
প্রতিবেদক, বিডিজেন

সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই ৩৫ জন বাংলাদেশি কর্মীকে চাকরিচ্যুত করে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে রাশিয়ার নিয়োগকারী সংস্থা।
গতকাল রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে কাতার এয়ারওয়েজের (QR-638) নম্বর ফ্লাইটে ওই কর্মীরা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।
ফেরত কর্মীদের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক ও সিভিল অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটির যৌথ সহযোগিতায় পরিবহনসহ অন্য জরুরি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ব্র্যাক মাইগ্রেশন অ্যান্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান।
তিনি জানান, ফেরত আসা কর্মীদের অভিযোগ, কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান তাদের চাকরিচ্যুত করে দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্তের পর পর্যায়ক্রমে মোট ১২০ জন বাংলাদেশি শ্রমিককে চাকরিচ্যুত করে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে রোববার প্রথম দফায় ৩৫ জন কর্মী দেশে ফিরেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ফেরত আসা কর্মীদের মধ্যে গাইবান্ধা জেলার মশিয়ুর রহমান, মানিকগঞ্জ জেলার আসমত আলী, ময়মনসিংহ জেলার হাইয়ুল মিয়া, সিরাজগঞ্জ জেলার আজাদুল হক, ঢাকার প্রসেনজিৎ রাজবংশী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মো. আব্দুল্লাহসহ অন্যরা বিদেশে কাজের নামে তাদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ করেছেন। তারা প্রায় ৭ লাখ টাকা খরচ করে রাশিয়া পারি জমিয়েছিলেন।
জানা গেছে, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (BMET) ছাড়পত্রের মাধ্যমে ২০২৫ সালের জুলাই মাসে রিক্রুটিং এজেন্সি কাশিপুর ওভারসিজ (আরএল–১৩১৭) তাদের রাশিয়ায় পাঠায়। ছাড়পত্রে রাশিয়ান প্রতিষ্ঠান মার্স ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ট্রেড ডেভেলপমেন্টের নাম উল্লেখ থাকলেও রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর তাদের নিয়োগ দেওয়া হয় ভিন্ন প্রতিষ্ঠান এলএলসি আলাবুগা ডেভেলপমেন্ট কোম্পানিতে। চুক্তি অনুযায়ী কর্মীদের ফ্যাক্টরি শ্রমিক হিসেবে কাজ দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তাদের দিয়ে ভবন নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করানো হয়।
ভুক্তভোগীরা জানান, দেশে থাকতে তাদেরকে প্রথমে জুবায়ের ওভারসিজ নামের একটি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে হাতবদল করে রিক্রুটিং এজেন্সি টিপিএস-৩৬০ বাংলাদেশ লিমিটেড (আরএল–৯৯৫)-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তীতে এই প্রতিষ্ঠানই সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এবং বিএমইটি থেকে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্রের ব্যবস্থা করে। কিন্তু কৌশল রিক্রুটিং এজেন্সি টিপিএস ৩৬০ বাংলাদেশ লিমিটেড জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর ছাড়পত্রে আরেকটি রিক্রুটিং এজেন্সি কাশিপুর ওভারাসিজের (আরএল১৩১৭) নাম ব্যবহার করে। ভুক্তভোগী কর্মীরা এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই ৩৫ জন বাংলাদেশি কর্মীকে চাকরিচ্যুত করে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে রাশিয়ার নিয়োগকারী সংস্থা।
গতকাল রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে কাতার এয়ারওয়েজের (QR-638) নম্বর ফ্লাইটে ওই কর্মীরা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।
ফেরত কর্মীদের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক ও সিভিল অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটির যৌথ সহযোগিতায় পরিবহনসহ অন্য জরুরি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ব্র্যাক মাইগ্রেশন অ্যান্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান।
তিনি জানান, ফেরত আসা কর্মীদের অভিযোগ, কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান তাদের চাকরিচ্যুত করে দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্তের পর পর্যায়ক্রমে মোট ১২০ জন বাংলাদেশি শ্রমিককে চাকরিচ্যুত করে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে রোববার প্রথম দফায় ৩৫ জন কর্মী দেশে ফিরেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ফেরত আসা কর্মীদের মধ্যে গাইবান্ধা জেলার মশিয়ুর রহমান, মানিকগঞ্জ জেলার আসমত আলী, ময়মনসিংহ জেলার হাইয়ুল মিয়া, সিরাজগঞ্জ জেলার আজাদুল হক, ঢাকার প্রসেনজিৎ রাজবংশী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মো. আব্দুল্লাহসহ অন্যরা বিদেশে কাজের নামে তাদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ করেছেন। তারা প্রায় ৭ লাখ টাকা খরচ করে রাশিয়া পারি জমিয়েছিলেন।
জানা গেছে, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (BMET) ছাড়পত্রের মাধ্যমে ২০২৫ সালের জুলাই মাসে রিক্রুটিং এজেন্সি কাশিপুর ওভারসিজ (আরএল–১৩১৭) তাদের রাশিয়ায় পাঠায়। ছাড়পত্রে রাশিয়ান প্রতিষ্ঠান মার্স ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ট্রেড ডেভেলপমেন্টের নাম উল্লেখ থাকলেও রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর তাদের নিয়োগ দেওয়া হয় ভিন্ন প্রতিষ্ঠান এলএলসি আলাবুগা ডেভেলপমেন্ট কোম্পানিতে। চুক্তি অনুযায়ী কর্মীদের ফ্যাক্টরি শ্রমিক হিসেবে কাজ দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তাদের দিয়ে ভবন নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করানো হয়।
ভুক্তভোগীরা জানান, দেশে থাকতে তাদেরকে প্রথমে জুবায়ের ওভারসিজ নামের একটি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে হাতবদল করে রিক্রুটিং এজেন্সি টিপিএস-৩৬০ বাংলাদেশ লিমিটেড (আরএল–৯৯৫)-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তীতে এই প্রতিষ্ঠানই সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এবং বিএমইটি থেকে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্রের ব্যবস্থা করে। কিন্তু কৌশল রিক্রুটিং এজেন্সি টিপিএস ৩৬০ বাংলাদেশ লিমিটেড জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর ছাড়পত্রে আরেকটি রিক্রুটিং এজেন্সি কাশিপুর ওভারাসিজের (আরএল১৩১৭) নাম ব্যবহার করে। ভুক্তভোগী কর্মীরা এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ফেরত আসা কর্মীদের অভিযোগ, কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান তাদের চাকরিচ্যুত করে দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্তের পর পর্যায়ক্রমে মোট ১২০ জন বাংলাদেশি শ্রমিককে চাকরিচ্যুত করে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে মো. রুহুল আমিন শেখের সঙ্গে বিডিজেন প্রতিবেদকের গত ১১ জানুয়ারি দেখা হয়। তিনি বিডিজেনকে বলেন, “আমার ভাইয়ের লাশ ফেরত নিতে কত জায়গায় যে ঘুরতেছি তার ঠিক নাই। যে যেখানে বলতেছে সেখানে ঘুরতেছি। কিন্তু লাশ ফেরত নিয়ে আসার কোনো খবর পাচ্ছি না।”
বৈঠক শেষে সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, “যেসব পোস্টাল ব্যালট বিভিন্নভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও আকার আসছে—বাসায় ২০০-৩০০ করে ব্যালট পাওয়া যাচ্ছে—কোথাও কোথাও জব্দ করা হচ্ছে।…প্রবাসীদের ভোটদানের এই নিয়মটা এই প্রথম এক্সারসাইজ হচ্ছে।
শবিফুল হাসান লিখেছেন, দেশে ফেরত আসা কর্মীদের ভাষ্যমতে, একই দিনে সৌদি এয়ারলাইনসের (SV812) একটি ফ্লাইটে সৌদি প্রশাসন প্রায় ৪০০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ডিপোর্ট করে ঢাকায় পাঠায়।