের সমতুল্য। দুর্নীতি ধারণা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান দেশে দুর্নীতির ব্যাপকভাবে বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।
শুধু আফগানিস্তান ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার (ভারত, পাকিস্তান, নেপালসহ অন্য দেশ) দেশগুলোর মধ্যে দুর্নীতির মাত্রা বাংলাদেশে বেশি।
এ দিকে, দুর্নীতির ধারণা সূচক ২০২৫ অনুযায়ী ডেনমার্কে দুর্নীতির মাত্রা সবচেয়ে কম এবং দক্ষিণ সুদান ও সোমালিয়াতে দুর্নীতির মাত্রা সবচেয়ে বেশি।

বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় আরও এক ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। ২০২৫ সালে দুর্নীতিতে আরও অবনতি হয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এখন নিচের দিক থেকে ১৩তম। ২০২৪ সালে এই অবস্থান ছিল ১৪তম। বিশ্বের ১৮২টি দেশ ও অঞ্চলের মধ্যে জরিপের ভিত্তিতে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের করাপশন পারসেপশন ইনডেক্স (সিপিআই) বা ‘দুর্নীতির ধারণা সূচক ২০২৫’ প্রকাশ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এই তথ্য তুলে ধরেন।
জার্মানির বার্লিনভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল, দুর্নীতির মাত্রা কোন দেশে কেমন, সে সম্পর্কে ধারণা দিতে প্রতিবছর তারা প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
সিপিআই অনুযায়ী, দুর্নীতির ধারণার মাত্রাকে ০ (শূন্য) থেকে ১০০ (এক শ)–এর স্কেলে নির্ধারণ করা হয়। এই পদ্ধতি অনুসারে স্কেলের ০ (শূন্য) স্কোরকে দুর্নীতির ব্যাপকতা সর্বোচ্চ এবং ১০০ স্কোরকে দুর্নীতির ব্যাপকতা সর্বনিম্ন বলে ধারণা করা হয়।
সিপিআই অনুযায়ী বাংলাদেশের স্কোর ২৪। যা গত বছরের তুলনায় এক পয়েন্ট বেশি হলেও চৌদ্দ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন।
২০২৪ সালে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৪তম। ২০২৩ সালে এই অবস্থান ছিল দশম।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “যেসব দেশে গণতন্ত্র নেই এবং যেসব দেশে কর্তৃত্ববাদী শাসন রয়েছে, সেসব দেশের চেয়েও বাংলাদেশে দুর্নীতির মাত্রা বেশি।”
সিপিআই অনুসারে, ১০০ স্কোরের মধ্যে বৈশ্বিক গড় স্কোর ৪২। অর্থাৎ বৈশ্বিক গড় স্কোরের তুলনায় বাংলাদেশ স্কোর ১৮ পয়েন্ট কম। তা ছাড়া এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের গড় স্কোর ৪৫-এর তুলনায় ২১ পয়েন্ট কম। গত ১৪ বছরের মধ্যে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন স্কোর, যা ২০২৩ সালের স্কোরের সমতুল্য। দুর্নীতি ধারণা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান দেশে দুর্নীতির ব্যাপকভাবে বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।
শুধু আফগানিস্তান ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার (ভারত, পাকিস্তান, নেপালসহ অন্য দেশ) দেশগুলোর মধ্যে দুর্নীতির মাত্রা বাংলাদেশে বেশি।
এ দিকে, দুর্নীতির ধারণা সূচক ২০২৫ অনুযায়ী ডেনমার্কে দুর্নীতির মাত্রা সবচেয়ে কম এবং দক্ষিণ সুদান ও সোমালিয়াতে দুর্নীতির মাত্রা সবচেয়ে বেশি।
দূতাবাস জানিয়েছে, ভ্রমণকারীদের অবশ্যই বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে এবং চূড়ান্ত গন্তব্য দেশের জন্য বৈধ ভিসা বা রেসিডেন্স পারমিট থাকতে হবে। মিসরকে অবশ্যই অন্য গন্তব্যে ভ্রমণকারীর রুটে একটি ট্রানজিট পয়েন্ট হতে হবে।
জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশের তালিকায় শীর্ষে আছে বাংলাদেশের নাগরিকেরা। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ২০ হাজার ২৫৯ জন বাংলাদেশি ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালি প্রবেশ করেছেন।
বিদ্যমান পরিস্থিতিতে অফিসের গাড়ির পরিবর্তে গণপরিবহন ব্যবহার এবং যথাসম্ভব বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী উপায়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করার লক্ষ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে দিরাই উপজেলা কর্মকর্তা সনজিব সরকার আজ রোববার সকালে জানান, নিহতদের মধ্যে চারজন দিরাই উপজেলার। এরা হলেন- তারাপাশা গ্রামের নুরুজ্জামান সরদার ময়না (৩০), সাজিদুর রহমান (২৮), শাহান মিয়া (২৫) এবং রনারচর গ্রামের মুজিবুর রহমান (৩৮)।