
বিডিজেন ডেস্ক

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) গভীর রাতে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪.১।
ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ঢাকা থেকে ৪৮ কিলোমিটার দক্ষিণে শরীয়তপুরের জাজিরায়। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা ৪৩ মিনিট ২৫ সেকেন্ডে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয় বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর ।
ভূমিকম্পে প্রাথমিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর জানা যায়নি। আবহাওয়া অধিদপ্তরের দায়িত্বরত কর্মকর্তা নিজামউদ্দিন আহমেদ জানান, শরীয়তপুর ও আশপাশের কয়েকটি জেলায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
এর আগে সর্বশেষ ৬ সেপ্টেম্বর রংপুর ও আশপাশের এলাকায় মৃদু ভূকম্পন অনুভূত হয়। রাত ৮টা ২৮ মিনিটে এ ভূকম্পন অনুভূত হয়। কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয় এ ভূমিকম্প।
১৪ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টা ৭ মিনিটে মৃদু ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে চুয়াডাঙ্গা। চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান ওই সময় জানান, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৩.৬। এর উৎপত্তিস্থল পাবনা জেলার আটঘরিয়া। ওই ভূমিকম্পে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সংবাদ পাওয়া যায়নি।
এরপর ২০ এপ্রিল চট্টগ্রামে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ৩.৭ মাত্রার একটি মাঝারি ভূমিকম্প বন্দরনগরী থেকে ৪৩ কিলোমিটার দূরে আঘাত হানে। মৃদু ভূমিকম্পটির অবস্থান ছিল ভারত সীমান্ত থেকে ৩৪ কিলোমিটার ও মিয়ানমার থেকে ৬৬ কিলোমিটার দূরে। ভূমিকম্পের কেন্দ্রে এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।
২৮ এপ্রিল (রোববার) বাংলাদেশের রাজশাহী অঞ্চল এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ভূমিকম্প সংঘটিত হয়। রাত ৮টা ৫ মিনিটে এ ভূমিকম্প হয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তমপুরে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয়। এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৪। হালকা ভূমিকম্প হওয়ায় সেসময় কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।
২ জুন মিয়ানমারে ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত করে, যা অনুভূত হয়েছে বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলাতেও। ৫৯ সেকেন্ড এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) গভীর রাতে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪.১।
ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ঢাকা থেকে ৪৮ কিলোমিটার দক্ষিণে শরীয়তপুরের জাজিরায়। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা ৪৩ মিনিট ২৫ সেকেন্ডে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয় বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর ।
ভূমিকম্পে প্রাথমিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর জানা যায়নি। আবহাওয়া অধিদপ্তরের দায়িত্বরত কর্মকর্তা নিজামউদ্দিন আহমেদ জানান, শরীয়তপুর ও আশপাশের কয়েকটি জেলায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
এর আগে সর্বশেষ ৬ সেপ্টেম্বর রংপুর ও আশপাশের এলাকায় মৃদু ভূকম্পন অনুভূত হয়। রাত ৮টা ২৮ মিনিটে এ ভূকম্পন অনুভূত হয়। কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয় এ ভূমিকম্প।
১৪ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টা ৭ মিনিটে মৃদু ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে চুয়াডাঙ্গা। চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান ওই সময় জানান, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৩.৬। এর উৎপত্তিস্থল পাবনা জেলার আটঘরিয়া। ওই ভূমিকম্পে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সংবাদ পাওয়া যায়নি।
এরপর ২০ এপ্রিল চট্টগ্রামে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ৩.৭ মাত্রার একটি মাঝারি ভূমিকম্প বন্দরনগরী থেকে ৪৩ কিলোমিটার দূরে আঘাত হানে। মৃদু ভূমিকম্পটির অবস্থান ছিল ভারত সীমান্ত থেকে ৩৪ কিলোমিটার ও মিয়ানমার থেকে ৬৬ কিলোমিটার দূরে। ভূমিকম্পের কেন্দ্রে এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।
২৮ এপ্রিল (রোববার) বাংলাদেশের রাজশাহী অঞ্চল এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ভূমিকম্প সংঘটিত হয়। রাত ৮টা ৫ মিনিটে এ ভূমিকম্প হয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তমপুরে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয়। এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৪। হালকা ভূমিকম্প হওয়ায় সেসময় কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।
২ জুন মিয়ানমারে ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত করে, যা অনুভূত হয়েছে বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলাতেও। ৫৯ সেকেন্ড এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”