বিডিজেন ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ট্যাক্স ও অভিবাসন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নোমাড ক্যাপিটালিস্টের প্রকাশিত সর্বশেষ নোমাড পাসপোর্ট সূচকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে আয়ারল্যান্ড। ২০০টি দেশের এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৮১তম।
শুক্রবার (৪ এপ্রিল) এই বৈশ্বিক পাসপোর্ট র্যাঙ্কিং প্রকাশ করা হয়।
তালিকায় ১০৯ স্কোর নিয়ে শীর্ষস্থান দখল করেছে আয়ারল্যান্ড। দেশটির পাসপোর্টধারীরা ১৭৬টি দেশে ভিসা ছাড়া বা অন-অ্যারাইভাল ভিসার মাধ্যমে ভ্রমণ করতে পারেন।
এই তালিকায় বাংলাদেশের স্কোর ৩৮। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়া বা অন-অ্যারাইভাল ভিসায় ৫০টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন।
তালিকায় বাংলাদেশের ঠিক আগেই রয়েছে নেপাল। দেশটির স্কোর ৩৯.৫। বাংলাদেশের ঠিক পরে আছে মিয়ানমার, স্কোর ৩৭.৫। ভারত ১৪৮তম (স্কোর ৪৭.৫) এবং পাকিস্তান ১৯৫তম (স্কোর ৩২) অবস্থানে রয়েছে।
নোমাড ক্যাপিটালিস্টের বার্ষিক র্যাঙ্কিংয়ে এবারই প্রথম উত্তর ইউরোপের দেশ আয়ারল্যান্ড এককভাবে শীর্ষস্থান দখল করল। দেশটি এর আগে ২০২০ সালে লুক্সেমবার্গ ও সুইডেনের সঙ্গে যৌথভাবে প্রথম হয়েছিল।
প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা সহযোগী জাভিয়ের কোরেয়া সিএনবিসি ট্রাভেলকে বলেন, 'বিদেশে আয়ারল্যান্ডের সুনাম, ব্যবসা-বান্ধব কর নীতি এবং নাগরিকত্বের সামগ্রিক নমনীয়তার কারণে আয়ারল্যান্ড র্যাঙ্কিংয়ে এই পরিবর্তন এনেছে।"
পাসপোর্টের অন্য র্যাঙ্কিং শুধুমাত্র ভিসা-মুক্ত ভ্রমণের সুবিধার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হলেও, নোমাড ক্যাপিটালিস্টের সূচক পাঁচটি মানদণ্ড বিশ্লেষণ করে:
সূচক অনুযায়ী, এই বিষয়গুলো বিভিন্ন দেশের নাগরিকত্বের 'প্রকৃত মূল্য' বুঝতে সাহায্য করে, যা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়ক হয়।
তালিকায় শীর্ষ ১০টি স্থানের মধ্যে ৯টিই ইউরোপীয় দেশগুলোর দখলে। এর মধ্যে সুইজারল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দেশের পাশাপাশি লুক্সেমবার্গ ও মাল্টার মতো ছোট দেশও আছে।
ইউরোপের বাইরে সর্বোচ্চ র্যাঙ্কধারী পাসপোর্ট হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত ও নিউজিল্যান্ডের। দেশদুটি যৌথভাবে ১০ম স্থানে রয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের মার্চে নোমাড পাসপোর্ট সূচকে শীর্ষে ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। এবার দেশটি ১০৬.৫ স্কোর নিয়ে ১০ম স্থানে নেমে এসেছে। তবে দশম স্থানে থাকা সত্ত্বেও, আমিরাতের পাসপোর্টধারীরা ১৭৯টি দেশে ভিসা ছাড়া বা অন-অ্যারাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারেন, যা তালিকার শীর্ষে থাকা আয়ারল্যান্ডের চেয়ে ৩টি দেশ বেশি।
আন্তর্জাতিক ট্যাক্স ও অভিবাসন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নোমাড ক্যাপিটালিস্টের প্রকাশিত সর্বশেষ নোমাড পাসপোর্ট সূচকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে আয়ারল্যান্ড। ২০০টি দেশের এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৮১তম।
শুক্রবার (৪ এপ্রিল) এই বৈশ্বিক পাসপোর্ট র্যাঙ্কিং প্রকাশ করা হয়।
তালিকায় ১০৯ স্কোর নিয়ে শীর্ষস্থান দখল করেছে আয়ারল্যান্ড। দেশটির পাসপোর্টধারীরা ১৭৬টি দেশে ভিসা ছাড়া বা অন-অ্যারাইভাল ভিসার মাধ্যমে ভ্রমণ করতে পারেন।
এই তালিকায় বাংলাদেশের স্কোর ৩৮। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়া বা অন-অ্যারাইভাল ভিসায় ৫০টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন।
তালিকায় বাংলাদেশের ঠিক আগেই রয়েছে নেপাল। দেশটির স্কোর ৩৯.৫। বাংলাদেশের ঠিক পরে আছে মিয়ানমার, স্কোর ৩৭.৫। ভারত ১৪৮তম (স্কোর ৪৭.৫) এবং পাকিস্তান ১৯৫তম (স্কোর ৩২) অবস্থানে রয়েছে।
নোমাড ক্যাপিটালিস্টের বার্ষিক র্যাঙ্কিংয়ে এবারই প্রথম উত্তর ইউরোপের দেশ আয়ারল্যান্ড এককভাবে শীর্ষস্থান দখল করল। দেশটি এর আগে ২০২০ সালে লুক্সেমবার্গ ও সুইডেনের সঙ্গে যৌথভাবে প্রথম হয়েছিল।
প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা সহযোগী জাভিয়ের কোরেয়া সিএনবিসি ট্রাভেলকে বলেন, 'বিদেশে আয়ারল্যান্ডের সুনাম, ব্যবসা-বান্ধব কর নীতি এবং নাগরিকত্বের সামগ্রিক নমনীয়তার কারণে আয়ারল্যান্ড র্যাঙ্কিংয়ে এই পরিবর্তন এনেছে।"
পাসপোর্টের অন্য র্যাঙ্কিং শুধুমাত্র ভিসা-মুক্ত ভ্রমণের সুবিধার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হলেও, নোমাড ক্যাপিটালিস্টের সূচক পাঁচটি মানদণ্ড বিশ্লেষণ করে:
সূচক অনুযায়ী, এই বিষয়গুলো বিভিন্ন দেশের নাগরিকত্বের 'প্রকৃত মূল্য' বুঝতে সাহায্য করে, যা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়ক হয়।
তালিকায় শীর্ষ ১০টি স্থানের মধ্যে ৯টিই ইউরোপীয় দেশগুলোর দখলে। এর মধ্যে সুইজারল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দেশের পাশাপাশি লুক্সেমবার্গ ও মাল্টার মতো ছোট দেশও আছে।
ইউরোপের বাইরে সর্বোচ্চ র্যাঙ্কধারী পাসপোর্ট হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত ও নিউজিল্যান্ডের। দেশদুটি যৌথভাবে ১০ম স্থানে রয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের মার্চে নোমাড পাসপোর্ট সূচকে শীর্ষে ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। এবার দেশটি ১০৬.৫ স্কোর নিয়ে ১০ম স্থানে নেমে এসেছে। তবে দশম স্থানে থাকা সত্ত্বেও, আমিরাতের পাসপোর্টধারীরা ১৭৯টি দেশে ভিসা ছাড়া বা অন-অ্যারাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারেন, যা তালিকার শীর্ষে থাকা আয়ারল্যান্ডের চেয়ে ৩টি দেশ বেশি।
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের বিষয়ে দেশটির সঙ্গে আলোচনা করেই একটা ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেনটেটিভ খলিলুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘ব্যাপারটা আকস্মিক নয়, আমরা এর জন্য প্রস্তুত।’
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের বিষয়টি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা সরাসরি দেশটির প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা নিজেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের কাছে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরবেন।
আন্তর্জাতিক ট্যাক্স ও অভিবাসন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নোমাড ক্যাপিটালিস্টের প্রকাশিত সর্বশেষ নোমাড পাসপোর্ট সূচকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে আয়ারল্যান্ড। ২০০টি দেশের এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৮১তম।
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতে একটি জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সভা আয়োজিত হবে।