
প্রতিবেদক, বিডিজেন

তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় নেই বিএনপির বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট নেতা। এদের সবাই খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন, কেউ কেউ বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি–নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য। নতুন মন্ত্রিসভায় এসব নেতার অনুপস্থিতি অবাক করার মতোই।
মির্জা আব্বাস
মন্ত্রিসভায় স্থান না পাওয়াদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত নাম মির্জা আব্বাস। অবিভক্ত ঢাকার সাবেক মেয়র তিনি। ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়ার প্রথম সরকারে শুরুতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছিলেন। ২০০১–২০০৬ পর্যন্ত ছিলেন গণপূর্ত মন্ত্রী। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকেই তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–৮ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে জয়ী হয়েছেন। তবে নির্বাচনে মির্জা আব্বাসের সঙ্গে নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারীর দ্বৈরথ ছিল আলোচিত ঘটনা। মির্জা আব্বাসের তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় স্থান না পাওয়াটা বড় ঘটনাই।
মঈন খান
তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় নাম নেই ড. আবদুল মঈন খানেরও। তিনি খালেদা জিয়ার ১৯৯১ ও ২০০১—দুই সরকারেরই মন্ত্রী ছিলেন। এবার অবশ্য তাকে জাতীয় সংসদের স্পিকার করা হবে–এমন একটা আলোচনা আছে। তবে সেটা হবে কিনা, তা জানা যাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন
বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন খালেদা জিয়ার আগের দুই সরকারের আমলে গুরুত্বপূর্ণ দুটি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন। ১৯৯১ সালে তিনি ছিলেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক মন্ত্রী। ২০০১ সালে ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সময়ের ভূ–তত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক খন্দকার মোশাররফ সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। এবার তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় ডাক না পেলেও ড. মোশাররফকে রাষ্ট্রপতি করা হবে—এমন একটা আলোচনা চাউর আছে।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
এই প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও অন্যতম প্রবীণ নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। ২০০১ সালে খালেদা জিয়া সরকারের আমলে তিনি টেকনোক্র্যাট কোটায় পরিবেশ ও জলবায়ু (তখন পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়) মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। দীর্ঘ দিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকলেও গয়েশ্বর রায় ঢাকা–৩ আসন থেকে প্রথম নির্বাচনে লড়েন ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। নির্বাচিত হতে পারেননি। হেরে যান ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনেও।
আমানউল্লাহ আমান
আমানউল্লাহ আমান ডাক পাননি মন্ত্রিসভায়। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের এক সময়ের তারকা ছাত্রনেতা, ডাকসুর ভিপি আমানউল্লাহ আমানের ছিল ১৯৯০ সালে এরশাদবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। ১৯৯১ সালে প্রথম সংসদ সদস্য হওয়ার পর নির্বাচিত হয়েছেন আরও দুইবার। খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় তিনি একবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও পরেরবার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
সেলিমা রহমান
বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য সেলিমা রহমান নেই মন্ত্রিসভায়। তিনি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ভাইস চেয়ারম্যান। ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বিএনপির সর্বশেষ সরকারে তিনি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।
রুহুল কবির রিজভী
বিএনপির আলোচিত নেতা রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ এবারও স্থান পাননি মন্ত্রিসভায়। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও রাকসুর সাবেক ভিপি রিজভি বিএনপির সর্বশেষ সরকারেও সরকারি কোনো পদে ছিলেন না। তিনি কখনোই সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি। আওয়ামী লীগের শাসনামলের পুরোটা সময়ই তিনি নয়াপল্টনে বিএনপির প্রধান কার্যালয়ে অবস্থান করে সরকার বিরোধী আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছেন।
আলোচনায় থাকলেও এবারও বিএনপি সরকারের মন্ত্রী হননি, দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। এক সময়ের শ্রমিক নেতা নজরুল ইসলাম খান, ২০০১–২০০৬ সালে কুয়েতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এই শীর্ষ নেতা অতীতে কখনো নির্বাচনও করেননি।

তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় নেই বিএনপির বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট নেতা। এদের সবাই খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন, কেউ কেউ বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি–নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য। নতুন মন্ত্রিসভায় এসব নেতার অনুপস্থিতি অবাক করার মতোই।
মির্জা আব্বাস
মন্ত্রিসভায় স্থান না পাওয়াদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত নাম মির্জা আব্বাস। অবিভক্ত ঢাকার সাবেক মেয়র তিনি। ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়ার প্রথম সরকারে শুরুতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছিলেন। ২০০১–২০০৬ পর্যন্ত ছিলেন গণপূর্ত মন্ত্রী। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকেই তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–৮ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে জয়ী হয়েছেন। তবে নির্বাচনে মির্জা আব্বাসের সঙ্গে নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারীর দ্বৈরথ ছিল আলোচিত ঘটনা। মির্জা আব্বাসের তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় স্থান না পাওয়াটা বড় ঘটনাই।
মঈন খান
তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় নাম নেই ড. আবদুল মঈন খানেরও। তিনি খালেদা জিয়ার ১৯৯১ ও ২০০১—দুই সরকারেরই মন্ত্রী ছিলেন। এবার অবশ্য তাকে জাতীয় সংসদের স্পিকার করা হবে–এমন একটা আলোচনা আছে। তবে সেটা হবে কিনা, তা জানা যাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন
বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন খালেদা জিয়ার আগের দুই সরকারের আমলে গুরুত্বপূর্ণ দুটি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন। ১৯৯১ সালে তিনি ছিলেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক মন্ত্রী। ২০০১ সালে ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সময়ের ভূ–তত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক খন্দকার মোশাররফ সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। এবার তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় ডাক না পেলেও ড. মোশাররফকে রাষ্ট্রপতি করা হবে—এমন একটা আলোচনা চাউর আছে।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
এই প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও অন্যতম প্রবীণ নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। ২০০১ সালে খালেদা জিয়া সরকারের আমলে তিনি টেকনোক্র্যাট কোটায় পরিবেশ ও জলবায়ু (তখন পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়) মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। দীর্ঘ দিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকলেও গয়েশ্বর রায় ঢাকা–৩ আসন থেকে প্রথম নির্বাচনে লড়েন ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। নির্বাচিত হতে পারেননি। হেরে যান ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনেও।
আমানউল্লাহ আমান
আমানউল্লাহ আমান ডাক পাননি মন্ত্রিসভায়। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের এক সময়ের তারকা ছাত্রনেতা, ডাকসুর ভিপি আমানউল্লাহ আমানের ছিল ১৯৯০ সালে এরশাদবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। ১৯৯১ সালে প্রথম সংসদ সদস্য হওয়ার পর নির্বাচিত হয়েছেন আরও দুইবার। খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় তিনি একবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও পরেরবার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
সেলিমা রহমান
বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য সেলিমা রহমান নেই মন্ত্রিসভায়। তিনি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ভাইস চেয়ারম্যান। ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বিএনপির সর্বশেষ সরকারে তিনি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।
রুহুল কবির রিজভী
বিএনপির আলোচিত নেতা রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ এবারও স্থান পাননি মন্ত্রিসভায়। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও রাকসুর সাবেক ভিপি রিজভি বিএনপির সর্বশেষ সরকারেও সরকারি কোনো পদে ছিলেন না। তিনি কখনোই সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি। আওয়ামী লীগের শাসনামলের পুরোটা সময়ই তিনি নয়াপল্টনে বিএনপির প্রধান কার্যালয়ে অবস্থান করে সরকার বিরোধী আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছেন।
আলোচনায় থাকলেও এবারও বিএনপি সরকারের মন্ত্রী হননি, দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। এক সময়ের শ্রমিক নেতা নজরুল ইসলাম খান, ২০০১–২০০৬ সালে কুয়েতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এই শীর্ষ নেতা অতীতে কখনো নির্বাচনও করেননি।
মন্ত্রিসভায় স্থান না পাওয়াদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত নাম মির্জা আব্বাস। অবিভক্ত ঢাকার সাবেক মেয়র তিনি। ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়ার প্রথম সরকারে শুরুতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন যারা
মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেলেন যারা
আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী পদের শপথ নেন তারেক রহমান। পরে তিনি গোপনীয়তার শপথ নেন।