

প্রতিবেদক, বিডিজেন

ঢাকার নেদারল্যান্ডস দূতাবাসে শুরু হয়েছে বাংলাদেশি প্রখ্যাত শিল্পী প্রীতি আলীর ‘পাওয়ার অফ পেইন অ্যান্ড প্যাথোস ২’ শিরোনামে মাসব্যাপী একক প্রদর্শনী।
নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের গ্যালারি রেসিডেন্সে (গুলশান-২) এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। প্রদর্শনীতে প্রীতি আলীর ৪০টি চিত্রকর্ম স্থান পেয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) এ প্রদর্শীর উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত আন্দ্রে কার্সটেন্স, বাংলাদেশি-স্প্যানিশ চিত্রশিল্পী মনিরুল ইসলাম এবং ওয়াইল্ডটিমের সিইও ড. আনোয়ারুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিনিধি।
প্রীতি আলী স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিমূর্ত অভিব্যক্তির শৈলীতে ছবি আঁকেন। তাঁর শিল্পকর্মে মানুষের আবেগ ও অনুভূতির নানা প্রকাশ ফুটে উঠেছে, প্রকৃতির কাছে আত্মসমর্পণ করে ভালো-মন্দের মধ্যে জীবনের অর্থ অন্বেষণ করা হয়।
বিশুদ্ধ বিমূর্ত অভিব্যক্তিবাদের একনিষ্ঠ অনুসারী প্রীতি আলী উল্লেখ করেছেন, তাঁর চিত্রকর্মগুলো মানুষের স্নেহ, পরমানন্দ, যন্ত্রণা এবং বিচ্ছিন্নতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। একজন আবেগপ্রবণ চিত্রশিল্পী, তিনি তাঁর আত্মার অন্তঃস্থল থেকে যা অনুভব করেন তা আঁকেন।
তাঁর চিত্রকলাকে নানাভাবে ব্যাখ্যা করা যায়, যেখানে রহস্যবাদের ছোঁয়া পাওয়া যায়; কেউ কেউ সম্প্রীতি, বিষণ্ণতা বা হতাশার স্বাদ পেতে পারেন। তাঁর চিত্রকর্মে নিঃসঙ্গ আত্মার বিলাপ, অন্তর্নিহিত দুঃখ বা নগ্নতার অনুভূতি অনুভব করা যায়।
প্রীতির ফর্মের কমবেশি, ছড়ানোর ধরন এবং কগনিজ্যান্ট ব্রাশ স্ট্রোক একই সঙ্গে প্রাকৃতিক এবং কল্পিত একটি ভাষা তৈরি করে। তাঁর প্রাণবন্ত রঙ, ছন্দময় রেখা এবং বিমূর্ত ফর্মের ব্যবহার ক্যানভাসে একটি তীব্র সংবেদনশীল এবং নিমগ্ন স্থান তৈরি করে।
২০১৬ সালে ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে তাঁর প্রথম একক প্রদর্শনী 'পাওয়ার অব পেইন অ্যান্ড প্যাথোস' অনুষ্ঠিত হয়। এরপর থেকে তিনি দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন একক ও দলীয় প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করেছেন।
রাজধানীর গুলশান-২ এর নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের গ্যালারি রেসিডেন্সে (বাড়ি ৮, ৭ম তলা, রোড ৮৭) প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে ৭টা পর্যন্ত প্রদর্শনী চলবে।
প্রদর্শনীটি ঘুরে দেখতে দর্শনার্থীরা [email protected] মাধ্যমে শিল্পীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। আরও তথ্য www.pritiali.art–এ পাওয়া যাবে।

ঢাকার নেদারল্যান্ডস দূতাবাসে শুরু হয়েছে বাংলাদেশি প্রখ্যাত শিল্পী প্রীতি আলীর ‘পাওয়ার অফ পেইন অ্যান্ড প্যাথোস ২’ শিরোনামে মাসব্যাপী একক প্রদর্শনী।
নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের গ্যালারি রেসিডেন্সে (গুলশান-২) এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। প্রদর্শনীতে প্রীতি আলীর ৪০টি চিত্রকর্ম স্থান পেয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) এ প্রদর্শীর উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত আন্দ্রে কার্সটেন্স, বাংলাদেশি-স্প্যানিশ চিত্রশিল্পী মনিরুল ইসলাম এবং ওয়াইল্ডটিমের সিইও ড. আনোয়ারুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিনিধি।
প্রীতি আলী স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিমূর্ত অভিব্যক্তির শৈলীতে ছবি আঁকেন। তাঁর শিল্পকর্মে মানুষের আবেগ ও অনুভূতির নানা প্রকাশ ফুটে উঠেছে, প্রকৃতির কাছে আত্মসমর্পণ করে ভালো-মন্দের মধ্যে জীবনের অর্থ অন্বেষণ করা হয়।
বিশুদ্ধ বিমূর্ত অভিব্যক্তিবাদের একনিষ্ঠ অনুসারী প্রীতি আলী উল্লেখ করেছেন, তাঁর চিত্রকর্মগুলো মানুষের স্নেহ, পরমানন্দ, যন্ত্রণা এবং বিচ্ছিন্নতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। একজন আবেগপ্রবণ চিত্রশিল্পী, তিনি তাঁর আত্মার অন্তঃস্থল থেকে যা অনুভব করেন তা আঁকেন।
তাঁর চিত্রকলাকে নানাভাবে ব্যাখ্যা করা যায়, যেখানে রহস্যবাদের ছোঁয়া পাওয়া যায়; কেউ কেউ সম্প্রীতি, বিষণ্ণতা বা হতাশার স্বাদ পেতে পারেন। তাঁর চিত্রকর্মে নিঃসঙ্গ আত্মার বিলাপ, অন্তর্নিহিত দুঃখ বা নগ্নতার অনুভূতি অনুভব করা যায়।
প্রীতির ফর্মের কমবেশি, ছড়ানোর ধরন এবং কগনিজ্যান্ট ব্রাশ স্ট্রোক একই সঙ্গে প্রাকৃতিক এবং কল্পিত একটি ভাষা তৈরি করে। তাঁর প্রাণবন্ত রঙ, ছন্দময় রেখা এবং বিমূর্ত ফর্মের ব্যবহার ক্যানভাসে একটি তীব্র সংবেদনশীল এবং নিমগ্ন স্থান তৈরি করে।
২০১৬ সালে ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে তাঁর প্রথম একক প্রদর্শনী 'পাওয়ার অব পেইন অ্যান্ড প্যাথোস' অনুষ্ঠিত হয়। এরপর থেকে তিনি দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন একক ও দলীয় প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করেছেন।
রাজধানীর গুলশান-২ এর নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের গ্যালারি রেসিডেন্সে (বাড়ি ৮, ৭ম তলা, রোড ৮৭) প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে ৭টা পর্যন্ত প্রদর্শনী চলবে।
প্রদর্শনীটি ঘুরে দেখতে দর্শনার্থীরা [email protected] মাধ্যমে শিল্পীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। আরও তথ্য www.pritiali.art–এ পাওয়া যাবে।
সিআইএমএমওয়াইটির উপস্থাপনায় জানানো হয়, গত চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সিআইএমএমওয়াইটি বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা ও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। বিশেষ করে গম ও ভুট্টা উৎপাদন বৃদ্ধিতে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে নিহতদের মরদেহ গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গত ১১ মে দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ জেলার জিবদিন এলাকায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় শফিকুল ইসলাম ও নাহিদুল ইসলাম নিহত হন। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে তাদের মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়।
রোববার রাতে মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় রিয়াদের একটি সড়কে উটের সঙ্গে তাদের মোটর সাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।