
বিডিজেন ডেস্ক

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানায় ২০১৫ সালে করা নাশকতার মামলা থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অব্যাহতি দিয়েছে আদালত।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
কুমিল্লার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক আফরোজা জেসমিন সোমবার (২১ জানুয়ারি) খালেদা জিয়াকে অব্যাহতি দিলেও বুধবার (২২ জানুয়ারি) বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
কুমিল্লার আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কায়মুল হক রিংকু জানান, ২০১৫ সালে ২৫ জানুয়ারি হরতাল চলাকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার হায়দারপুলে ঢাকা-চটগ্রাম মহাসড়কে একটি কাভার্ডভ্যান ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় নাশকতার মামলা করা হয়।
পুলিশ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলাটিতে খালেদা জিয়াসহ ৩২ জনকে অভিযুক্ত করে। খালেদা জিয়া মামলার ৩২ নম্বর অভিযুক্ত।
তিনি জানান, এই মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক কারণে মামলাটি করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া, এজাহারে ৩২ জনের বিরুদ্ধে মামলা হলেও অভিযোগপত্রে ৪২ জনের নাম উঠে আসে। এর মধ্যে ৩৬ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বাকি ৬ জন উচ্চ আদালত থেকে স্থগিতাদেশ নেওয়ায় তাদের বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানায় ২০১৫ সালে করা নাশকতার মামলা থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অব্যাহতি দিয়েছে আদালত।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
কুমিল্লার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক আফরোজা জেসমিন সোমবার (২১ জানুয়ারি) খালেদা জিয়াকে অব্যাহতি দিলেও বুধবার (২২ জানুয়ারি) বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
কুমিল্লার আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কায়মুল হক রিংকু জানান, ২০১৫ সালে ২৫ জানুয়ারি হরতাল চলাকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার হায়দারপুলে ঢাকা-চটগ্রাম মহাসড়কে একটি কাভার্ডভ্যান ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় নাশকতার মামলা করা হয়।
পুলিশ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলাটিতে খালেদা জিয়াসহ ৩২ জনকে অভিযুক্ত করে। খালেদা জিয়া মামলার ৩২ নম্বর অভিযুক্ত।
তিনি জানান, এই মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক কারণে মামলাটি করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া, এজাহারে ৩২ জনের বিরুদ্ধে মামলা হলেও অভিযোগপত্রে ৪২ জনের নাম উঠে আসে। এর মধ্যে ৩৬ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বাকি ৬ জন উচ্চ আদালত থেকে স্থগিতাদেশ নেওয়ায় তাদের বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬-এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিফজুর রহমান গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বলেন, আমি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান কিন্তু আমার পাসপোর্ট ও টাকা পাইনি। এসব আমি যেকোনোভাবে ফেরত চাই।
মাধ্যমে ঢাকার এটিবি ওভারসিজ লিমিটেডর এজেন্সির সহায়তায় তার মা সৌদি আরবে যান। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়োগকর্তার শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। দালাল ও সংশ্লিষ্টদের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি