
বিডিজেন ডেস্ক

অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, তিনি মাঝে মাঝে ভোরে পূর্বাচলের ৩০০ ফুট সড়কের নীলা মার্কেটে হাঁসের মাংস খেতে যান। সেখানে বন্ধ থাকলে গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেলে যান।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সম্প্রতি গুলশানে এক চাঁদাবাজির ঘটনায় তাঁর নাম আসার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আসিফ মাহমুদ বলেন, 'প্রথমত এই বিষয়টা এখনো তদন্ত চলছে, তাই এটা নিয়ে মন্তব্য করাটা উচিত না। তারপরও যেহেতু আমার নাম স্পেসিফিক সেখানে এসেছে এবং নামটা আসার পরে আমি একরকম অবাকই হই।'
আসিফ মাহমুদ বলেন, 'জানে আলম অপুকে আমি চিনতাম যখন আমি ছাত্র অধিকার পরিষদে ছিলাম ২০২২ সালে। ৫ আগস্টের পর তাঁর সঙ্গে আমার কখনো কথা বা দেখা হয়নি।'
ওয়েস্টিন হোটেলে যাওয়া প্রসঙ্গে আসিফ মাহমুদ বলেন, 'আমি মাঝেমধ্যে রাতে যখন কাজ শেষ হয়, কখনো ভোর হয়, সে সময় বাসায় খাওয়া-দাওয়া দেওয়ার মতো কেউ থাকে না। তখন আমি বেশির ভাগ সময় যাই ৩০০ ফিটের নীলা মার্কেটে। সেখানে হাঁসের মাংস খুব ভালো পাওয়া যায়। ওখানে যাই ৪-৫ জন মিলে। আবার মাঝেমধ্যে বেশি ভোর হয়ে গেলে সেখানে বন্ধ থাকে, তখন ওয়েস্টিনে যাওয়া হয়।'
নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে আসিফ মাহমুদ বলেন, 'আমি বলেছি যাদেরই রাজনীতি করার ইচ্ছা আছে, আমার বা মাহফুজ আলম বা ছাত্র উপদেষ্টারাই না, এই সরকারে অনেকের পূর্ববর্তী রাজনৈতিক পরিচয় আছে, সামনেও রাজনীতি করবেন কিংবা নির্বাচন করবেন, আমি মনে করি যে সবারই তফসিলের পর পদত্যাগ করা উচিত, একটা স্বচ্ছ এবং সুষ্ঠু কোনো প্রকার প্রভাবমুক্ত নির্বাচন আয়োজনের জন্য।'
'নির্বাচনকালীন বলতে আমি বুঝিয়েছি তফসিল ঘোষণার পরবর্তী সময়টাকে। যারাই রাজনীতি করতে চান, শুধু ছাত্র উপদেষ্টারা না, যারাই চাইবে তাদেরই উচিত নির্বাচনের সময়টাতে না থাকা যেন কোনোভাবেই নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ না হয়,' বলেন তিনি।

অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, তিনি মাঝে মাঝে ভোরে পূর্বাচলের ৩০০ ফুট সড়কের নীলা মার্কেটে হাঁসের মাংস খেতে যান। সেখানে বন্ধ থাকলে গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেলে যান।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সম্প্রতি গুলশানে এক চাঁদাবাজির ঘটনায় তাঁর নাম আসার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আসিফ মাহমুদ বলেন, 'প্রথমত এই বিষয়টা এখনো তদন্ত চলছে, তাই এটা নিয়ে মন্তব্য করাটা উচিত না। তারপরও যেহেতু আমার নাম স্পেসিফিক সেখানে এসেছে এবং নামটা আসার পরে আমি একরকম অবাকই হই।'
আসিফ মাহমুদ বলেন, 'জানে আলম অপুকে আমি চিনতাম যখন আমি ছাত্র অধিকার পরিষদে ছিলাম ২০২২ সালে। ৫ আগস্টের পর তাঁর সঙ্গে আমার কখনো কথা বা দেখা হয়নি।'
ওয়েস্টিন হোটেলে যাওয়া প্রসঙ্গে আসিফ মাহমুদ বলেন, 'আমি মাঝেমধ্যে রাতে যখন কাজ শেষ হয়, কখনো ভোর হয়, সে সময় বাসায় খাওয়া-দাওয়া দেওয়ার মতো কেউ থাকে না। তখন আমি বেশির ভাগ সময় যাই ৩০০ ফিটের নীলা মার্কেটে। সেখানে হাঁসের মাংস খুব ভালো পাওয়া যায়। ওখানে যাই ৪-৫ জন মিলে। আবার মাঝেমধ্যে বেশি ভোর হয়ে গেলে সেখানে বন্ধ থাকে, তখন ওয়েস্টিনে যাওয়া হয়।'
নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে আসিফ মাহমুদ বলেন, 'আমি বলেছি যাদেরই রাজনীতি করার ইচ্ছা আছে, আমার বা মাহফুজ আলম বা ছাত্র উপদেষ্টারাই না, এই সরকারে অনেকের পূর্ববর্তী রাজনৈতিক পরিচয় আছে, সামনেও রাজনীতি করবেন কিংবা নির্বাচন করবেন, আমি মনে করি যে সবারই তফসিলের পর পদত্যাগ করা উচিত, একটা স্বচ্ছ এবং সুষ্ঠু কোনো প্রকার প্রভাবমুক্ত নির্বাচন আয়োজনের জন্য।'
'নির্বাচনকালীন বলতে আমি বুঝিয়েছি তফসিল ঘোষণার পরবর্তী সময়টাকে। যারাই রাজনীতি করতে চান, শুধু ছাত্র উপদেষ্টারা না, যারাই চাইবে তাদেরই উচিত নির্বাচনের সময়টাতে না থাকা যেন কোনোভাবেই নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ না হয়,' বলেন তিনি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।