
প্রতিবেদক, বিডিজেন

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের শুল্কছাড় নিয়ে আলোচনায় কয়েকটি বিষয় অমীমাংসিত রয়ে গেছে। ৩ দিনের আলোচনার পর দুই পক্ষ কয়েকটি বিষয়ে একমত হতে পারেনি। ফলে শুল্কছাড়ের বিষয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র আবার আলোচনায় বসবে।
আজ শনিবার ওয়াশিংটন থেকে বাংলাদেশ দূতাবাসের পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
এই বার্তায় জানানো হয়েছে, দ্বিতীয় দফার বাণিজ্য আলোচনার তৃতীয় ও শেষ দিনে আরও কিছু বিষয়ে দুই দেশ একমত হয়েছে। তবে কয়েকটি বিষয় এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে। দুই পক্ষ আলোচনা করেছে এবং সম্পূর্ণ একমত হতে পারেনি কয়েকটি বিষয়ে। দুই পক্ষই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে নিজেদের মধ্যে আন্তমন্ত্রণালয় আলোচনা করতে হবে। তারপর আবার দুই দেশের প্রতিনিধিরা আলোচনায় বসবেন। এই আলোচনা ভার্চ্যুয়ালি এবং সামনাসামনি—দুই প্রক্রিয়াতেই হতে পারে। খুব দ্রুত সেই সময় ও তারিখ নির্ধারিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
৩ দিনের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ও নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান আশাবাদী যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একটি ইতিবাচক অবস্থানে পৌঁছানো যাবে।
বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ তৈয়্যব ঢাকা থেকে ভার্চ্যুয়ালি অংশগ্রহণ করেন। ভার্চ্যুয়ালি আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারি জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা।
গত এপ্রিলে বাংলাদেশসহ ৫৭টি দেশের পণ্যের ওপর বাড়তি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ঘোষিত শুল্ক হার ছিল ৩৭। এর পরপরই শুল্ক কমানো নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে বাংলাদেশ। একপর্যায়ে তা ৯০ দিনের জন্য স্থগিত করে যুক্তরাষ্ট্র। ৯ জুলাই এই স্থগিতাদেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে এরই মধ্যে ৭ জুলাই বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশের পণ্যের ওপর নতুন করে বাড়তি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এ শুল্ক হার ৩৫। বাড়তি শুল্কছাড় নিয়ে গত বুধবার দুই দেশের মধ্যে ৩ দিনের আলোচনা শুরু হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের শুল্কছাড় নিয়ে আলোচনায় কয়েকটি বিষয় অমীমাংসিত রয়ে গেছে। ৩ দিনের আলোচনার পর দুই পক্ষ কয়েকটি বিষয়ে একমত হতে পারেনি। ফলে শুল্কছাড়ের বিষয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র আবার আলোচনায় বসবে।
আজ শনিবার ওয়াশিংটন থেকে বাংলাদেশ দূতাবাসের পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
এই বার্তায় জানানো হয়েছে, দ্বিতীয় দফার বাণিজ্য আলোচনার তৃতীয় ও শেষ দিনে আরও কিছু বিষয়ে দুই দেশ একমত হয়েছে। তবে কয়েকটি বিষয় এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে। দুই পক্ষ আলোচনা করেছে এবং সম্পূর্ণ একমত হতে পারেনি কয়েকটি বিষয়ে। দুই পক্ষই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে নিজেদের মধ্যে আন্তমন্ত্রণালয় আলোচনা করতে হবে। তারপর আবার দুই দেশের প্রতিনিধিরা আলোচনায় বসবেন। এই আলোচনা ভার্চ্যুয়ালি এবং সামনাসামনি—দুই প্রক্রিয়াতেই হতে পারে। খুব দ্রুত সেই সময় ও তারিখ নির্ধারিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
৩ দিনের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ও নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান আশাবাদী যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একটি ইতিবাচক অবস্থানে পৌঁছানো যাবে।
বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ তৈয়্যব ঢাকা থেকে ভার্চ্যুয়ালি অংশগ্রহণ করেন। ভার্চ্যুয়ালি আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারি জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা।
গত এপ্রিলে বাংলাদেশসহ ৫৭টি দেশের পণ্যের ওপর বাড়তি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ঘোষিত শুল্ক হার ছিল ৩৭। এর পরপরই শুল্ক কমানো নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে বাংলাদেশ। একপর্যায়ে তা ৯০ দিনের জন্য স্থগিত করে যুক্তরাষ্ট্র। ৯ জুলাই এই স্থগিতাদেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে এরই মধ্যে ৭ জুলাই বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশের পণ্যের ওপর নতুন করে বাড়তি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এ শুল্ক হার ৩৫। বাড়তি শুল্কছাড় নিয়ে গত বুধবার দুই দেশের মধ্যে ৩ দিনের আলোচনা শুরু হয়।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষমাপ্রাপ্ত সব বাংলাদেশি ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। তারা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে আটক হয়েছিলেন।
সংলাপে মূলত ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—বায়রাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নৈতিক নিয়োগ নিশ্চিতকরণে প্রার্থীদের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশে ও গন্তব্য দেশসমূহে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খলিলুর রহমান আমেরিকা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কৃষিপণ্য আমদানি বাড়ানোর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি সাম্প্রতিক ভিসা বন্ডের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আমেরিকায় ভ্রমণ সহজ করার অনুরোধ জানান।