
বিডিজেন ডেস্ক

বিএনপির কার্যালয়ে হামলার মামলায় চট্টগ্রামের বাঁশখালী পৌরসভার সাবেক ৪ কাউন্সিলরসহ ৫ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
খবর আজকের পত্রিকার।
বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক কাজী শহীদুল ইসলাম তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ইফতেখার হোসাইন চৌধুরী মহসিন।
অভিযুক্তরা হলেন বাঁশখালী পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর কাঞ্চন বড়ুয়া, আকতার হোসাইন, প্রণব দাশ ও আবদুল গফুর এবং আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড শাখার সভাপতি জাফর আহমদ।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বাঁশখালীর মিয়ার বাজারে বিএনপির কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এই অভিযোগে সাইদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে মামলা করেন।

বিএনপির কার্যালয়ে হামলার মামলায় চট্টগ্রামের বাঁশখালী পৌরসভার সাবেক ৪ কাউন্সিলরসহ ৫ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
খবর আজকের পত্রিকার।
বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক কাজী শহীদুল ইসলাম তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ইফতেখার হোসাইন চৌধুরী মহসিন।
অভিযুক্তরা হলেন বাঁশখালী পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর কাঞ্চন বড়ুয়া, আকতার হোসাইন, প্রণব দাশ ও আবদুল গফুর এবং আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড শাখার সভাপতি জাফর আহমদ।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বাঁশখালীর মিয়ার বাজারে বিএনপির কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এই অভিযোগে সাইদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে মামলা করেন।
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬-এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিফজুর রহমান গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বলেন, আমি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান কিন্তু আমার পাসপোর্ট ও টাকা পাইনি। এসব আমি যেকোনোভাবে ফেরত চাই।
মাধ্যমে ঢাকার এটিবি ওভারসিজ লিমিটেডর এজেন্সির সহায়তায় তার মা সৌদি আরবে যান। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়োগকর্তার শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। দালাল ও সংশ্লিষ্টদের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি