
বিডিজেন ডেস্ক

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে চাঁদার টাকা না পেয়ে মালয়েশিয়াপ্রবাসী এক তরুণকে দুর্বৃত্তরা ছুরিকাঘাত করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রাণ বাঁচাতে ওই তরুণ যমুনা নদীতে ঝাঁপ দেন। গতকাল শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের দুর্গম চর রাখালগাছি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
খবর প্রথম আলোর।
নিখোঁজ তরুণের নাম আল আমিন মন্ডল (২৫)। তিনি পাবনার আমিনপুর থানার সিদ্দিকনগর রামনারায়ণপুর গ্রামের আবু বক্কর মন্ডলের ছেলে। সাত বছর মালয়েশিয়ায় থেকে চার মাস আগে বাড়িতে আসেন তিনি। বিয়ের জন্য পাত্রী দেখতে গতকাল রাখালগাছি এলাকায় গিয়েছিলেন।
গোয়ালন্দ উপজেলা সদর থেকে রাখালগাছির দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার। এলাকাটি ঘেঁষে আছে সর্বহারা–অধ্যুষিত পাবনার ঢালার চর। রাখালগাছির সঙ্গে ঢালার চরের সড়ক যোগাযোগ থাকলেও তিন দিক নদীবেষ্টিত হওয়ায় গোয়ালন্দ থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকাই একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গতকাল দুপুরে আল আমিন তাঁর মামা লিটন ও বোন আকলিমাসহ কয়েকজনের সঙ্গে ঢালারচর গ্রামের খৈয়মের বাড়িতে বিয়ের জন্য পাত্রী দেখতে যান। সেখানে খাওয়াদাওয়া শেষে মোটরসাইকেলে করে তিনি পাশের গোয়ালন্দের রাখালগাছি বাজারে যান। কিছুক্ষণ পর পাবনার আমিনপুর থানার কোমরপুর গ্রামের শাহ আলী, রবিউল ইসলামসহ ৭–৮ জন চারটি মোটরসাইকেলে করে রাখালগাছি বাজারে আসেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁরা আল আমিনকে মারধর ও ছুরিকাঘাত করতে থাকেন। প্রাণ বাঁচাতে পাশের যমুনা নদীতে ঝাঁপ দেন আল আমিন। এর পর থেকে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
পরিবারের ভাষ্য, ১৫-১৬ দিন আগে শাহ আলী চা-নাশতা খাওয়ার কথা বলে আল আমিনের কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় মুঠোফোনে আল আমিনকে গালাগাল করেন। এ নিয়ে দুজনের কথা-কাটাকাটি হয়।
দেবগ্রাম ইউনিয়নের রাখালগাছি ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আবু বক্কার বলেন, প্রাণ বাঁচাতে বাজারের পাশের যমুনা নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর থেকে নিখোঁজ আছেন আল আমিন। খবর পেয়ে সন্ধ্যায় আমিনপুর ও গোয়ালন্দ ঘাট থানা-পুলিশ খোঁজ করেও তাঁর সন্ধান পায়নি।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) উত্তম কুমার ঘোষ প্রথম আলোকে এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, অপরাধীদের ধরতে কাজ চলছে।
সূত্র: প্রথম আলো

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে চাঁদার টাকা না পেয়ে মালয়েশিয়াপ্রবাসী এক তরুণকে দুর্বৃত্তরা ছুরিকাঘাত করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রাণ বাঁচাতে ওই তরুণ যমুনা নদীতে ঝাঁপ দেন। গতকাল শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের দুর্গম চর রাখালগাছি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
খবর প্রথম আলোর।
নিখোঁজ তরুণের নাম আল আমিন মন্ডল (২৫)। তিনি পাবনার আমিনপুর থানার সিদ্দিকনগর রামনারায়ণপুর গ্রামের আবু বক্কর মন্ডলের ছেলে। সাত বছর মালয়েশিয়ায় থেকে চার মাস আগে বাড়িতে আসেন তিনি। বিয়ের জন্য পাত্রী দেখতে গতকাল রাখালগাছি এলাকায় গিয়েছিলেন।
গোয়ালন্দ উপজেলা সদর থেকে রাখালগাছির দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার। এলাকাটি ঘেঁষে আছে সর্বহারা–অধ্যুষিত পাবনার ঢালার চর। রাখালগাছির সঙ্গে ঢালার চরের সড়ক যোগাযোগ থাকলেও তিন দিক নদীবেষ্টিত হওয়ায় গোয়ালন্দ থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকাই একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গতকাল দুপুরে আল আমিন তাঁর মামা লিটন ও বোন আকলিমাসহ কয়েকজনের সঙ্গে ঢালারচর গ্রামের খৈয়মের বাড়িতে বিয়ের জন্য পাত্রী দেখতে যান। সেখানে খাওয়াদাওয়া শেষে মোটরসাইকেলে করে তিনি পাশের গোয়ালন্দের রাখালগাছি বাজারে যান। কিছুক্ষণ পর পাবনার আমিনপুর থানার কোমরপুর গ্রামের শাহ আলী, রবিউল ইসলামসহ ৭–৮ জন চারটি মোটরসাইকেলে করে রাখালগাছি বাজারে আসেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁরা আল আমিনকে মারধর ও ছুরিকাঘাত করতে থাকেন। প্রাণ বাঁচাতে পাশের যমুনা নদীতে ঝাঁপ দেন আল আমিন। এর পর থেকে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
পরিবারের ভাষ্য, ১৫-১৬ দিন আগে শাহ আলী চা-নাশতা খাওয়ার কথা বলে আল আমিনের কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় মুঠোফোনে আল আমিনকে গালাগাল করেন। এ নিয়ে দুজনের কথা-কাটাকাটি হয়।
দেবগ্রাম ইউনিয়নের রাখালগাছি ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আবু বক্কার বলেন, প্রাণ বাঁচাতে বাজারের পাশের যমুনা নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর থেকে নিখোঁজ আছেন আল আমিন। খবর পেয়ে সন্ধ্যায় আমিনপুর ও গোয়ালন্দ ঘাট থানা-পুলিশ খোঁজ করেও তাঁর সন্ধান পায়নি।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) উত্তম কুমার ঘোষ প্রথম আলোকে এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, অপরাধীদের ধরতে কাজ চলছে।
সূত্র: প্রথম আলো
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষমাপ্রাপ্ত সব বাংলাদেশি ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। তারা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে আটক হয়েছিলেন।
সংলাপে মূলত ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—বায়রাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নৈতিক নিয়োগ নিশ্চিতকরণে প্রার্থীদের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশে ও গন্তব্য দেশসমূহে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খলিলুর রহমান আমেরিকা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কৃষিপণ্য আমদানি বাড়ানোর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি সাম্প্রতিক ভিসা বন্ডের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আমেরিকায় ভ্রমণ সহজ করার অনুরোধ জানান।