
বিডিজেন ডেস্ক

কুমিল্লায় ভাবগম্ভীর পরিবেশে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধানতম ধর্মীয় উৎসব ২৩তম দানোত্তম কঠিন চীবর দানোৎসব উদযাপিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) কুমিল্লা দক্ষিণ উপজেলার কোটবাড়ি নব শালবন বিহার ও বিশ্ব শান্তি প্যাগোডা অনালয়ে এ দানোৎসব উদযাপিত হয়।
আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কুমিল্লা সেনানিবাসের ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।
আলীশ্বর শান্তি নিকেতন বৌদ্ধ বিহারের উপদেষ্টা শ্রীমং জিনসেন মহাস্থবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়ছার।
মুখ্য আলোচক ছিলেন বৌদ্ধ বিহার মেরুল বাড্ডার উপাধক্ষ্য শ্রীমং সুনন্দপ্রিয় ভিক্ষু, আলোচক ছিলেন শ্রীমং প্রজ্ঞাশ্রী মহাথের, শ্রীমং প্রজ্ঞাজ্যোতি মহাথের।
চীবর উৎসর্গের সময় ভক্তদের সাধু, সাধু, ধ্বনিতে নব শালবন বিহারের সমগ্র আশেপাশে এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে কঠিন চীবর দান ছাড়াও, বুদ্ধমূর্তি দান, সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান, কল্পতরু দান, বিশ্বশান্তি প্যাগোডার অর্থ দান, হাজার প্রদীপ দান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কুমিল্লায় ভাবগম্ভীর পরিবেশে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধানতম ধর্মীয় উৎসব ২৩তম দানোত্তম কঠিন চীবর দানোৎসব উদযাপিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) কুমিল্লা দক্ষিণ উপজেলার কোটবাড়ি নব শালবন বিহার ও বিশ্ব শান্তি প্যাগোডা অনালয়ে এ দানোৎসব উদযাপিত হয়।
আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কুমিল্লা সেনানিবাসের ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।
আলীশ্বর শান্তি নিকেতন বৌদ্ধ বিহারের উপদেষ্টা শ্রীমং জিনসেন মহাস্থবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়ছার।
মুখ্য আলোচক ছিলেন বৌদ্ধ বিহার মেরুল বাড্ডার উপাধক্ষ্য শ্রীমং সুনন্দপ্রিয় ভিক্ষু, আলোচক ছিলেন শ্রীমং প্রজ্ঞাশ্রী মহাথের, শ্রীমং প্রজ্ঞাজ্যোতি মহাথের।
চীবর উৎসর্গের সময় ভক্তদের সাধু, সাধু, ধ্বনিতে নব শালবন বিহারের সমগ্র আশেপাশে এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে কঠিন চীবর দান ছাড়াও, বুদ্ধমূর্তি দান, সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান, কল্পতরু দান, বিশ্বশান্তি প্যাগোডার অর্থ দান, হাজার প্রদীপ দান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।