logo
খবর

সুপারিশ উপেক্ষা, বাড়ছে রিক্রুটিং এজেন্সি, অস্থিরতার শঙ্কা

বিডিজেন ডেস্ক
বিডিজেন ডেস্ক৫ ঘণ্টা আগে
Copied!
সুপারিশ উপেক্ষা, বাড়ছে রিক্রুটিং এজেন্সি, অস্থিরতার শঙ্কা
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিবিষয়ক শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি তাদের প্রতিবেদনে (ডিসেম্বর, ২০২৪) বিদেশে কর্মী প্রেরণের রিক্রুটিং এজেন্সির সংখ্যা যৌক্তিক মাত্রায় কমিয়ে আনার সুপারিশ করেছিল। কিন্তু সেই সুপারিশ না মেনে উল্টো আরও ২৫২টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসন্স অনুমোদন দিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে আরও ৩১টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিগত বছরগুলোতে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে হাজার হাজার অভিযোগ ছিল। তাদের কারণেই জনশক্তি রপ্তানি খাত অনেকটা অস্থির। অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে প্রত্যাশা ছিল, আগের লাইসেন্সধারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়ার এবং এই খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে নিয়ে আসা। কিন্তু ঘটেছে উল্টো।

নতুন করে লাইসেন্স দেওয়ায় এই খাতে অস্থিরতা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, দেশটিতে ১ হাজার ৮০০–র বেশি, পাকিস্তানের ব্যুরো অব ইমিগ্রেশনের তথ্য অনুসারে দেশটিতে ৫ হাজারের বেশি রিক্রুটিং এজেন্সি রয়েছে। রিসার্চ গেটের তথ্য বলছে, নেপালে ৮৬০টি, ভুটানে ৩১টি ও শ্রীলংকায় ৮৪০টির রিক্রুটিং এজেন্সি রয়েছে।

নানা অভিযোগ ও অবৈধ কার্যক্রমের কারণে বাংলাদেশিদের বৈধপথে বিদেশ যাওয়ার পরিসর গত কয়েক বছর ধরে ক্রমশ সংকুচিত হয়েছে। অন্যদিকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ১০টির বেশি দেশে ভিসা নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি কয়েকটি দেশের ভিসা প্রাপ্তির হার কমেছে। এ ছাড়া, গত এক বছরে রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রিক্রুটিং এজেন্সির নতুন লাইসেন্স দিতে ২০২৩ সাল থেকে আবদেনকারীদের ৫০ নম্বরের মানদণ্ডে একটি পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর মধ্যে ২৫ নম্বর অর্জনকারীদের লাইসেন্স অনুমোদন করার সিদ্ধান্ত ছিল। মন্ত্রণালয়ের বর্তমান উপদেষ্টা আসিফ নজরুল অনুমোদনের নম্বর ২৫ থেকে কমিয়ে ২০ ঠিক করেন। এই নম্বরের ভিত্তিতে নতুন ২৫২টি এজেন্সি লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে এবং আরও ৩১টি এজেন্সির লাইসেন্স অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

গত বছরের ৪ নভেম্বর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের একজন উপসচিবের স্বাক্ষরে অনুমোদন পাওয়া এসব প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এক সময় দেশে রিক্রুটিং এজেন্সির সংখ্যা ৮৫০ থেকে ৯০০-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের শেষের দিকে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ৩০০। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে ১ হাজার ৮৬৫টি এজেন্সির কার্যক্রম সচল রয়েছে।

যে প্রক্রিয়ায় নতুন ২৫২টি লাইসেন্স অনুমোদন হয়েছে

তিন বছরে নতুন লাইসেন্সের জন্য মন্ত্রণালয়ে কয়েক হাজার আবেদন জমা পড়েছিল। সেগুলো বিভিন্ন পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করে ৫৪৩টি আবেদন মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ কমিটির কাছে পাঠানো হয়। এরপর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন করে প্রতিনিধিসহ ৬ জনের একটি কমিটি এসব আবেদন কয়েক ধাপে যাচাই করে।

এসব আবেদনকারীদের জন্য ভাষাগত দক্ষতা, বৈদেশিক যোগাযোগ, অভিবাসন বিষয়ে দক্ষতা, স্বত্বাধিকারী ও অংশীদারের শিক্ষাগত যোগ্যতা, বিপণন দক্ষতা এবং কর্ম পরিকল্পনার দক্ষতার বিষয়ে মোট ৫০ নম্বরের একটি মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়। এই মানদণ্ডের মধ্যে যেসব আবেদনকারী ২৫ নম্বর পাবেন তারাই নতুন করে অনুমোদন পাবেন বলে ঠিক করা হয়।

কিন্তু প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের বর্তমান উপদেষ্টা নম্বর ২৫ থেকে কমিয়ে ২০ নম্বর করেন। সর্বশেষ লাইসেন্সপ্রাপ্তরা এই ২০ নম্বরের ভিত্তিতে নতুন লাইসেন্সের অনুমোদন পেয়েছে।

নতুন লাইসেন্স অনুমোদনের সুপারিশ কমিটির একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিডিজেনকে বলেন, “শুরুতে সিদ্ধান্ত ছিল ৫০ নম্বরের মধ্যে যারা ২৫ নম্বর অর্জন করবে তাদের লাইসেন্সের অনুমোদন হবে। কিন্তু পরে এটি ২৫ থেকে ২০ নম্বর করেন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা। ফলে লাইসেন্সের সংখ্যা এত বেশি হয়েছে।” নম্বর কমানো না হলে এই সংখ্যা কম হতো বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

এ বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের মন্তব্য নেওয়ার জন্য জনসংযোগ কর্মকর্তার মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এজেন্সির সংখ্যা বৃদ্ধি অস্থিরতা আরও বাড়াবে

অবৈধ অভিবাসন, মানবপাচার, আইন লঙ্ঘন, দক্ষ শ্রমিকের অভাবে বাংলাদেশের বৈদেশিক শ্রমবাজার সংকুচিত হয়ে পড়ছে। আন্তর্জাতিক মানবপাচার সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান এখন তলানিতে।

রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) তথ্যমতে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশ থেকে ১১ লাখ ৩০ হাজার ৭৫৭ জন কর্মী বিদেশে গেছেন। এসব কর্মীরা বিশ্বের ১৪১টি দেশে গেছেন। তবে তাদের মধ্যে ৯০ শতাংশ কর্মী গেছেন মাত্র ৫টি দেশে। ১৩টি দেশে একজন করে এবং ৩৪টি দেশে ২ থেকে ১০ জন করে।

রামরুর মতে, যেসব দেশে ১০০ জনের কম কর্মী গেছেন সেসব দেশকে অভিবাসনের দেশ হিসেবে চিহ্নিত করা ঠিক নয়।

রামরুর গবেষণা থেকে জানা যায়, গত বছর বিদেশে যাওয়া কর্মীদের ২০ থেকে ২২ শতাংশ দক্ষ আর বাকি ৭০ শতাংশের বেশিই স্বল্প বা অদক্ষ। দক্ষ কর্মীদের মধ্যে মাত্র ৩ থেকে ৪ শতাংশ পেশাজীবী।

বায়রার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রিয়াজ উল ইসলাম বিডিজেনকে বলেন, “নতুন লাইসেন্স অনুমোদন এই খাতের জন্য যেমন ইতিবাচক তেমনি নেতিবাচক। বেশি প্রতিষ্ঠান থাকলে বাজারে প্রতিযোগিতা হয় এবং তা ভালো। অন্যদিকে বর্তমানে শ্রমবাজার কিছু দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে আসছে। এ অবস্থায় নতুন লাইসেন্সধারীরা কোন দেশ নিয়ে কাজ করবে বা কী করবে?” এর ফলে এ খাতে এক ধরনের অস্থিরতা বাড়তে পারে বলেও জানান তিনি।

অভিবাসন ও শরণার্থীবিষয়ক বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত ছিল, এই খাতের বিভিন্ন অভিযোগ ও এজেন্সিদের কর্মকাণ্ড সার্বিকভাবে মূল্যায়ন করা। এর ভিত্তিতে এজেন্সিদের তালিকা করা। কিন্তু এসব না করে নতুন করে লাইসেন্স দেওয়া হলো যার ফলে এই খাতের জবাবদিহিতা আরও দুর্বল হলো।”

তিনি বলেন, “নতুন লাইসেন্সপ্রাপ্তদের মধ্যে গ্রামীণ এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসও অনুমোদন পেয়েছে। এটি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার একটি প্রতিষ্ঠানের অংশ। ফলে নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের মানুষেরা যদি দায়িত্ব থাকা অবস্থায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স পায়, তাহলে কতটুকু জবাবদিহি নিশ্চিত করা যাবে। তাই এই সময়ে নতুন লাইসেন্স অনুমোদ দেওয়া জরুরি ছিল কি না সেটা দেখার বিষয়।”

ব্র্যাকের মাইগ্রেশন অ্যান্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান বলেন, “অভিবাসন খাতের মূল সমস্যা ব্যবস্থাপনায়। এখানে সুশাসনের যথেষ্ট ঘাটতি আছে। লাইসেন্স বাড়লে বা কমলে এখানে খুব বেশি প্রভাব পড়বে না।‌ তাতে বিদেশগামীদেরও কল্যাণ হবে না‌। এর বদলে প্রয়োজন ছিল এজেন্সিগুলোর ভালো–মন্দ শ্রেণিবিন্যাস করা। একটা এজেন্সি কোন দেশে লোক পাঠাচ্ছে, কর্মীরা কেমন আছে—এই তথ্যগুলো উম্মুক্ত থাকলে বিদেশ যেতে ইচ্ছুকেরা তার পছন্দের এজেন্সি বাছাই করতে পারত।”

তিনি বলেন, “দেখা যায়, এজেন্সিগুলোর অফিস রাজধানী ঢাকার পল্টন বা বনানীতে। আর যিনি বিদেশে যাবেন তিনি প্রত্যন্ত কোনো জেলা বা উপজেলার। এই দুইয়ের সংযোগ এখনো করে দেয় মধ্যস্বত্ত্বভোগীরা। সংকটটা এখানেই। এ কারণেই নানা অনিয়ম হয় আর বাংলাদেশ থেকে রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী হিসেবে বিদেশ যাওয়ার খরচও বেশি। এখানে বিকল্প হিসেবে বিদেশগামী কর্মীদের যদি ডিজিটাল নিবন্ধন করা যেত, এজেন্সিগুলো যদি সেখান থেকে যোগ্যদের বিদেশে পাঠাত, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো (টিটিসি) দক্ষ লোক তৈরি করে তালিকা নিয়মিত আপডেট করত তাহলে কাজে আসত।”

শরিফুল হাসান আরও বলেন. “আরেকটা বিষয় হলো এই যে কর্মীরা যারা বৈধভাবে বিদেশে যাচ্ছে, তারা কিন্তু সরকারের সব ছাড়পত্র নিয়ে যাচ্ছে। তার মানে সরকার বলছে তার চাকরি ঠিক আছে। কিন্তু সে যখন বিদেশে গিয়ে বিপদে পড়ছে, দায় আসছে শুধু এজেন্সির ওপর। তাহলে তদারকি প্রতিষ্ঠান হিসেবে সরকারের ভূমিকা কী? এই খাতের দুর্নীতি অনিয়ম যদি না কমে, বিকল্প শ্রমবাজার না থাকে, দক্ষতা না বাড়ে এজেন্সির সংখ্যায় কিছু যায় আসে না। এক কথায় বলতে গেলে ব্যবস্থাপনা ঠিক না হলে, সুশাসন ও জবাবদিহিতা না আসলে এই খাতে খুব বেশি পরিবর্তন আসবে না।”

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া বলেন, “বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ানোর জন্য লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। আর লাইসেন্সধারীদের কাজ যদি ভালো না হয়, তাহলে আমরা কোনো কারণ না দেখিয়েও লাইসেন্স বন্ধ করে দিতে পারি। এ ছাড়া, তারা প্রায় ৩৫ লাখ টাকা জামানত দিচ্ছে।’ সব মিলিয়ে নতুনেরা ভালো কিছু করতে পারে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

আরও দেখুন

সুপারিশ উপেক্ষা, বাড়ছে রিক্রুটিং এজেন্সি, অস্থিরতার শঙ্কা

সুপারিশ উপেক্ষা, বাড়ছে রিক্রুটিং এজেন্সি, অস্থিরতার শঙ্কা

অভিবাসন ও শরণার্থীবিষয়ক বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত ছিল, এই খাতের বিভিন্ন অভিযোগ ও এজেন্সিদের কর্মকাণ্ড সার্বিকভাবে মূল্যায়ন করা। এর ভিত্তিতে এজেন্সিদের তালিকা করা। কিন্তু এসব না করে নতুন করে লাইসেন্স দেওয়া হলো যার ফলে এই খাতের জবাবদিহিতা আরও দুর্বল হলো।”

৫ ঘণ্টা আগে

চট্টগ্রাম রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নভোএয়ার

চট্টগ্রাম রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নভোএয়ার

নতুন ফ্লাইটটি প্রতি সোমবার, মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে এবং চট্টগ্রাম থেকে বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করবে।

৬ ঘণ্টা আগে

প্রবাসী ভোটাররা আজ বুধবার বিকেল ৫টা থেকে পোস্টাল ভোট দিতে পারবেন

প্রবাসী ভোটাররা আজ বুধবার বিকেল ৫টা থেকে পোস্টাল ভোট দিতে পারবেন

নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানায়, কমিশনের ওয়েবসাইট বা ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট আসনের প্রার্থী ও প্রতীকে ভোট দেওয়া যাবে। ভোট দেওয়ার পর আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে পোস্টাল ব্যালট ডাকযোগে বাংলাদেশে সংশ্লিষ্ট আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠাতে হবে।

১০ ঘণ্টা আগে

আরও ৩৬ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে আমেরিকা

আরও ৩৬ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে আমেরিকা

ফেরত আসা ৩৬ জনের মধ্যে নোয়াখালী জেলার ২১ জন, লক্ষ্মীপুর জেলার ২ জন এবং মুন্সিগঞ্জ, ঢাকা, লালমনিরহাট, শরীয়তপুর, বরগুনা, ফেনী, সিরাজগঞ্জ, গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও নেত্রকোনা জেলার একজন করে রয়েছেন।

১ দিন আগে