
সংবাদদাতা, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় বাসের সঙ্গে ২ মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চুনতি ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসের সামনে (জাঙ্গালিয়া এলাকা) এ দুর্ঘটনা ঘটে।
তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম–পরিচয় জানা যায়নি। এতে আহত হয়েছে ৩ জন। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার রাখাল চন্দ্র রুদ্র দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
রাখাল চন্দ্র রুদ্র সাংবাদিকদের বলেন, আজ বুধবার সকাল ৭টার দিকে চুনতি এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে একটি বাসের সঙ্গে ২ মাইক্রোবাসের সংঘর্ষ হয়েছে। মাইক্রোবাস ২টি কক্সবাজার আর বাসটি চট্টগ্রাম যাচ্ছিল। প্রথমে বাসের সঙ্গে একটি মাইক্রোবাস মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পরে দুর্ঘটনা কবলিত মাইক্রোবাসটির পেছনে থাকা আরেকটি মাইক্রোবাস ধাক্কা দেয়। হতাহতদের বেশির ভাগই প্রথম মাইক্রোবাসের যাত্রী। ওই গাড়ির চালকও নিহত হয়েছে।
এর আগে ঈদের দিন (সোমবার, ৩১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে একই এলাকায় বাসের সঙ্গে মিনিবাসের সংঘর্ষে ৫ জনের মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় বাসের সঙ্গে ২ মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চুনতি ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসের সামনে (জাঙ্গালিয়া এলাকা) এ দুর্ঘটনা ঘটে।
তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম–পরিচয় জানা যায়নি। এতে আহত হয়েছে ৩ জন। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার রাখাল চন্দ্র রুদ্র দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
রাখাল চন্দ্র রুদ্র সাংবাদিকদের বলেন, আজ বুধবার সকাল ৭টার দিকে চুনতি এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে একটি বাসের সঙ্গে ২ মাইক্রোবাসের সংঘর্ষ হয়েছে। মাইক্রোবাস ২টি কক্সবাজার আর বাসটি চট্টগ্রাম যাচ্ছিল। প্রথমে বাসের সঙ্গে একটি মাইক্রোবাস মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পরে দুর্ঘটনা কবলিত মাইক্রোবাসটির পেছনে থাকা আরেকটি মাইক্রোবাস ধাক্কা দেয়। হতাহতদের বেশির ভাগই প্রথম মাইক্রোবাসের যাত্রী। ওই গাড়ির চালকও নিহত হয়েছে।
এর আগে ঈদের দিন (সোমবার, ৩১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে একই এলাকায় বাসের সঙ্গে মিনিবাসের সংঘর্ষে ৫ জনের মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষমাপ্রাপ্ত সব বাংলাদেশি ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। তারা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে আটক হয়েছিলেন।
সংলাপে মূলত ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—বায়রাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নৈতিক নিয়োগ নিশ্চিতকরণে প্রার্থীদের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশে ও গন্তব্য দেশসমূহে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খলিলুর রহমান আমেরিকা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কৃষিপণ্য আমদানি বাড়ানোর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি সাম্প্রতিক ভিসা বন্ডের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আমেরিকায় ভ্রমণ সহজ করার অনুরোধ জানান।