
প্রতিবেদক, বিডিজেন

গণভোটে প্রবাসীদের ভোট দেওয়ার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নীতিমালায় কোনো স্পষ্ট দিক–নির্দেশনা নেই বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি বলেন, “প্রবাসীদের ভোট দেওয়ার সব সিস্টেম বললেন তাহলে গণভোটে সে [প্রবাসী] কীভাবে ভোট দেবে? গণভোটের ব্যাপারে প্রবাসীদের ভোট তাদের তো ব্যালট আলাদা, সিস্টেম আলাদা। একই সিস্টেমে কীভাবে তারা ঢুকবে?”
আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর) রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ইসির সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।
প্রবাসীদের মধ্যে অনেকের এনআইডির জটিলতা থাকায় পাসপোর্ট দিয়ে ভোটার নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব আবারও উত্থাপন করেছেন গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, পাসপোর্ট একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট। তাহলে অল্টারনেটিভ হিসেবে পাসপোর্টের মাধ্যমে সে এখানে ভোটার রেজিস্ট্রেশন করতে পারে কি না—এ বিষয়ে গতকালও প্রবাসী ভোটারদের অ্যাপ উদ্বোধনের সময় কোনো আলোচনা আসেনি।

গণভোটে প্রবাসীদের ভোট দেওয়ার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নীতিমালায় কোনো স্পষ্ট দিক–নির্দেশনা নেই বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি বলেন, “প্রবাসীদের ভোট দেওয়ার সব সিস্টেম বললেন তাহলে গণভোটে সে [প্রবাসী] কীভাবে ভোট দেবে? গণভোটের ব্যাপারে প্রবাসীদের ভোট তাদের তো ব্যালট আলাদা, সিস্টেম আলাদা। একই সিস্টেমে কীভাবে তারা ঢুকবে?”
আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর) রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ইসির সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।
প্রবাসীদের মধ্যে অনেকের এনআইডির জটিলতা থাকায় পাসপোর্ট দিয়ে ভোটার নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব আবারও উত্থাপন করেছেন গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, পাসপোর্ট একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট। তাহলে অল্টারনেটিভ হিসেবে পাসপোর্টের মাধ্যমে সে এখানে ভোটার রেজিস্ট্রেশন করতে পারে কি না—এ বিষয়ে গতকালও প্রবাসী ভোটারদের অ্যাপ উদ্বোধনের সময় কোনো আলোচনা আসেনি।
বার্তায় জানানো হয়, ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে যারা ব্যবসা বা পর্যটনের উদ্দেশ্যে আমেরিকার (বি১/বি২) ভিসার জন্য অনুমোদিত হবেন, তাদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার আমেরিকান ডলার পর্যন্ত একটি ভিসা বন্ড জমা দিতে হবে।
প্রধান উপদেষ্টা দেশবাসীর উদ্দেশে বলেন, “সকলের প্রতি আহ্বান জানাই, গণভোটে অংশ নিন। হ্যাঁ-তে সিল দিন। নতুন বাংলাদেশ গড়ার চাবি আপনার হাতে। হ্যাঁ-তে সিল দিন। দেশ পাল্টে দিন।”
ফেরত আসা কর্মীদের অভিযোগ, কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান তাদের চাকরিচ্যুত করে দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্তের পর পর্যায়ক্রমে মোট ১২০ জন বাংলাদেশি শ্রমিককে চাকরিচ্যুত করে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে মো. রুহুল আমিন শেখের সঙ্গে বিডিজেন প্রতিবেদকের গত ১১ জানুয়ারি দেখা হয়। তিনি বিডিজেনকে বলেন, “আমার ভাইয়ের লাশ ফেরত নিতে কত জায়গায় যে ঘুরতেছি তার ঠিক নাই। যে যেখানে বলতেছে সেখানে ঘুরতেছি। কিন্তু লাশ ফেরত নিয়ে আসার কোনো খবর পাচ্ছি না।”